অনাস্থা ভোটের মুখে বরিস জনসন, আজ হবে ভোট
jugantor
অনাস্থা ভোটের মুখে বরিস জনসন, আজ হবে ভোট

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ জুন ২০২২, ১৭:৪৫:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে অনাস্থা ভোট হবে। খবর বিবিসির।

কনসারভেটিভ পার্টির আইনপ্রণেতারাই অনাস্থা ভোটের আবেদন করার পর এখন নিজের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন বরিস জনসন।

বরিসকে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হওয়ার মানে হলো তার নিজ দলের আইনপ্রনেতাদের আস্থাই তিনি হারিয়েছেন।

২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের তীব্র সংক্রমণ চলার সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি দপ্তর ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিটে পার্টি করেন বরিস জনসন। এ বছরের শুরুতে সেগুলো ফাঁস হয়ে যায়।

ওই সময় যুক্তরাজ্যের সকল নাগরিককে কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।

সাধারণ মানুষদের ঘরে বন্দি রেখে পার্টি করায় বরিস জনসনের ওপর ক্ষিপ্ত হন সকলে। তার পদত্যাগের দাবিতে আওয়াজ তোলেন অনেকে।

এদিকে বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট হলেও তার সমর্থকরা জানিয়েছেন, এ ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাবেন না তিনি।

তবে অনাস্থা ভোট হওয়ার কারণে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়বেন বরিস।

২০১৮ সালে ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে অনাস্থা ভোটের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সেই অনাস্থা ভোটে রক্ষা পান। কিন্তু পরের বছরই প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হন।

বরিস জনসনকে যদি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৮০টি ভোট পড়তে হবে।

সূত্র: বিবিসি, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

অনাস্থা ভোটের মুখে বরিস জনসন, আজ হবে ভোট

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ জুন ২০২২, ০৫:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে অনাস্থা ভোট হবে। খবর বিবিসির।

কনসারভেটিভ পার্টির আইনপ্রণেতারাই অনাস্থা ভোটের আবেদন করার পর এখন নিজের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন বরিস জনসন। 

বরিসকে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হওয়ার মানে হলো তার নিজ দলের আইনপ্রনেতাদের আস্থাই তিনি হারিয়েছেন।

২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের তীব্র সংক্রমণ চলার সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি দপ্তর ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিটে পার্টি করেন বরিস জনসন। এ বছরের শুরুতে সেগুলো ফাঁস হয়ে যায়। 

ওই সময়  যুক্তরাজ্যের সকল নাগরিককে কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। 

সাধারণ মানুষদের ঘরে বন্দি রেখে পার্টি করায় বরিস জনসনের ওপর ক্ষিপ্ত হন সকলে। তার পদত্যাগের দাবিতে আওয়াজ তোলেন অনেকে।

এদিকে বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট হলেও তার সমর্থকরা জানিয়েছেন, এ ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাবেন না তিনি।

তবে অনাস্থা ভোট হওয়ার কারণে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়বেন বরিস। 

২০১৮ সালে ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে অনাস্থা ভোটের মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সেই অনাস্থা ভোটে রক্ষা পান। কিন্তু পরের বছরই প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হন। 

বরিস জনসনকে যদি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৮০টি ভোট পড়তে হবে। 

সূত্র: বিবিসি, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন