গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনের দখল নিয়ে নিল রাশিয়া
jugantor
গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনের দখল নিয়ে নিল রাশিয়া

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ মে ২০২২, ১৭:৪৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে শুক্রবার দাবি করেছে, তাদের সেনারা রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে নিয়ে যৌথ অভিযানে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লেম্যান দখল করেছে।

শরহটিতে রয়েছে একটি রেলওয়ে জংশন। এ জংশনটি যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তাছাড়া লেম্যান শহরটি মহাগুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার পাশে অবস্থিত।এই রাস্তাটি দিয়েই ইউক্রেনের অধীনে থাকা অনেকগুলো শহরে যাতায়াত করতে হয়।

লেম্যান শহর দখল করার ব্যাপারে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা টেলিগ্রামে বলেন, রাশিয়ার সেনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সেনারা একসঙ্গে লেম্যানের ২২০টি স্থাপনা স্বাধীন ও দখল করেছে।

দোনেস্কে অবস্থিত লেম্যান শহরটি ইউক্রেনের অধীনে থাকা দোনেৎস্কের রাজধানী স্লোভিয়ানেস্ক এবং ক্রামাতোর্সকের দিকে যাওয়া রাস্তার পাশে অবস্থিত।

এদিকে রাশিয়া এখন দোনবাস প্রদেশে তাদের সব মনোযোগ দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য দোনবাসের আরও অঞ্চল দখল করা এবং এর পরিধি বাড়ানো। তাছাড়া দক্ষিণের বন্দরগুলোও তাদের নজরে রয়েছে।

দক্ষিণ দিকের বন্দর নগরী খেরসনে রাশিয়ার বসানো প্রশাসন জানিয়েছে, খেরসন ও জাপোরিঝজিয়ার কিছু অঞ্চল রাশিয়া ফেডারেশনের সঙ্গে যোগ দেবে।

সূত্র: আল জাজিরা, এনডিটিভি

গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনের দখল নিয়ে নিল রাশিয়া

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ মে ২০২২, ০৫:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে শুক্রবার দাবি করেছে, তাদের সেনারা রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে নিয়ে যৌথ অভিযানে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লেম্যান দখল করেছে।

শরহটিতে রয়েছে একটি রেলওয়ে জংশন। এ জংশনটি যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

তাছাড়া লেম্যান শহরটি মহাগুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার পাশে অবস্থিত।এই রাস্তাটি দিয়েই ইউক্রেনের অধীনে থাকা অনেকগুলো শহরে যাতায়াত করতে হয়। 

লেম্যান শহর দখল করার ব্যাপারে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা টেলিগ্রামে বলেন, রাশিয়ার সেনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সেনারা একসঙ্গে লেম্যানের ২২০টি স্থাপনা স্বাধীন ও দখল করেছে।

দোনেস্কে অবস্থিত লেম্যান শহরটি ইউক্রেনের অধীনে থাকা দোনেৎস্কের রাজধানী স্লোভিয়ানেস্ক এবং ক্রামাতোর্সকের দিকে যাওয়া রাস্তার পাশে অবস্থিত। 

এদিকে রাশিয়া এখন দোনবাস প্রদেশে তাদের সব মনোযোগ দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য দোনবাসের আরও অঞ্চল দখল করা এবং এর পরিধি বাড়ানো। তাছাড়া দক্ষিণের বন্দরগুলোও তাদের নজরে রয়েছে। 

দক্ষিণ দিকের বন্দর নগরী খেরসনে রাশিয়ার বসানো প্রশাসন জানিয়েছে, খেরসন ও জাপোরিঝজিয়ার কিছু অঞ্চল রাশিয়া ফেডারেশনের সঙ্গে যোগ দেবে।

সূত্র: আল জাজিরা, এনডিটিভি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা