দোনেৎস্কের লাইমান শহরে ইউক্রেনের পতাকা উড়ছে: জেলেনস্কি
jugantor
দোনেৎস্কের লাইমান শহরে ইউক্রেনের পতাকা উড়ছে: জেলেনস্কি

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১৭:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলাচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দখল করা ইউক্রেনের দোনেৎস্ককে একীভূত করার ঘোষণার পরের দিনই এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর লাইমেন পুনরুদ্ধার করার দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার এক ভিডিও বার্তায় জানান, দোনেৎস্কের লাইমান শহরে এখন ইউক্রেনের পতাকা উড়ছে। এটি এখন আমাদের সেনাদের দখলে। খবর আনাদোলুর।

কথিত গণভোটের পর গত শুক্রবার ডিক্রি জারির মাধ্যমে দোনেৎস্কসহ ইউক্রেনের অধিকৃত চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ বলে ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এর প্রতিক্রিয়া ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের জনগণ এটি মেনে নেবে না। লাইমানের এভাবে ইউক্রেনের সেনারা ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখল করে নেওয়া ক্রিমিয়াও পুনরুদ্ধার করবে।

এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, দোনেৎস্কের লাইমান শহর থেকে সেনাদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তারা। লাইমানে অবস্থিত রুশ সেনাদের যেন ইউক্রেনের সেনারা 'ঘিরে ফেলতে না' পারে সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়৷

এ বিষয়ে রুশ মন্ত্রণালয় বলেছে, অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে, মিত্র সেনাদের লাইমান থেকে সরিয়ে আরও ভালো অবস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়া যখন অধিকৃত চার অঞ্চলের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে ব্যস্ত, তখন লাইমান শহরটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল ইউক্রেনের সেনারা৷

তখন থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল রুশ সেনাদের হাত থেকে শহরটি হাতছাড়া হয়ে যাবে।

দোনেৎস্কের লাইমান শহরে ইউক্রেনের পতাকা উড়ছে: জেলেনস্কি

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলাচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দখল করা ইউক্রেনের দোনেৎস্ককে একীভূত করার ঘোষণার পরের দিনই এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর লাইমেন পুনরুদ্ধার করার দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার এক ভিডিও বার্তায় জানান, দোনেৎস্কের লাইমান শহরে এখন ইউক্রেনের পতাকা উড়ছে। এটি এখন আমাদের সেনাদের দখলে। খবর আনাদোলুর।

কথিত গণভোটের পর গত শুক্রবার ডিক্রি জারির মাধ্যমে দোনেৎস্কসহ ইউক্রেনের অধিকৃত চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ বলে ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এর প্রতিক্রিয়া ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের জনগণ এটি মেনে নেবে না। লাইমানের এভাবে ইউক্রেনের সেনারা ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখল করে নেওয়া ক্রিমিয়াও পুনরুদ্ধার করবে।

এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, দোনেৎস্কের লাইমান শহর থেকে সেনাদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তারা। লাইমানে অবস্থিত রুশ সেনাদের যেন ইউক্রেনের সেনারা 'ঘিরে ফেলতে না' পারে সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়৷

এ বিষয়ে রুশ মন্ত্রণালয় বলেছে, অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে, মিত্র সেনাদের লাইমান থেকে সরিয়ে আরও ভালো অবস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়া যখন অধিকৃত চার অঞ্চলের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে ব্যস্ত, তখন লাইমান শহরটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল ইউক্রেনের সেনারা৷

তখন থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল রুশ সেনাদের হাত থেকে শহরটি হাতছাড়া হয়ে যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা