ইউরোপকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠনের তাগিদ
jugantor
ইউরোপকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠনের তাগিদ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ মে ২০২২, ১২:০০:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল।

তিনি বলেছেন, ইইউকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিজের নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

ব্রাসেলসে তিনি রোববার রাতে এক বক্তৃতায় আরওবলেন, নতুন নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রমাণ করছেইইউকে নিজের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

বোরেল বলেন, আমাদের একটি অত্যাধুনিক ইউরোপীয় সেনাবাহিনী প্রয়োজন যা হবে অনেক বেশি কার্যকর।

এর আগে এক বক্তৃতায় জোসেপ বোরেল বলেছিলেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনে রাশিয়া হামলা করলে ওই দুই দেশ ন্যাটো জোটের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ইইউ তাদের রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ইইউ কিয়েভকে ২০০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে। এই সহায়তা দিয়ে ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ করার সুযোগ দিয়েছে ইউরোপ।

রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান শুরু হওয়ার পর ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের জনগণ ব্যাপকভাবে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর জের ধরে গত ১৫ মে দেশ দুটি একযোগে মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে।

এ ঘটনা পাশ্চাত্যের সঙ্গে রাশিয়ার মুখোমুখি অব্স্থানকে আরও সংঘাতময় করে তুলেছে। রাশিয়া ন্যাটো জোটে ওই দুই দেশের অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

ইউরোপকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠনের তাগিদ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ মে ২০২২, ১২:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল।

তিনি বলেছেন, ইইউকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিজের নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

ব্রাসেলসে তিনি রোববার রাতে এক বক্তৃতায় আরও বলেন, নতুন নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রমাণ করছে ইইউকে নিজের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

বোরেল বলেন, আমাদের একটি অত্যাধুনিক ইউরোপীয় সেনাবাহিনী প্রয়োজন যা হবে অনেক বেশি কার্যকর।

এর আগে এক বক্তৃতায় জোসেপ বোরেল বলেছিলেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনে রাশিয়া হামলা করলে ওই দুই দেশ ন্যাটো জোটের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ইইউ তাদের রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ইইউ কিয়েভকে ২০০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে। এই সহায়তা দিয়ে ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ করার সুযোগ দিয়েছে ইউরোপ।

রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান শুরু হওয়ার পর ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের জনগণ ব্যাপকভাবে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর জের ধরে গত ১৫ মে দেশ দুটি একযোগে মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে।

এ ঘটনা পাশ্চাত্যের সঙ্গে রাশিয়ার মুখোমুখি অব্স্থানকে আরও সংঘাতময় করে তুলেছে। রাশিয়া ন্যাটো জোটে ওই দুই দেশের অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা