তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পাশে পাকিস্তান
jugantor
তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পাশে পাকিস্তান

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ আগস্ট ২০২২, ২২:৫০:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পক্ষ নিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বুধবার 'এক চীন' নীতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতিও দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম দ্য ট্রিবিউন এক্সপ্রেস বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তান তাইওয়ানের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব ইতোমধ্যেই কঠিন সময় পার করছে। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অস্থিতিশীল প্রভাব ফেলেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ব আরেকটি সংকট সহ্য করতে পারবে না যা বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আসবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতিসংঘের সনদের নীতিগুলো সমুন্নত রেখে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর নির্ভর করে।

চীনের সতর্কবার্তা ও হুমকি আমলে না নিয়ে তাইওয়ান সফর করেছেন মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

এমন প্রেক্ষাপটে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে তাইওয়ান দ্বীপের কাছে কয়েকটি সামরিক অভিযান চালাবে তারা। এ ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে সীমান্তের কাছে বাড়ছে সাঁজোয়া গাড়ি এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম।

টুইটারে ‘ইয়িন সুরা’ নামের একটি হ্যান্ডল থেকে ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চীনের ফুজিয়ানের ব্যস্ত রাস্তায় সারি সারি ট্যাংক পেরিয়ে যাচ্ছে।
অন্য একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, পেলোসি তাইওয়ান পৌঁছানোর দিন সন্ধ্যাতেই তাইওয়ান সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনী নিয়ে জমায়েত করতে শুরু করেছে চীন।

এদিকে, তাইওয়ানের সেনাবাহিনীও নিজেদের সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ স্বশাসিত দ্বীপটির চারপাশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের মন্ত্রিসভা।

বুধবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফরের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানে একের পর এক চীনের সামরিক মহড়ার ঘোষণা আসার পর এ পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।

চীনের হুমকির মধ্যেই এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ানে পৌঁছান।

চীনা হুমকির প্রতিক্রিয়ার পর তাইওয়ানের পূর্ব সীমান্তে চারটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে হোয়াইট হাউস। পেলোসির নিরাপত্তার অজুহাতে দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপরাষ্ট্রে আমেরিকার যুদ্ধবিমানের বহরও ঢুকে পড়েছে।

পেলোসির তাইওয়ান সফর কূটনৈতিক এবং সামরিক দিয়ে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। ১৯৯৭ সালের পর থেকে এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শীর্যস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা তাইওয়ান সফরে গেলেন।

তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পাশে পাকিস্তান

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ আগস্ট ২০২২, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পক্ষ নিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বুধবার 'এক চীন' নীতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতিও দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম দ্য ট্রিবিউন এক্সপ্রেস বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তান তাইওয়ানের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব ইতোমধ্যেই কঠিন সময় পার করছে। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অস্থিতিশীল প্রভাব ফেলেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ব আরেকটি সংকট সহ্য করতে পারবে না যা বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আসবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতিসংঘের সনদের নীতিগুলো সমুন্নত রেখে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর নির্ভর করে। 

চীনের সতর্কবার্তা ও হুমকি আমলে না নিয়ে তাইওয়ান সফর করেছেন মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

 এমন প্রেক্ষাপটে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে তাইওয়ান দ্বীপের কাছে কয়েকটি সামরিক অভিযান চালাবে তারা। এ ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে সীমান্তের কাছে বাড়ছে সাঁজোয়া গাড়ি এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। 

টুইটারে ‘ইয়িন সুরা’ নামের একটি হ্যান্ডল থেকে ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চীনের ফুজিয়ানের ব্যস্ত রাস্তায় সারি সারি ট্যাংক পেরিয়ে যাচ্ছে। 
অন্য একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, পেলোসি তাইওয়ান পৌঁছানোর দিন সন্ধ্যাতেই তাইওয়ান সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনী নিয়ে জমায়েত করতে শুরু করেছে চীন।

এদিকে, তাইওয়ানের সেনাবাহিনীও নিজেদের সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ স্বশাসিত দ্বীপটির চারপাশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের মন্ত্রিসভা।

বুধবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফরের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানে একের পর এক চীনের সামরিক মহড়ার ঘোষণা আসার পর এ পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।

চীনের হুমকির মধ্যেই এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ানে পৌঁছান। 

চীনা হুমকির প্রতিক্রিয়ার পর তাইওয়ানের পূর্ব সীমান্তে চারটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে হোয়াইট হাউস। পেলোসির নিরাপত্তার অজুহাতে দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপরাষ্ট্রে আমেরিকার যুদ্ধবিমানের বহরও ঢুকে পড়েছে।

পেলোসির তাইওয়ান সফর কূটনৈতিক এবং সামরিক দিয়ে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। ১৯৯৭ সালের পর থেকে এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শীর্যস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা তাইওয়ান সফরে গেলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন