ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে তুরস্কের মাথাব্যথা কেন বেশি?
jugantor
ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে তুরস্কের মাথাব্যথা কেন বেশি?

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:৩৫:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পুরো বিশ্বের নজর এখন ইউক্রেন ও রাশিয়ার দিকে। কারণ যে কোনো মূহুর্তে সেখানে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে।

তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে জোর চেস্টা চালাচ্ছে বিশ্বের অন্য দেশগুলো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি। তাদের সঙ্গে ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে বেশ মাথা ঘামাচ্ছে তুরস্ক।

তুরস্কের এই বিষয়টি নিয়ে দৌড়ঝাপ করার কারণ হলো তাদের কিছু স্বার্থ এর সঙ্গে জড়িত।

২০১৯ সাল থেকে ইউক্রেনে ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক। তাদের তৈরি বায়রাকতার টিভি২ ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেন।

যদি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে তাহলে তুরস্কের ড্রোন রপ্তানি হুমকির মুখে পড়বে। ইউক্রেনের কাছে আরো ড্রোন বিক্রির চুক্তি করেছে তুরস্ক।

এই ড্রোনটি ইউক্রেনের মাটিতেই তৈরি করার জন্য একটি কারখানা বানানোর কাজ করে যাচ্ছে দেশটি।


আরেকটি বিষয় হলো রাশিয়ার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিরিয়ায় কয়েকটি সামরিক অভিযানে যুক্ত আছে তুরস্ক। যেখানে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও কুর্দিদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাছাড়া অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়ার ওপর অনেকটা নির্ভরশীল তুরস্ক। কারণ প্রতিবছর রাশিয়া থেকে অনেক পর্যটক আসে দেশটিতে। এরমাধ্যমে বৈদশিক মূদ্রা আয় করে তারা।

আরেকটি বড় বিষয় সেটি হলো, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। আর ন্যাটোতে তাদের রয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৈন্য। ফলে ন্যাটো যদি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে যায় তখন তুরস্কের থাকতে হবে সবার আগে।

এখন তুরস্ক যে কোনোভাবে নিরপেক্ষ থাকতে চায়।

সূত্র: আল জাজিরা

ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে তুরস্কের মাথাব্যথা কেন বেশি?

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুরো বিশ্বের নজর এখন ইউক্রেন ও রাশিয়ার দিকে। কারণ যে কোনো মূহুর্তে সেখানে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। 

তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে জোর চেস্টা চালাচ্ছে বিশ্বের অন্য দেশগুলো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি। তাদের সঙ্গে ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে বেশ মাথা ঘামাচ্ছে তুরস্ক। 

তুরস্কের এই বিষয়টি নিয়ে দৌড়ঝাপ করার কারণ হলো তাদের কিছু স্বার্থ এর সঙ্গে জড়িত। 

২০১৯ সাল থেকে ইউক্রেনে ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক। তাদের তৈরি বায়রাকতার টিভি২ ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেন। 

যদি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে তাহলে তুরস্কের ড্রোন রপ্তানি হুমকির মুখে পড়বে। ইউক্রেনের কাছে আরো ড্রোন বিক্রির চুক্তি করেছে তুরস্ক। 

এই ড্রোনটি ইউক্রেনের মাটিতেই তৈরি করার জন্য একটি কারখানা বানানোর কাজ করে যাচ্ছে দেশটি। 


আরেকটি বিষয় হলো রাশিয়ার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিরিয়ায় কয়েকটি সামরিক অভিযানে যুক্ত আছে তুরস্ক। যেখানে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও কুর্দিদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন। 

তাছাড়া অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়ার ওপর অনেকটা নির্ভরশীল তুরস্ক। কারণ প্রতিবছর রাশিয়া থেকে অনেক পর্যটক আসে দেশটিতে। এরমাধ্যমে বৈদশিক মূদ্রা আয় করে তারা। 

আরেকটি বড় বিষয় সেটি হলো, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। আর ন্যাটোতে তাদের রয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সৈন্য। ফলে ন্যাটো যদি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে যায় তখন তুরস্কের থাকতে হবে সবার আগে। 

এখন  তুরস্ক যে কোনোভাবে নিরপেক্ষ থাকতে চায়। 

সূত্র: আল জাজিরা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন