‘রাশিয়ার জন্য মাত্র দুটি পথ খোলা আছে’
jugantor
‘রাশিয়ার জন্য মাত্র দুটি পথ খোলা আছে’

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২২, ১৯:৪৭:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দোনেৎস্কের লাইমানে রাশিয়ার জন্য এখন মাত্র দুটি পথ খোলা আছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, রাশিয়ার সৈন্যরা তাদের ঊর্ধ্বতনদের কাছে শহরটি ত্যাগের অনুমতি চেয়েছে। কিন্তু তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।

লুহানস্কের আঞ্চলিক প্রধান শেরহি হাইদাই বলেছেন, রাশিয়ান সৈন্যদের সামনে এখন দুটি পথ খোলা আছে। হয় পালানোর চেষ্টা করা অথবা আত্মসমর্পণ করা।

শেরহি হাইদাই দাবি করেন, গোলাবারুদ সরবরাহসহ লাইমানে যাওয়ার সব রুট এখন বন্ধ। যদিও নিরপেক্ষভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে শুক্রবার রাশিয়া অধিকৃত দোনেৎস্কের নেতা ডেনিস পুশিলিন বলেন, লাইমান শহরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

গত মে মাসের শেষে দিকে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লাইমান দখলের পর রাশিয়ার সৈন্যরা এটিকে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করছে।

রাশিয়ান সৈন্যরা শহরটিকে তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট ও অস্ত্রের সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলে।

শুধু তাই নয়, লাইমান শহরটি দোনেৎস্ক, লুহানস্ক ও খারকিভ অঞ্চলের রেল যোগাযোগের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লাইমান শহরটিতে বর্তমানে ৫ হাজার রাশিয়ান সৈন্য আটকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই শহরটি ইউক্রেন পুরোপুরি দখলে নিতে পারলে তা হবে গত ফেব্রুয়ারিতে আগ্রাসন চালানোর পর থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক পরাজয়।

এটি দখল করতে পারলে তা হবে ইউক্রেনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এর ফলে ইউক্রেনের সৈন্যরা দোনেৎস্কের উত্তরাংশে সহজে চলাচল করতে পারবে এবং লুহানস্কের দিকেও অগ্রসর হতে পারবে।

ইতিমধ্যে ইউক্রেনের সৈন্যরা লাইমানের সীমান্তবর্তী দুইটি গ্রাম পুনর্দখল করেছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

‘রাশিয়ার জন্য মাত্র দুটি পথ খোলা আছে’

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দোনেৎস্কের লাইমানে রাশিয়ার জন্য এখন মাত্র দুটি পথ খোলা আছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, রাশিয়ার সৈন্যরা তাদের ঊর্ধ্বতনদের কাছে শহরটি ত্যাগের অনুমতি চেয়েছে। কিন্তু তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।

লুহানস্কের আঞ্চলিক প্রধান শেরহি হাইদাই বলেছেন, রাশিয়ান সৈন্যদের সামনে এখন দুটি পথ খোলা আছে। হয় পালানোর চেষ্টা করা অথবা আত্মসমর্পণ করা।

শেরহি হাইদাই দাবি করেন, গোলাবারুদ সরবরাহসহ লাইমানে যাওয়ার সব রুট এখন বন্ধ। যদিও নিরপেক্ষভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে শুক্রবার রাশিয়া অধিকৃত দোনেৎস্কের নেতা ডেনিস পুশিলিন বলেন, লাইমান শহরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

গত মে মাসের শেষে দিকে দোনেৎস্কের গুরুত্বপূর্ণ শহর লাইমান দখলের পর রাশিয়ার সৈন্যরা এটিকে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করছে।

রাশিয়ান সৈন্যরা শহরটিকে তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট ও অস্ত্রের সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলে।

শুধু তাই নয়, লাইমান শহরটি দোনেৎস্ক, লুহানস্ক ও খারকিভ অঞ্চলের রেল যোগাযোগের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লাইমান শহরটিতে বর্তমানে ৫ হাজার রাশিয়ান সৈন্য আটকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই শহরটি ইউক্রেন পুরোপুরি দখলে নিতে পারলে তা হবে গত ফেব্রুয়ারিতে আগ্রাসন চালানোর পর থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক পরাজয়।

এটি দখল করতে পারলে তা হবে ইউক্রেনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এর ফলে ইউক্রেনের সৈন্যরা দোনেৎস্কের উত্তরাংশে সহজে চলাচল করতে পারবে এবং লুহানস্কের দিকেও অগ্রসর হতে পারবে।

ইতিমধ্যে ইউক্রেনের সৈন্যরা লাইমানের সীমান্তবর্তী দুইটি গ্রাম পুনর্দখল করেছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন