স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক, পুলিশ সদস্যের কান কাটলেন যুবক!
jugantor
স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক, পুলিশ সদস্যের কান কাটলেন যুবক!

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ আগস্ট ২০২২, ০৩:৫২:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক রাখতে বাধ্য করার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের কান-ঠোঁট কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং জেলায় এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় পুলিশ সোমবার জানিয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাদেশিক রাজধানী লাহোর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ঝাং জেলায় রোববার মুহম্মদ ইফতিখার নামে প্রধান অভিযুক্ত তার সহযোগীদের নিয়ে কনস্টেবল কাসিম হায়াতের তার কান এবং ঠোঁট কেটে ফেলেন। অবশ্য তার আগে কাসিমের ওপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন।

এ ব্যাপারে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে ইফতিখার ১২ জন সহযোগী নিয়ে কাসিমকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করে। একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ফেলার আগে তাকে মারাত্মক নির্যাতনও করে।

কাসিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল হলেও শঙ্কা কাটেনি বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত মাসেই ইফতিখার থানায় গিয়ে কাসিমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইল ও পর্নোগ্রাফির মামলা করেছিলেন।

ইফতেখার দাবি করেন, তাদের ছেলেকে হত্যার হুমকি দেখিয়ে কাসিম তার স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করতে বাধ্য করেছিলেন।

ইফতেখারের অভিযোগ, যখন তার স্ত্রী হায়াতের সঙ্গে দেখা করেন, তখন তিনি তাকে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করেন এবং তিনি দুজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিওও ধারণ করেন। পরে কাসিম তার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করেন বলেও দাবি করেন ইফতেখার।

স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক, পুলিশ সদস্যের কান কাটলেন যুবক!

 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ আগস্ট ২০২২, ০৩:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ‘অনৈতিক’ সম্পর্ক রাখতে বাধ্য করার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের কান-ঠোঁট কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং জেলায় এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় পুলিশ সোমবার জানিয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাদেশিক রাজধানী লাহোর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ঝাং জেলায় রোববার মুহম্মদ ইফতিখার নামে প্রধান অভিযুক্ত তার সহযোগীদের নিয়ে কনস্টেবল কাসিম হায়াতের তার কান এবং ঠোঁট কেটে ফেলেন। অবশ্য তার আগে কাসিমের ওপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন।

এ ব্যাপারে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে ইফতিখার ১২ জন সহযোগী নিয়ে কাসিমকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করে। একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ফেলার আগে তাকে মারাত্মক নির্যাতনও করে।

কাসিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল হলেও শঙ্কা কাটেনি বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 
গত মাসেই ইফতিখার থানায় গিয়ে কাসিমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইল ও পর্নোগ্রাফির মামলা করেছিলেন। 

ইফতেখার দাবি করেন, তাদের ছেলেকে হত্যার হুমকি দেখিয়ে কাসিম তার স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করতে বাধ্য করেছিলেন। 

ইফতেখারের অভিযোগ, যখন তার স্ত্রী হায়াতের সঙ্গে দেখা করেন, তখন তিনি তাকে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করেন এবং তিনি দুজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিওও ধারণ করেন। পরে কাসিম তার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করেন বলেও দাবি করেন ইফতেখার।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন