তাজমহলের সেই ২২ ‘গোপন কুঠুরির’ ছবি প্রকাশ
jugantor
তাজমহলের সেই ২২ ‘গোপন কুঠুরির’ ছবি প্রকাশ

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ মে ২০২২, ১১:০২:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

তাজমহলের নিচে তালাবদ্ধ সেই ২২টি ঘর খোলার দাবিতে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল।

তবে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ (আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই) জানিয়েছে, ঘরগুলোতে কোনো ‘গোপনীয়তা’ নেই। সোমবার সেই ‘গোপন’ কুঠুরিগুলোর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এএসআই কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন, ওই কুঠুরিগুলোতে কোনো গোপনীয়তা নেই। এগুলো মূল কাঠামোর অংশ মাত্র। শুধু তাজমহল নয়, এমন কুঠুরি অনেক যুগের স্থাপত্যেই রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই পুরাতত্ত্ববিষয়ক সংস্থার পক্ষ থেকে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিল্লিতে মোগল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধির কথা। তাজমহল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই-এর ‘আগরা সেল’ জানিয়েছে, ২০২১-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২২-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যমুনা নদী লাগোয়া ওই ভূগর্ভস্থ ঘরগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়েছিল। সেই সময় ছবিগুলো তোলা হয়। প্রকাশিত চারটি ছবি গত ডিসেম্বরে তোলা হয়েছিল।

তাজমহল এলে ‘তেজো মহালয়’ নামে একটি শিব মন্দির বলে দাবি করে আসছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।

বিজেপির অযোধ্যা জেলার ‘মিডিয়া ইনচার্জ’ রজনীশ সিংহ এএসআইয়ের বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তাজমহলের ‘আসল ইতিহাস’ অনুসন্ধানের দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনৌ বেঞ্চে জনস্বার্থে মামলাটি করেছিলেন।

পাশাপাশি তাজমহলের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ ওই ২২টি ঘর খোলারও দাবি জানান তিনি। গত ১২ মে সেই আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

তাজমহলের সেই ২২ ‘গোপন কুঠুরির’ ছবি প্রকাশ

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ মে ২০২২, ১১:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তাজমহলের নিচে তালাবদ্ধ সেই ২২টি ঘর খোলার দাবিতে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল।

তবে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ (আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই) জানিয়েছে, ঘরগুলোতে কোনো ‘গোপনীয়তা’ নেই। সোমবার সেই ‘গোপন’ কুঠুরিগুলোর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এএসআই কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন, ওই কুঠুরিগুলোতে কোনো গোপনীয়তা নেই। এগুলো মূল কাঠামোর অংশ মাত্র। শুধু তাজমহল নয়, এমন কুঠুরি অনেক যুগের স্থাপত্যেই রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই পুরাতত্ত্ববিষয়ক সংস্থার পক্ষ থেকে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিল্লিতে মোগল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধির কথা। তাজমহল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই-এর ‘আগরা সেল’ জানিয়েছে, ২০২১-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২২-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যমুনা নদী লাগোয়া ওই ভূগর্ভস্থ ঘরগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়েছিল। সেই সময় ছবিগুলো তোলা হয়। প্রকাশিত চারটি ছবি গত ডিসেম্বরে তোলা হয়েছিল।

তাজমহল এলে ‘তেজো মহালয়’ নামে একটি শিব মন্দির বলে দাবি করে আসছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।

বিজেপির অযোধ্যা জেলার ‘মিডিয়া ইনচার্জ’ রজনীশ সিংহ এএসআইয়ের বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তাজমহলের ‘আসল ইতিহাস’ অনুসন্ধানের দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনৌ বেঞ্চে জনস্বার্থে মামলাটি করেছিলেন।

পাশাপাশি তাজমহলের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ ওই ২২টি ঘর খোলারও দাবি জানান তিনি। গত ১২ মে সেই আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন