সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩
jugantor
সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩৪:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

সিরিয়ার উপকূলে লেবানন থেকে আসা নৌকা ডুবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী লেবানন থেকে আসা অভিবাসন প্রত্যাশীদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসান আল-ঘাবাশ এক বিবৃতিতে বলেছেন, নৌকাডুবির ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো পর্যন্ত ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে তারতৌসের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সিরিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ওই নৌকায় যারা ছিলেন তারা কয়েক দিন আগে লেবানন থেকে রওনা হয়েছিলেন। নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়ারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে তাদের বহনকারী নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। এতে বিভিন্ন দেশের ১২০ থেকে ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

তারতৌস বন্দরের মহাপরিচালক সামের কুব্রুসলি জানিয়েছেন, যে স্থানে নৌকাডুবির ঘটনাটি ঘটে তার আশপাশের পরিস্থিতি প্রতিকূল। উত্তাল সমুদ্র ও প্রবল বাতাসে ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বুধবার লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তারা একটি নৌকা থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশী অন্তত ৫৫ জনকে উদ্ধার করেছে। তারা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের কোনো দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছার পরিবর্তে আবারো লেবানন উপকূলেই চলে আসে।

সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩
ছবি: সংগৃহীত

সিরিয়ার উপকূলে লেবানন থেকে আসা নৌকা ডুবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী লেবানন থেকে আসা অভিবাসন প্রত্যাশীদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

স্থানীয় সময় শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসান আল-ঘাবাশ এক বিবৃতিতে বলেছেন, নৌকাডুবির ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো পর্যন্ত ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে তারতৌসের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সিরিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ওই নৌকায় যারা ছিলেন তারা কয়েক দিন আগে লেবানন থেকে রওনা হয়েছিলেন। নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়ারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে তাদের বহনকারী নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। এতে বিভিন্ন দেশের ১২০ থেকে ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

তারতৌস বন্দরের মহাপরিচালক সামের কুব্রুসলি জানিয়েছেন, যে স্থানে নৌকাডুবির ঘটনাটি ঘটে তার আশপাশের পরিস্থিতি প্রতিকূল। উত্তাল সমুদ্র ও প্রবল বাতাসে ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বুধবার লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তারা একটি নৌকা থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশী অন্তত ৫৫ জনকে উদ্ধার করেছে। তারা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের কোনো দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছার পরিবর্তে আবারো লেবানন উপকূলেই চলে আসে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন