যে গ্রামের বধূরা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন 
jugantor
যে গ্রামের বধূরা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন 

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:০০:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

মাছির উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন গৃহবধূরা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন ঘটনা ঘটছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের হরদোই জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে।

লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদনের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, হরদোই জেলার বাধাইয়া পুরওয়া, কুঁইয়া, পাট্টি, দাহি, সালেমপুর, ফতেহপুর, ঝাল পুরওয়া, নয়াগাঁও, দেওরিয়া এবং একঘড়া গ্রামে মাছির উপদ্রব খুব বেশি। এ কারণে গ্রামগুলোতে কোনো পাত্রীপক্ষ সম্বন্ধ করতে চাইছে না। ফলে পছন্দমতো পাত্রী জোটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এসব গ্রামের পুরুষদের।

এক বছরে বাধাইয়া পুরওয়া গ্রাম থেকেই ৬ জন গৃহবধূ মাছির উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়েছেন। স্বামীরা তাদের বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। উল্টো ওই গৃহবধূরা তাদের স্বামীদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, একসঙ্গে সংসার করতে চাইলে ওই গ্রাম ছেড়ে চলে আসতে হবে!

স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়- একটি মুরগির খামারকে কেন্দ্র করে মাছির উপদ্রবের সূত্রপাত। ২০১৪ সালে হরদোই জেলার ওই গ্রামগুলোতে একটি মুরগির খামার খোলা হয়। এরপর থেকেই বাকি গ্রামগুলোতে মাছির উপদ্রব বাড়তে শুরু করে। গত তিন বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। মাছির উপদ্রবে ভেঙে গেছে একের পর এক বিয়ে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত কোনো বিয়েই হয়নি এসব গ্রামে।

বাধাইয়ার পুরওয়ার গ্রামপ্রধান বলেন, মাছির উপদ্রব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, পারস্পরিক সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়ছে। গেল বছরে কোনোরকমে গ্রামের তিনটি ছেলে এবং চারটি মেয়ের বিয়ে হয়েছিল; কিন্তু মাছির উপদ্রবে এ গ্রামে আসা নববধূরা সংসার ছেড়ে পালিয়েছেন।

যে গ্রামের বধূরা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন 

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

মাছির উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন গৃহবধূরা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন ঘটনা ঘটছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের হরদোই জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে।

লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদনের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, হরদোই জেলার বাধাইয়া পুরওয়া, কুঁইয়া, পাট্টি, দাহি, সালেমপুর, ফতেহপুর, ঝাল পুরওয়া, নয়াগাঁও, দেওরিয়া এবং একঘড়া গ্রামে মাছির উপদ্রব খুব বেশি। এ কারণে গ্রামগুলোতে কোনো পাত্রীপক্ষ সম্বন্ধ করতে চাইছে না। ফলে পছন্দমতো পাত্রী জোটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এসব গ্রামের পুরুষদের।

এক বছরে বাধাইয়া পুরওয়া গ্রাম থেকেই ৬ জন গৃহবধূ মাছির উপদ্রবে বিরক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়েছেন। স্বামীরা তাদের বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। উল্টো ওই গৃহবধূরা তাদের স্বামীদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, একসঙ্গে সংসার করতে চাইলে ওই গ্রাম ছেড়ে চলে আসতে হবে!

স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়- একটি মুরগির খামারকে কেন্দ্র করে মাছির উপদ্রবের সূত্রপাত। ২০১৪ সালে হরদোই জেলার ওই গ্রামগুলোতে একটি মুরগির খামার খোলা হয়। এরপর থেকেই বাকি গ্রামগুলোতে মাছির উপদ্রব বাড়তে শুরু করে। গত তিন বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। মাছির উপদ্রবে ভেঙে গেছে একের পর এক বিয়ে। 

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত কোনো বিয়েই হয়নি এসব গ্রামে। 

বাধাইয়ার পুরওয়ার গ্রামপ্রধান বলেন, মাছির উপদ্রব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, পারস্পরিক সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়ছে। গেল বছরে কোনোরকমে গ্রামের তিনটি ছেলে এবং চারটি মেয়ের বিয়ে হয়েছিল; কিন্তু মাছির উপদ্রবে এ গ্রামে আসা নববধূরা সংসার ছেড়ে পালিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর