তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার চেষ্টায় শি জিনপিং
jugantor
তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার চেষ্টায় শি জিনপিং

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ অক্টোবর ২০২২, ২০:৫৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনে অক্টোবরে ২০তম জাতীয় পার্টি কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শি জিনপিং তৃতীয়বারের মতো চীনের একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী শীর্ষ নেতা হিসাবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী ১০ বছর ক্ষমতায় আছেন। তার চিন্তাভাবনা সঠিক, ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটির চীনের ইতিহাসবিদ জোসেফ টোরিজিয়ান একটি বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শি জিনপিংয়ের কর্তৃত্ববাদী শাসক। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট।

শি জিনপিং সব সময় দেশের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব শিথিল করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দৃঢ়ভাবে বলেছেন, কেবলমাত্র পার্টির নেতৃত্বেই চীন তার মহান পুনর্জীবন অর্জন করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিং অনেক কারণে চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার শাসনকালের মেয়াদ বাড়াতে এবং তার তৃতীয় মেয়াদ শুরু করতে চাইলেও তিনি কঠোর অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন হতে পারেন। শির কঠোর শূন্য কোভিড নীতি বেইজিং জুড়ে চরম সংকটের দিকে নিয়ে গেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রতি রাশিয়ান আগ্রাসনের পরে, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে এবং জিনজিয়াং-এ কঠোর নিরাপত্তা ক্ল্যাম্পডাউনের পড়ে। এর ফলে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোতে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

তদুপরি, তাইওয়ানের প্রতি চীনের সামরিক আগ্রাসন এবং এ অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার হুমকি দিচ্ছে বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কংগ্রেসে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতা পুনর্নিশ্চিত করার জন্য তার সংবিধান সংশোধন করতে পারে এবং তিনি তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, সংশোধিত সংবিধান নিশ্চিত করবে যে দেশ, সমাজ, রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে বিধি ও সংস্কারগুলি রাষ্ট্রপতি শির আদেশের সঙ্গে আরও মিলিত হয়েছে।

তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার চেষ্টায় শি জিনপিং

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনে অক্টোবরে ২০তম জাতীয় পার্টি কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শি জিনপিং তৃতীয়বারের মতো চীনের একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী শীর্ষ নেতা হিসাবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী ১০ বছর ক্ষমতায় আছেন। তার চিন্তাভাবনা সঠিক, ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটির চীনের ইতিহাসবিদ জোসেফ টোরিজিয়ান একটি বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শি জিনপিংয়ের কর্তৃত্ববাদী শাসক। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট।

শি জিনপিং সব সময় দেশের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব শিথিল করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দৃঢ়ভাবে বলেছেন, কেবলমাত্র পার্টির নেতৃত্বেই চীন তার মহান পুনর্জীবন অর্জন করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিং অনেক কারণে চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার শাসনকালের মেয়াদ বাড়াতে এবং তার তৃতীয় মেয়াদ শুরু করতে চাইলেও তিনি কঠোর অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন হতে পারেন। শির কঠোর শূন্য কোভিড নীতি বেইজিং জুড়ে চরম সংকটের দিকে নিয়ে গেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রতি রাশিয়ান আগ্রাসনের পরে, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে এবং জিনজিয়াং-এ কঠোর নিরাপত্তা ক্ল্যাম্পডাউনের পড়ে। এর ফলে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোতে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

তদুপরি, তাইওয়ানের প্রতি চীনের সামরিক আগ্রাসন এবং এ অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার হুমকি দিচ্ছে বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কংগ্রেসে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতা পুনর্নিশ্চিত করার জন্য তার সংবিধান সংশোধন করতে পারে এবং তিনি তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, সংশোধিত সংবিধান নিশ্চিত করবে যে দেশ, সমাজ, রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে বিধি ও সংস্কারগুলি রাষ্ট্রপতি শির আদেশের সঙ্গে আরও মিলিত হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন