থানা বাঁচাতে ‘সাপের’ শরণাপন্ন পুলিশ!
jugantor
থানা বাঁচাতে ‘সাপের’ শরণাপন্ন পুলিশ!

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৪৫:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশকে বলা হয় সমাজের সবার রক্ষক। কিন্তু সেই পুলিশের কার্যালয় মানে খোদ থানাকে রক্ষার জন্য সাপের শরণাপন্ন হয়েছে পুলিশ সদস্যদের। তাও আসল সাপ নয়, রাবারের সাপের!

প্রশ্ন উঠতে পারে কী এমন শত্রু পুলিশের? যাকে হঠাতে রাবারের সাপের সাহায্য নিতে হচ্ছে? পুলিশের শত্রু আর কেউ নয়। বানর। আর সেই বানর তাড়াতেই এই অভিনব উপায় বেছে নিয়েছেন ভারতের কেরালা-তামিলনাড়ু সীমান্তে অবস্থিত কুম্বুমেট্টু থানার পুলিশ সদস্যরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত ওই থানায় প্রায়ই ‘হামলা’ চালায় বানর। যাতে অতিষ্ঠ খোদ পুলিশ সদস্যরাও। আর এই ‘সন্ত্রাসীদের’ তো আর বন্দুক দিয়েও হটানো যায় না! হঠাৎ হামলে পড়া এইসব ‘সন্ত্রাসীদের’ তাড়াতে রীতিমত ‘সঙ্গীন’ হয়ে যায় সেখানকার পুলিশ সদস্যদের অবস্থা।

তাই এক অভিনব উপায় খুঁজে বের করেন তারা। চীনের তৈরি রাবারের সাপ পেঁচিয়ে রাখেন থানার বাউন্ডারির উপর। ব্যস। সেই ‘সাপের’ ভয়েই নাকি থানামুখো হচ্ছে না বেয়াড়া বানরের দল।

এ ব্যাপারে কুম্বুমেট্টুর সাব-ইন্সপেক্টর পি কে লালভাই বলেন, খানার কাছাকাছি কোথাও রাবার সাপ দেখে কোনো বানর আসতে সাহস করেনি। ‘সৈন্যদল’ তাদের আসল বলে ভুল করেছে! আমাদের বলা হয়েছিল থানার যেদিক দিয়ে দল বেঁধে প্রচুর সংখ্যক বানর ঢুকে পড়ে, সেখানে রাবারের সাপ বেঁধে রাখলে আর বানরের হুমকি থাকবে না। সেই পরীক্ষার পর আর কোনো বিপদ হয়নি।

থানা বাঁচাতে ‘সাপের’ শরণাপন্ন পুলিশ!

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশকে বলা হয় সমাজের সবার রক্ষক।  কিন্তু সেই পুলিশের কার্যালয় মানে খোদ থানাকে রক্ষার জন্য সাপের শরণাপন্ন হয়েছে পুলিশ সদস্যদের। তাও আসল সাপ নয়, রাবারের সাপের!

প্রশ্ন উঠতে পারে কী এমন শত্রু  পুলিশের? যাকে হঠাতে রাবারের সাপের সাহায্য নিতে হচ্ছে? পুলিশের শত্রু আর কেউ নয়। বানর। আর সেই বানর তাড়াতেই এই অভিনব উপায় বেছে নিয়েছেন ভারতের কেরালা-তামিলনাড়ু সীমান্তে অবস্থিত কুম্বুমেট্টু থানার পুলিশ সদস্যরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত ওই থানায় প্রায়ই ‘হামলা’ চালায় বানর। যাতে অতিষ্ঠ খোদ পুলিশ সদস্যরাও। আর এই ‘সন্ত্রাসীদের’ তো আর বন্দুক দিয়েও হটানো যায় না! হঠাৎ হামলে পড়া এইসব ‘সন্ত্রাসীদের’ তাড়াতে রীতিমত ‘সঙ্গীন’ হয়ে যায় সেখানকার পুলিশ সদস্যদের অবস্থা। 

তাই এক অভিনব উপায় খুঁজে বের করেন তারা। চীনের তৈরি রাবারের সাপ পেঁচিয়ে রাখেন থানার  বাউন্ডারির উপর। ব্যস। সেই ‘সাপের’ ভয়েই নাকি থানামুখো হচ্ছে না বেয়াড়া বানরের দল। 

এ ব্যাপারে কুম্বুমেট্টুর সাব-ইন্সপেক্টর পি কে লালভাই বলেন, খানার কাছাকাছি কোথাও রাবার সাপ দেখে কোনো বানর আসতে সাহস করেনি।  ‘সৈন্যদল’ তাদের আসল বলে ভুল করেছে! আমাদের বলা হয়েছিল থানার যেদিক দিয়ে দল বেঁধে প্রচুর সংখ্যক বানর ঢুকে পড়ে, সেখানে রাবারের সাপ বেঁধে রাখলে আর বানরের হুমকি থাকবে না। সেই পরীক্ষার পর আর কোনো বিপদ হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন