চীনের দমন নীতি, উদ্বেগজনক হারে কমেছে উইঘুরদের জন্মহার
jugantor
চীনের দমন নীতি, উদ্বেগজনক হারে কমেছে উইঘুরদের জন্মহার

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৫২:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

৩১ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন চীনের জিনজিয়ান প্রদেশের মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুরদের নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করে।

সেই রিপোর্টে উইঘুর জনগোষ্ঠীর ওপর ‘শিক্ষার’ নামে বিভিন্ন দমন-পীড়ন চালানোর বিষয় খুঁজে পায় কমিশন।

তাদের এই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৭ সাল থেকে উইঘুরদের মধ্যে জন্মহার উদ্বেগজনকহারে কমে গেছে।

মানবাধিকার কমিশন তার রিপোর্টে বলেছে, ২০১৯ সালে চীনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ীই দেখা গেছে দুই বছরে জিনজিয়ানে জন্মহার কমে গেছে ৪৮.৭ ভাগ। ২০১৭ সালে জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে ১৫.৮৮। কিন্তু ২০১৯ সালে সেটি দাঁড়িয়েছিল প্রতি হাজারে ৮.১৪ ভাগ। ওই সময় পুরো চীনে প্রতি হাজারে জন্মহার ছিল ১০.৪৮ ভাগ।

উইঘুরদের মধ্যে এমন জন্মহার কমে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মতে চীন সরকারের দমন-পীড়ন এতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। উইঘুর মুসলিমদের একাধিক সন্তান থাকার বিষয়টি ‘চরমপন্থার’ সঙ্গে মিলিয়েছে চীন। এতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছিল। তাছাড়া গর্ভপাত এবং উইঘুর নারীদের জোর করে সন্তান জন্মদানে অক্ষম করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সূত্র: জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট

চীনের দমন নীতি, উদ্বেগজনক হারে কমেছে উইঘুরদের জন্মহার

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

৩১ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন চীনের জিনজিয়ান প্রদেশের মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুরদের নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করে। 

সেই রিপোর্টে উইঘুর জনগোষ্ঠীর ওপর ‘শিক্ষার’ নামে বিভিন্ন দমন-পীড়ন চালানোর বিষয় খুঁজে পায় কমিশন। 

তাদের এই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৭ সাল থেকে উইঘুরদের মধ্যে জন্মহার উদ্বেগজনকহারে কমে গেছে। 

মানবাধিকার কমিশন তার রিপোর্টে বলেছে, ২০১৯ সালে চীনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ীই দেখা গেছে দুই বছরে জিনজিয়ানে জন্মহার কমে গেছে ৪৮.৭ ভাগ। ২০১৭ সালে জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে ১৫.৮৮। কিন্তু ২০১৯ সালে সেটি দাঁড়িয়েছিল প্রতি হাজারে ৮.১৪ ভাগ। ওই সময় পুরো চীনে প্রতি হাজারে জন্মহার ছিল ১০.৪৮ ভাগ।

উইঘুরদের মধ্যে এমন জন্মহার কমে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মতে চীন সরকারের দমন-পীড়ন এতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। উইঘুর মুসলিমদের একাধিক সন্তান থাকার বিষয়টি ‘চরমপন্থার’ সঙ্গে মিলিয়েছে চীন। এতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছিল। তাছাড়া গর্ভপাত এবং উইঘুর নারীদের জোর করে সন্তান জন্মদানে অক্ষম করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। 

সূত্র: জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন