ইতালি দূতাবাসে ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখা হবে: রাষ্ট্রদূত
jugantor
ইতালি দূতাবাসে ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখা হবে: রাষ্ট্রদূত

  জমির হোসেন, ইতালি থেকে  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০০:৪৮:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

পাসপোর্টের বয়স সংশোধন, ফিঙ্গার প্রিন্টসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশি রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাংচুর করেছেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে দূতাবাসে এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা সেখানে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাইরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এসময় রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। পরে বিক্ষুদ্ধ কয়েকজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। ওই দিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সাথে পাসপোর্ট সংক্রান্ত বৈঠক শেষে পুলিশ দুজনকে আটক করে পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে প্রায় ৭ হাজার পাসপোর্ট আটকে আছে দূতাবাসে। এই কারণে বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট জটিলতায় চরম বিপদে আছেন। এর কোনো সমাধান না পেয়ে দূতাবাসে এসে বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটান।

এ ব্যাপারে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান বলেন, দূতাবাসে পাসপোর্টের বয়স সংশোধনসহ অন্যান্য সুন্দর চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এরপরও দূতাবাসের এরকম একটি সুশৃঙ্খল কাজে বিশৃঙ্খলা করার কোনো কারণ দেখছি না। তিনি আরও বলেন, এই বিশৃঙ্খলায় কারো কোনো ইন্ধন রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যদি এরকম কিছু পাওয়া যায় তবে এদেশের নিয়ম মেনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ যেমন সবার, দূতাবাসও তেমন সবার। তাই এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে রাষ্ট্রদূত বিরত থাকতে আহবান করেন।

ইতালি দূতাবাসে ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখা হবে: রাষ্ট্রদূত

 জমির হোসেন, ইতালি থেকে 
১৮ আগস্ট ২০২২, ১২:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাসপোর্টের বয়স সংশোধন, ফিঙ্গার প্রিন্টসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশি রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাংচুর করেছেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে দূতাবাসে এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা সেখানে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাইরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এসময় রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। পরে বিক্ষুদ্ধ কয়েকজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। ওই দিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সাথে পাসপোর্ট সংক্রান্ত বৈঠক শেষে পুলিশ দুজনকে আটক করে পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে প্রায় ৭ হাজার পাসপোর্ট আটকে আছে দূতাবাসে। এই কারণে বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট জটিলতায় চরম বিপদে আছেন। এর কোনো সমাধান না পেয়ে দূতাবাসে এসে বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটান।

এ ব্যাপারে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান বলেন, দূতাবাসে পাসপোর্টের বয়স সংশোধনসহ অন্যান্য সুন্দর চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এরপরও দূতাবাসের এরকম একটি সুশৃঙ্খল কাজে বিশৃঙ্খলা করার কোনো কারণ দেখছি না। তিনি আরও বলেন, এই বিশৃঙ্খলায় কারো কোনো ইন্ধন রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যদি এরকম কিছু পাওয়া যায় তবে এদেশের নিয়ম মেনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ যেমন সবার, দূতাবাসও তেমন সবার। তাই এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে রাষ্ট্রদূত বিরত থাকতে আহবান করেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন