এক মাসেও খোঁজ মেলেনি রেমিট্যান্স যোদ্ধা ওয়াহিদের
jugantor
এক মাসেও খোঁজ মেলেনি রেমিট্যান্স যোদ্ধা ওয়াহিদের

  জাকির হোসাইন চৌধুরী, গ্রিস থেকে  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০১:৫৪:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে মিনি বাংলাদেশ নামে পরিচিত মানোলাদার লাপ্পা গ্রামের কর্মস্থল থেকে গত ৭ জুলাই নিখোঁজ হন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. ওয়াহিদ।

এরপর থেকে এখনও তার খোঁজ মিলেনি। কর্মঠ-বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে গ্রিসে আছেন।

দেশে থাকা তার পরিবার ও গ্রিসে থাকা স্বজনরা ধারণা করছেন অর্থ আত্মসাতের জন্য তাকে গুম করে হত্যা করেছে দুষ্কৃতকারী চক্র।

এ ঘটনায় স্থানীয় আখাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত আসামিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে গ্রিক পুলিশ। এ ছাড়া এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতা ও নিখোঁজের মামা রমিজ মিয়াসহ অনেকে।

নিখোঁজ ওয়াহিদ হবিগঞ্জ জেলার অনন্তপুর গ্রামের সিদ্দিক আলী ও জোবেদা খাতুনের ছেলে।

ওয়াহিদ গ্রিসের কৃষি কাজের জন্য প্রসিদ্ধ গ্রাম মানোলাদার পাশে লাপ্পা নামক গ্রামে বসবাস করে আসছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রিসের লাপ্পায় একটি বাংলাদেশি মুদি দোকানে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মাঝে সৎ ব্যক্তি হিসেবে খুব অল্প সময়ে পরিচিতি লাভ করেন ওয়াহিদ। তাই তার মাধ্যমে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধা উপার্জিত অর্থ জমা রাখতেন এবং বিকাশ- মানিগ্রামের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাতেন বলে জানা গেছে।

এক মাসেও খোঁজ মেলেনি রেমিট্যান্স যোদ্ধা ওয়াহিদের

 জাকির হোসাইন চৌধুরী, গ্রিস থেকে 
১৮ আগস্ট ২০২২, ০১:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে মিনি বাংলাদেশ নামে পরিচিত মানোলাদার লাপ্পা গ্রামের কর্মস্থল থেকে গত ৭ জুলাই নিখোঁজ হন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. ওয়াহিদ।

এরপর থেকে এখনও তার খোঁজ মিলেনি। কর্মঠ-বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে গ্রিসে আছেন।

দেশে থাকা তার পরিবার ও গ্রিসে থাকা স্বজনরা ধারণা করছেন অর্থ আত্মসাতের জন্য তাকে গুম করে হত্যা করেছে দুষ্কৃতকারী চক্র।

এ ঘটনায় স্থানীয় আখাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত আসামিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে গ্রিক পুলিশ। এ ছাড়া এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতা ও নিখোঁজের মামা রমিজ মিয়াসহ অনেকে।

নিখোঁজ ওয়াহিদ হবিগঞ্জ জেলার অনন্তপুর গ্রামের সিদ্দিক আলী ও জোবেদা খাতুনের ছেলে।

ওয়াহিদ গ্রিসের কৃষি কাজের জন্য প্রসিদ্ধ গ্রাম মানোলাদার পাশে লাপ্পা নামক গ্রামে বসবাস করে আসছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রিসের লাপ্পায় একটি বাংলাদেশি মুদি দোকানে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মাঝে সৎ ব্যক্তি হিসেবে খুব অল্প সময়ে পরিচিতি লাভ করেন ওয়াহিদ। তাই তার মাধ্যমে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধা উপার্জিত অর্থ জমা রাখতেন এবং বিকাশ- মানিগ্রামের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাতেন বলে জানা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন