পুতিন কি বুঝতে পেরেছেন তিনি পারবেন না?
jugantor
পুতিন কি বুঝতে পেরেছেন তিনি পারবেন না?

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ মে ২০২২, ২২:৫৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার ফিনল্যান্ড-ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।

পুতিন বলেছেন, এ দুটি দেশের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার রাশিয়ার জন্য কোনো হুমকি না। কিন্তু ন্যাটো যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেনে পারমাণবিক অস্ত্র ও স্থায়ী ঘাঁটি বানায় তাহলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া আসবে।

গণমাধ্যম বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদক পল অ্যাডামস একটি কলামে লিখেছেন, পুতিন বুঝতে পেরেছেন, খুব সম্ভবত দেরিতে যে তিনি এ দুটি দেশকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবেন না।

কিন্তু পুতিন হুশিয়ারি দিচ্ছেন, ন্যাটো যদি মিসাইল ব্যবস্থা স্থাপন করে, স্থায়ী ঘাঁটি বানায়, এ দুটি দেশে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে তাহলেই রাশিয়ার জন্য সমস্যা হবে।

বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদক পল অ্যাডামস জানিয়েছেন, এমনটা হবে না। কারণ সুইডেন-ফিনল্যান্ড ইতিমধ্যেই ন্যাটোর খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে আছে। এখনই তাদের যে সামরিক শক্তি আছে সেটি ন্যাটো দেশগুলোর সমকক্ষ। ফলে হয়ত ন্যাটোর এখানে সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন নেই।

এদিকে ইতিমধ্যেই সুইডেন জানিয়েছে, তারা ন্যাটোতে যোগ দিলেও তাদের দেশে ন্যাটোর কোনো স্থায়ী ঘাঁটি গড়া এবং পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সায় দেবে না।

সূত্র: বিবিসি

পুতিন কি বুঝতে পেরেছেন তিনি পারবেন না?

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ মে ২০২২, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার ফিনল্যান্ড-ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। 

পুতিন বলেছেন, এ দুটি দেশের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার রাশিয়ার জন্য কোনো হুমকি না। কিন্তু ন্যাটো যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেনে পারমাণবিক অস্ত্র ও স্থায়ী ঘাঁটি বানায় তাহলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া আসবে।

গণমাধ্যম বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদক পল অ্যাডামস একটি কলামে লিখেছেন, পুতিন বুঝতে পেরেছেন, খুব সম্ভবত দেরিতে যে তিনি এ দুটি দেশকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবেন না। 

কিন্তু পুতিন হুশিয়ারি দিচ্ছেন, ন্যাটো যদি মিসাইল ব্যবস্থা স্থাপন করে, স্থায়ী ঘাঁটি বানায়, এ দুটি দেশে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে তাহলেই রাশিয়ার জন্য সমস্যা হবে।

বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদক পল অ্যাডামস জানিয়েছেন, এমনটা হবে না। কারণ সুইডেন-ফিনল্যান্ড ইতিমধ্যেই ন্যাটোর খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে আছে। এখনই তাদের যে সামরিক শক্তি আছে সেটি ন্যাটো দেশগুলোর সমকক্ষ। ফলে হয়ত ন্যাটোর এখানে সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। 

এদিকে ইতিমধ্যেই সুইডেন জানিয়েছে, তারা ন্যাটোতে যোগ দিলেও তাদের দেশে ন্যাটোর কোনো স্থায়ী ঘাঁটি গড়া এবং পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সায় দেবে না। 

সূত্র: বিবিসি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা