পাকিস্তানের বন্যাদুর্গতদের পাশে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
jugantor
পাকিস্তানের বন্যাদুর্গতদের পাশে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করছেন মানবাধিকারকর্মী ও বলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

তিনি মঙ্গলবার বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সিন্ধুপ্রদেশের দাদু জেলায় যান এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। খবর দ্য ডনের।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের প্রতি সংহতি জানাতে জোলি পাকিস্তান সফর করছেন বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)।

পাকিস্তানজুড়ে ভারি বর্ষণ ও বন্যায় দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিন কোটি ৩০ লাখ মানুষ। বন্যার পানিতে দেশটির তিন ভাগের এক ভাগ তলিয়ে যায়।

পরিস্থিতি দেখতে এবং বন্যাদুর্গত মানুষের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে পাকিস্তানে যান জোলি। তিনি বন্যাদুর্গতদের কথা শুনছেন এবং তাদের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ভোগ প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি আলোচনা করবেন।

আইআরসির জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম ও আফগান শরণার্থীসহ বাস্তুচ্যুত লোকজনকে সহায়তাকারী স্থানীয় সংগঠনগুলো পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে জোলির।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের শুভেচ্ছাদূত থাকাকালে ২০১০ সালের বন্যায় এবং ২০০৫ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দেখতে পাকিস্তান সফর করেছিলেন জোলি।


পাকিস্তান বৈশ্বিকভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শরণার্থী আশ্রয়দানকারী দেশ। ৪০ বছর ধরে দেশটির জনগণ আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে।

পাকিস্তানের জনগণের জন্য জরুরি সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরবেন জোলি। জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী সংকট, বাস্তুচ্যুতি এবং যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাহীনতা আমরা বৈশ্বিকভাবে প্রত্যক্ষ করছি, তার টেকসই সমাধান নিয়েও কথা বলবেন তিনি।

পাকিস্তানের বন্যাদুর্গতদের পাশে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করছেন মানবাধিকারকর্মী ও বলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

তিনি মঙ্গলবার বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সিন্ধুপ্রদেশের দাদু জেলায় যান এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। খবর দ্য ডনের।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের প্রতি সংহতি জানাতে জোলি পাকিস্তান সফর করছেন বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)।

পাকিস্তানজুড়ে ভারি বর্ষণ ও বন্যায় দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিন কোটি ৩০ লাখ মানুষ। বন্যার পানিতে দেশটির তিন ভাগের এক ভাগ তলিয়ে যায়।

পরিস্থিতি দেখতে এবং বন্যাদুর্গত মানুষের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে পাকিস্তানে যান জোলি। তিনি বন্যাদুর্গতদের কথা শুনছেন এবং তাদের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ভোগ প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি আলোচনা করবেন।

আইআরসির জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম ও আফগান শরণার্থীসহ বাস্তুচ্যুত লোকজনকে সহায়তাকারী স্থানীয় সংগঠনগুলো পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে জোলির।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের শুভেচ্ছাদূত থাকাকালে ২০১০ সালের বন্যায় এবং ২০০৫ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দেখতে পাকিস্তান সফর করেছিলেন জোলি।


পাকিস্তান বৈশ্বিকভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শরণার্থী আশ্রয়দানকারী দেশ। ৪০ বছর ধরে দেশটির জনগণ আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে।

পাকিস্তানের জনগণের জন্য জরুরি সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরবেন জোলি। জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী সংকট, বাস্তুচ্যুতি এবং যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাহীনতা আমরা বৈশ্বিকভাবে প্রত্যক্ষ করছি, তার টেকসই সমাধান নিয়েও কথা বলবেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন