১০০ বছর পর ঋণখেলাপি হলো পুতিনের রাশিয়া
jugantor
১০০ বছর পর ঋণখেলাপি হলো পুতিনের রাশিয়া

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ জুন ২০২২, ১০:৪৯:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

একশ’ বছর পর ঋণখেলাপি হলো পুতিনের রাশিয়া

এক শতকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপি হলো রাশিয়া।

রোববার দেশটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্লুমবার্গের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

ঋণের ১০০ মিলিয়ন অর্থ রাশিয়ার হাতে রয়েছে এবং তারা দিতেও চায়, কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের অর্থ পরিশোধ অসম্ভব করে তুলেছে।

ক্রেমলিন এ খেলাপি পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য বদ্ধপরিকর ছিল। কিন্তু এ পরিস্থিতি দেশটির মর্যাদার ওপর বড় ধরনের আঘাত।

রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী এ পরিস্থিতিকে অবহিত করেছেন ‘একটি প্রহসন’ হিসেবে।

এর আগে ঋণ পরিশোধ না করে রাশিয়া খেলাপি হয়েছিল ১৯১৮ সালে। বলশেভিক বিপ্লবের সময় নতুন কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেলিন রাশিয়ার ঋণ পরিশোধ করতে অস্বীকার করেছিলেন।

যে কোনো ধরনের ঋণ পরিশোধে রাশিয়া সর্বশেষ খেলাপি হয় ১৯৯৮ সালে। বরিস ইয়েলৎসিনের বিশৃঙ্খল পতনের সময় রুবলের সংকট দেখা দিলে অভ্যন্তরীণ বন্ডগুলোতে অর্থ দিতে ব্যর্থ হয়েছিল মস্কো। তবে বিদেশি ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয়নি।

১০০ বছর পর ঋণখেলাপি হলো পুতিনের রাশিয়া

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ জুন ২০২২, ১০:৪৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
একশ’ বছর পর ঋণখেলাপি হলো পুতিনের রাশিয়া
ছবি: সংগৃহীত

এক শতকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপি হলো রাশিয়া। 

রোববার দেশটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্লুমবার্গের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

ঋণের ১০০ মিলিয়ন অর্থ রাশিয়ার হাতে রয়েছে এবং তারা দিতেও চায়, কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের অর্থ পরিশোধ অসম্ভব করে তুলেছে।

ক্রেমলিন এ খেলাপি পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য বদ্ধপরিকর ছিল। কিন্তু এ পরিস্থিতি দেশটির মর্যাদার ওপর বড় ধরনের আঘাত।

রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী এ পরিস্থিতিকে অবহিত করেছেন ‘একটি প্রহসন’ হিসেবে।

এর আগে ঋণ পরিশোধ না করে রাশিয়া খেলাপি হয়েছিল ১৯১৮ সালে। বলশেভিক বিপ্লবের সময় নতুন কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেলিন রাশিয়ার ঋণ পরিশোধ করতে অস্বীকার করেছিলেন।

যে কোনো ধরনের ঋণ পরিশোধে রাশিয়া সর্বশেষ খেলাপি হয় ১৯৯৮ সালে। বরিস ইয়েলৎসিনের বিশৃঙ্খল পতনের সময় রুবলের সংকট দেখা দিলে অভ্যন্তরীণ বন্ডগুলোতে অর্থ দিতে ব্যর্থ হয়েছিল মস্কো। তবে বিদেশি ঋণ পরিশোধে খেলাপি হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা