এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনল চীন
jugantor
এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনল চীন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ মে ২০২২, ১৭:১২:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

চীন

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের ‘বদনাম’ করার অভিযোগ এনেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং ও চীনের কড়া সমালোচনার করার পর এই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনল বেইজিং। খবর এএফপির।

এর আগে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, যখন রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল, প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন ঘোষণা দেন যে তাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব ‘সীমাহীন’।

তিন অবশ্য জোর দিয়ে জানিয়েছিলেন, চীনের বিরুদ্ধে নতুন কোনো স্নায়ু যুদ্ধে জড়াতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকেও সমর্থন করে না।

তবে তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনের সার্বভৌমতা মুছে ফেলতে এবং ইউরোপে আধিপত্য বিস্তার করতে বেইজিং (চীন) পুতিনের যুদ্ধকে যেভাবে সমর্থন করেছে তাতে ‘সতর্কতা সংকেত বাজানো’ উচিত, যারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিজেদের ঠিকানা বলে।

তিনি আরও বলেন, এটি একটি অন্যরকম মূহুর্ত।

এদিকে, শুক্রবার বেইজিং ব্লিঙ্কেনের ওই বক্তব্যের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, ওই বক্তব্য ‘মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, চীনের হুমকিকে অতিরঞ্জিত, চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং চীনের অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি নীতিকে কলঙ্কিত করেছে’।

এ ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন সাংবাদিকদের বলেন, চীন ওই বক্তব্যের ‘দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা’ করেছে এবং এই বক্তব্যে এটাই মনে হয় যে ওয়াশিংটন ‘চীনের উন্নয়নকে ধারণ ও দমন করতে এবং মার্কিন আধিপত্য ও ক্ষমতা বজায় রাখতে’ চায়।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনল চীন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ মে ২০২২, ০৫:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চীন
প্রতীকী ছবি

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের ‘বদনাম’ করার অভিযোগ এনেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং ও চীনের কড়া সমালোচনার করার পর এই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনল বেইজিং। খবর এএফপির। 

এর আগে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন,  যখন রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল, প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন ঘোষণা দেন যে তাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব ‘সীমাহীন’।

তিন অবশ্য জোর দিয়ে জানিয়েছিলেন, চীনের বিরুদ্ধে নতুন কোনো স্নায়ু যুদ্ধে জড়াতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকেও সমর্থন করে না। 

তবে তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনের সার্বভৌমতা মুছে ফেলতে এবং ইউরোপে আধিপত্য বিস্তার করতে বেইজিং (চীন) পুতিনের যুদ্ধকে যেভাবে সমর্থন করেছে তাতে ‘সতর্কতা সংকেত বাজানো’ উচিত, যারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিজেদের ঠিকানা বলে।

তিনি আরও বলেন, এটি একটি অন্যরকম মূহুর্ত।

এদিকে, শুক্রবার বেইজিং ব্লিঙ্কেনের ওই বক্তব্যের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায়  জানিয়েছে, ওই বক্তব্য ‘মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, চীনের হুমকিকে অতিরঞ্জিত, চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং চীনের অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি নীতিকে কলঙ্কিত করেছে’। 

এ ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন সাংবাদিকদের বলেন,  চীন ওই বক্তব্যের ‘দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা’ করেছে এবং এই বক্তব্যে এটাই মনে হয় যে ওয়াশিংটন ‘চীনের উন্নয়নকে ধারণ ও দমন করতে এবং মার্কিন আধিপত্য ও ক্ষমতা বজায় রাখতে’ চায়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা