বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্নার খোঁজ, গিনেসে স্থান পেতে আবেদন
jugantor
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্নার খোঁজ, গিনেসে স্থান পেতে আবেদন

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ নভেম্বর ২০২২, ১২:৩০:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

জাম্বিয়ায় আবিষ্কার হয়েছে এক কেজি ৫০৫ গ্রামের পান্না! রিচার্ড কাপেটার সঙ্গে ভারতের মানস বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিশালাকার আনকাট পান্না উদ্ধার করেছেন।

এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না হিসেবে স্বীকৃতি দিতে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডস কর্তপক্ষের কাছে সম্প্রতি আবেদন করা হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

জিডব্লিউআরের ব্লগে লেখা হয়েছে— এই আনকাট পান্না উদ্ধার হয়েছে ২০২১ সালে। জাম্বিয়ার কপারবেল্ট প্রভিন্সে এ পান্না উদ্ধার করা হয়েছে।

সেখানকার খনি থেকে এ পান্না উদ্ধার হতেই তার নাম ‘চিপামবেল’ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় ভাষায়। স্থানীয় 'বেম্বা' প্রজাতির মানুষের ভাষায় এই শব্দের অর্থ হলো গণ্ডার। এই পান্নার কিছু দিক গণ্ডারের শিংয়ের মতো উঁচু হওয়ায় তার নাম এমন হয়েছে।

চিপামবেলের আগে এ খনি থেকে আরও দুটি বৃহদাকার পান্না উদ্ধার হয়েছে। এই খনিটি সে দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ও গেমফিল্ডসের যৌথ মালিকানায় রয়েছে।

এর আগে যে দুটি বৃহদাকার পান্না উদ্ধার হয়, তাদের নাম ছিল স্থানীয় ভাষায় ‘ইনসোফু ’ ও ‘ইনকালামাউ’ । যে নামের অর্থ স্থানীয় ভাষায় যথাক্রমে হাতি ও সিংহ। আপাতত এ ‘চিপামবেল’ পান্নার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আবেদন করেছে জিডব্লিউআর।

প্রসঙ্গত এ বিশ্বে এর আগে এতবড় পান্না উদ্ধার হয়নি আগে বলে দাব করা হচ্ছে। ৭৫২৫ ক্যারেটের এ পান্না কাজেম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের যে ভূতত্ত্ববিদের নাম এই উদ্ধারকাজে উঠে আসছে সেই মানস বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুরের বাসিন্দা ছিলেন। এককালে পড়াশোনা করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে।
তার পর বর্তমানে কাজেমের খনিতে গবেষণারত। সদ্য তিনি জিওরক কনসালটিংয়ে যোগ দিয়েছেন কর্মজীবনে। আর সেই সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন খনিতে তিনি কর্মরত ছিলেন।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্নার খোঁজ, গিনেসে স্থান পেতে আবেদন

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ নভেম্বর ২০২২, ১২:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাম্বিয়ায় আবিষ্কার হয়েছে এক কেজি ৫০৫ গ্রামের পান্না! রিচার্ড কাপেটার সঙ্গে ভারতের মানস বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিশালাকার আনকাট পান্না উদ্ধার করেছেন।

এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না হিসেবে স্বীকৃতি দিতে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডস কর্তপক্ষের কাছে সম্প্রতি আবেদন করা হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

জিডব্লিউআরের ব্লগে লেখা হয়েছে— এই আনকাট পান্না উদ্ধার হয়েছে ২০২১ সালে। জাম্বিয়ার কপারবেল্ট প্রভিন্সে এ পান্না উদ্ধার করা হয়েছে।

সেখানকার খনি থেকে এ পান্না উদ্ধার হতেই তার নাম ‘চিপামবেল’ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় ভাষায়। স্থানীয় 'বেম্বা' প্রজাতির মানুষের ভাষায় এই শব্দের অর্থ হলো গণ্ডার। এই পান্নার কিছু দিক গণ্ডারের শিংয়ের মতো উঁচু হওয়ায় তার নাম এমন হয়েছে।

চিপামবেলের আগে এ খনি থেকে আরও দুটি বৃহদাকার পান্না উদ্ধার হয়েছে। এই খনিটি সে দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ও গেমফিল্ডসের যৌথ মালিকানায় রয়েছে।

এর আগে যে দুটি বৃহদাকার পান্না উদ্ধার হয়, তাদের নাম ছিল স্থানীয় ভাষায় ‘ইনসোফু ’ ও ‘ইনকালামাউ’ । যে নামের অর্থ স্থানীয় ভাষায় যথাক্রমে হাতি ও সিংহ। আপাতত এ ‘চিপামবেল’ পান্নার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আবেদন করেছে জিডব্লিউআর।

প্রসঙ্গত এ বিশ্বে এর আগে এতবড় পান্না উদ্ধার হয়নি আগে বলে দাব করা হচ্ছে। ৭৫২৫ ক্যারেটের এ পান্না কাজেম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের যে ভূতত্ত্ববিদের নাম এই উদ্ধারকাজে উঠে আসছে সেই মানস বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুরের বাসিন্দা ছিলেন। এককালে পড়াশোনা করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে।
তার পর বর্তমানে কাজেমের খনিতে গবেষণারত। সদ্য তিনি জিওরক কনসালটিংয়ে যোগ দিয়েছেন কর্মজীবনে। আর সেই সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন খনিতে তিনি কর্মরত ছিলেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন