রাশিয়ার পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কৌশল কাজে লাগতে শুরু করেছে?
jugantor
রাশিয়ার পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কৌশল কাজে লাগতে শুরু করেছে?

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ মে ২০২২, ২২:৩০:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের পূর্ব দিকে অবস্থিত দোনবাস প্রদেশে কিছু অঞ্চল দখল করতে সমর্থ হয়েছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে এমন তথ্য।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি দোনবাসে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য রাশিয়ার সমালোচনা করেছেন।

জেলেনস্কির এমন মন্তব্যই হয়ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাশিয়ার শক্তি-সামর্থ্য প্রকাশ হওয়া শুরু হয়েছে।

রাশিয়া যতটুকু অঞ্চল দখল করছে হয়ত এটি খুব বড় না। এটি মাইল থেকে মাইল বা একটি গ্রাম থেকে আরেকটি গ্রামে।

কিন্তু এটি দেখে যা মনে হচ্ছে রাশিয়া তার কাজে লাগানো কৌশলের ‘ফল’ পেতে শুরু করেছে।

তাদের কৌশল হলো এগিয়ে যাওয়ার আগে ওই অঞ্চলে অত্যাধিক বোমা হামলা চালানো। এটি তাদের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কৌশল।

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলেছে, রাশিয়ার সেনারা লায়শাচান্সক এবং সেভারোদোনেৎস্কের দিকে এগুচ্ছে।

ইউক্রেনীয়রা বলেছে, লায়শাচান্সক থেকে বাহমুত পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রুশ সেনারা অবরুদ্ধ করেছে পাঁচ কিলোমিটার দূরে কামান বসিয়ে।

বাখমুতে যেখানে যুদ্ধের আগে ৭৫ হাজার মানুষ বাস করতেন সেখানে গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলা শুরু হয়েছে।

ইউক্রেনেরও নিজস্ব কামান আছে এবং তারা পাল্টা জবাব দিচ্ছে। কিন্তু এটি পরিস্কার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো কতগুলো অত্যাধুনিক ১৫৫মিলিমিটার হোইটজার পূর্বের দোনবাসের যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছাতে পেরেছে।

তাছাড়া মারিউপোলে ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণ করার কারণেও সেখানে থাকা রুশ সেনারা দোনবাসে এসে যোগ দিতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

রাশিয়ার পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কৌশল কাজে লাগতে শুরু করেছে?

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ মে ২০২২, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের পূর্ব দিকে অবস্থিত দোনবাস প্রদেশে কিছু অঞ্চল দখল করতে সমর্থ হয়েছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে এমন তথ্য।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি দোনবাসে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য রাশিয়ার সমালোচনা করেছেন। 

জেলেনস্কির এমন মন্তব্যই হয়ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাশিয়ার শক্তি-সামর্থ্য প্রকাশ হওয়া শুরু হয়েছে।

রাশিয়া যতটুকু অঞ্চল দখল করছে হয়ত এটি খুব বড় না। এটি মাইল থেকে মাইল বা একটি গ্রাম থেকে আরেকটি গ্রামে। 

কিন্তু এটি দেখে যা মনে হচ্ছে রাশিয়া তার কাজে লাগানো কৌশলের ‘ফল’ পেতে শুরু করেছে। 

তাদের কৌশল হলো এগিয়ে যাওয়ার আগে ওই অঞ্চলে অত্যাধিক বোমা হামলা চালানো। এটি তাদের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কৌশল। 

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলেছে, রাশিয়ার সেনারা লায়শাচান্সক এবং সেভারোদোনেৎস্কের দিকে এগুচ্ছে।

ইউক্রেনীয়রা বলেছে, লায়শাচান্সক থেকে বাহমুত পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রুশ সেনারা অবরুদ্ধ করেছে পাঁচ কিলোমিটার দূরে কামান বসিয়ে। 

বাখমুতে যেখানে যুদ্ধের আগে ৭৫ হাজার মানুষ বাস করতেন সেখানে গোলাবর্ষণ এবং  বিমান হামলা শুরু হয়েছে।

ইউক্রেনেরও নিজস্ব কামান আছে এবং তারা পাল্টা জবাব দিচ্ছে। কিন্তু এটি পরিস্কার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো কতগুলো অত্যাধুনিক ১৫৫মিলিমিটার হোইটজার পূর্বের দোনবাসের যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছাতে পেরেছে। 

তাছাড়া মারিউপোলে ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণ করার কারণেও সেখানে থাকা রুশ সেনারা দোনবাসে এসে যোগ দিতে পারে। 

সূত্র: বিবিসি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা