স্বাধীনতার দাবিতে স্কটল্যান্ডে আবারও গণভোটের ডাক
jugantor
স্বাধীনতার দাবিতে স্কটল্যান্ডে আবারও গণভোটের ডাক

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৫ জুন ২০২২, ১০:৩৩:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাজ্য থেকে আলাদা হতে আবারও গণভোট আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন।

স্কটল্যান্ড যদি আলাদা হয়ে যায় তা হলে এটি অনেক বেশি সম্পদশালী এবং সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র হতে পারবে বলে দাবি করেছেন তিনি।

এর আগে ২০১৪ সালেও স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট হয়েছিল, তবে সেই গণভোটে স্বাধীনতাপন্থিরা হেরে গিয়েছিল।

কিন্তু স্বাধীনতাপন্থি ক্ষমতাসীন দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির নেতা এবং ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন এবার যুক্তি দিচ্ছেন, যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। খবর বিবিসির।

এসএনপি যুক্তরাজ্য থেকে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য প্রচার চালাচ্ছে বহু দশক ধরে। বর্তমানে এই দলটি স্কটল্যান্ডের ক্ষমতায় এবং গণভোটের পক্ষে প্রস্তাব স্কটিশ পার্লামেন্টে পাশ করানোর জন্য যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার হবে, সেটি তাদের আছে বলে আশা করছে।

তবে এ ক্ষেত্রে সমমনা একটি দল গ্রিন পার্টির সমর্থন তাদের দরকার হবে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার এই গণভোটের তীব্র বিরোধী, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তার কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা বলছেন, নতুন করে গণভোট কেন করতে হবে তার কোনো যুক্তি তারা দেখেন না।

এই গণভোটের প্রস্তাব স্কটিশ পার্লামেন্ট অনুমোদন করলেও এটি যে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিমকোর্টে সরকারের দিক থেকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে, তা প্রায় নিশ্চিত।

ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন স্বাধীনতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলছেন, ইউরোপে স্কটল্যান্ডের মতো একই আকারের যেসব দেশ বেশ সফল হয়েছে, তারা তুলনা করে দেখেছেন, স্কটল্যান্ডেরও সে রকম একটি সফল দেশ হওয়ার অনেক সম্ভাবনা আছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে এখন বড় সংকটে আছে। এর মুদ্রার মান পড়ছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে এই দেশের সম্ভাবনা তিনি দেখেন না।

স্বাধীনতার দাবিতে স্কটল্যান্ডে আবারও গণভোটের ডাক

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৫ জুন ২০২২, ১০:৩৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাজ্য থেকে আলাদা হতে আবারও গণভোট আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন।

স্কটল্যান্ড যদি আলাদা হয়ে যায় তা হলে এটি অনেক বেশি সম্পদশালী এবং সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র হতে পারবে বলে দাবি করেছেন তিনি।  

এর আগে ২০১৪ সালেও স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট হয়েছিল, তবে সেই গণভোটে স্বাধীনতাপন্থিরা হেরে গিয়েছিল। 

কিন্তু স্বাধীনতাপন্থি ক্ষমতাসীন দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির নেতা এবং ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন এবার যুক্তি দিচ্ছেন, যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। খবর বিবিসির। 

এসএনপি যুক্তরাজ্য থেকে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য প্রচার চালাচ্ছে বহু দশক ধরে। বর্তমানে এই দলটি স্কটল্যান্ডের ক্ষমতায় এবং গণভোটের পক্ষে প্রস্তাব স্কটিশ পার্লামেন্টে পাশ করানোর জন্য যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার হবে, সেটি তাদের আছে বলে আশা করছে।

তবে এ ক্ষেত্রে সমমনা একটি দল গ্রিন পার্টির সমর্থন তাদের দরকার হবে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার এই গণভোটের তীব্র বিরোধী, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তার কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা বলছেন, নতুন করে গণভোট কেন করতে হবে তার কোনো যুক্তি তারা দেখেন না।

এই গণভোটের প্রস্তাব স্কটিশ পার্লামেন্ট অনুমোদন করলেও এটি যে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিমকোর্টে সরকারের দিক থেকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে, তা প্রায় নিশ্চিত।

ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন স্বাধীনতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলছেন, ইউরোপে স্কটল্যান্ডের মতো একই আকারের যেসব দেশ বেশ সফল হয়েছে, তারা তুলনা করে দেখেছেন, স্কটল্যান্ডেরও সে রকম একটি সফল দেশ হওয়ার অনেক সম্ভাবনা আছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে এখন বড় সংকটে আছে। এর মুদ্রার মান পড়ছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে এই দেশের সম্ভাবনা তিনি দেখেন না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন