‘গেম চেঞ্জার’ সেই দ্বীপ থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা রাশিয়ার
jugantor
‘গেম চেঞ্জার’ সেই দ্বীপ থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা রাশিয়ার

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ জুন ২০২২, ১৬:৪৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের উপকূলীয় স্নেক আইল্যান্ড থেকে ‘শুভেচ্ছার স্বরূপ’ সব সেনা প্রত্যাহার করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়া যে ইউক্রেনের বাইরে কৃষি পণ্য রপ্তানি করার জন্য একটি মানবিক করিডোর তৈরিতে জাতিসংঘের প্রচেষ্টাকে বাধা দিচ্ছে না, এই পদক্ষেপ সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছে।

ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে দেশটির শস্য রপ্তানি ঠেকাতে ইউক্রেনের বন্দর অবরোধ করার অভিযোগ করে আসছে। তাদের দাবি রাশিয়ার এই কর্মকাণ্ডই বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটে অবদান রাখছে।

ইউক্রেনে আক্রমণের প্রথম দিনেই রাশিয়া স্নেক আইল্যান্ড দখল করেছিল। ওই দ্বীপে অবস্থানরত ইউক্রেনীয় সীমান্তরক্ষীরা রাশিয়ার আত্মসমর্পণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসাও কুড়িয়েছিল।

তবে কিন্তু আগ্রাসনের প্রথম দিনে দ্বীপটি দখলে নিলেও এর ওপর রাশিয়া পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারেনি। সেখানে থাকা রুশ সেনাদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছিল ইউক্রেনীয় বাহিনী।

‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রেটেজিক স্টাডিস থিংক ট্যাংকের’ নৌ বিশেষজ্ঞ জোনাথান বেনথাম গণমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, যদি রাশিয়া ৬৬৩ মাইল প্রস্থের এ দ্বীপটির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে তাহলে তা হবে রুশ বাহিনীর জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ বিষয়।

তিনি আরও বলেছিলেন, ধরা যাক যদি রাশিয়া এই দ্বীপে এস-৪০০ মিসাইল ব্যবস্থা নিয়ে যেতে পারে তাহলে রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরের উত্তর-পশ্চিম দিকে দূর পাল্লার মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করতে পারবে।

নৌ বিশেষজ্ঞ জোনাথান বেনথাম বলেছিলেন, এটি রাশিয়াকে হামলা ও রক্ষণাত্বক শক্তি দেবে। এর মাধ্যমে রাশিয়া বিমান হামলার বিষয় আগেই ধরে ফেলতে পারবে এবং ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর বিশেষ করে ওডেসার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে।

কিন্তু জোনাথান বেনথাম সঙ্গে জানিয়েছিলেন, দ্বীপটি অনেক ছোট হওয়ার কারণে সেখানে পুনরায় রসদ নেওয়ার বিষয়টি অনেক জটিল ব্যাপার।

তিনি আরও বলেছিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেন বা রাশিয়া যে কেউ সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিয়ে যেতে পারবে ততক্ষণ এর নিয়ন্ত্রণ অদল বদল হতে থাকবে।

তবে এসব পাশ কাটিয়ে স্নেক আইল্যান্ড থেকে নিজেদের সেনা সরিয়েই নিল রাশিয়া।

‘গেম চেঞ্জার’ সেই দ্বীপ থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা রাশিয়ার

 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ জুন ২০২২, ০৪:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের উপকূলীয় স্নেক আইল্যান্ড থেকে ‘শুভেচ্ছার স্বরূপ’ সব সেনা প্রত্যাহার করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়া যে ইউক্রেনের বাইরে কৃষি পণ্য রপ্তানি করার জন্য একটি মানবিক করিডোর তৈরিতে জাতিসংঘের প্রচেষ্টাকে বাধা দিচ্ছে না, এই পদক্ষেপ সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছে। 

ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে দেশটির শস্য রপ্তানি ঠেকাতে ইউক্রেনের বন্দর অবরোধ করার অভিযোগ করে আসছে। তাদের দাবি রাশিয়ার এই কর্মকাণ্ডই বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটে অবদান রাখছে।

ইউক্রেনে আক্রমণের প্রথম দিনেই রাশিয়া স্নেক আইল্যান্ড দখল করেছিল। ওই দ্বীপে অবস্থানরত ইউক্রেনীয় সীমান্তরক্ষীরা রাশিয়ার আত্মসমর্পণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসাও কুড়িয়েছিল। 

তবে কিন্তু আগ্রাসনের প্রথম দিনে দ্বীপটি দখলে নিলেও এর ওপর রাশিয়া পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারেনি। সেখানে থাকা রুশ সেনাদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছিল ইউক্রেনীয় বাহিনী। 

‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রেটেজিক স্টাডিস থিংক ট্যাংকের’ নৌ বিশেষজ্ঞ জোনাথান বেনথাম গণমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, যদি রাশিয়া ৬৬৩ মাইল প্রস্থের এ দ্বীপটির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে তাহলে তা হবে রুশ বাহিনীর জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ বিষয়।

তিনি আরও বলেছিলেন, ধরা যাক যদি রাশিয়া এই দ্বীপে এস-৪০০ মিসাইল ব্যবস্থা নিয়ে যেতে পারে তাহলে রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরের উত্তর-পশ্চিম দিকে দূর পাল্লার মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করতে পারবে।

নৌ বিশেষজ্ঞ জোনাথান বেনথাম বলেছিলেন, এটি রাশিয়াকে হামলা ও রক্ষণাত্বক শক্তি দেবে। এর মাধ্যমে রাশিয়া বিমান হামলার বিষয় আগেই ধরে ফেলতে পারবে এবং ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর বিশেষ করে ওডেসার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে। 

কিন্তু জোনাথান বেনথাম সঙ্গে জানিয়েছিলেন, দ্বীপটি অনেক ছোট হওয়ার কারণে সেখানে পুনরায় রসদ নেওয়ার বিষয়টি অনেক জটিল ব্যাপার। 

তিনি আরও বলেছিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেন বা রাশিয়া যে কেউ সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিয়ে যেতে পারবে ততক্ষণ এর নিয়ন্ত্রণ অদল বদল হতে থাকবে। 

তবে এসব পাশ কাটিয়ে স্নেক আইল্যান্ড থেকে নিজেদের সেনা সরিয়েই নিল রাশিয়া।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা