রাহুল গান্ধীর কি চাপে পড়লেন? 
jugantor
রাহুল গান্ধীর কি চাপে পড়লেন? 

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক  

২৪ মার্চ ২০২৩, ১২:০২:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের সাজা দিয়েছেন দেশটির আদালত। মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত। এ সময় বিচারকের এক প্রশ্নের জবাবে রাহুল বলেন, মোদির বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে মোটেও অনুতপ্ত নন।

আদালতের রায় ঘোষণার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে। সুপ্রিমকোর্টের রায় ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, রাহুলের লোকসভার সংসদ সদস্য পদ এখনই খারিজ হবে কিনা, সেই প্রশ্নে এ মুহূর্তে রাজনীতির অঙ্গন তোলপাড়। আপাত মনে হচ্ছে রাহুল গান্ধী রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেন। সবই নির্ভর করছে রাহুলের আপিল পরবর্তী রায়ের ওপর।

তবে বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী জানিয়েছেন, কোনো রক্তচক্ষু রাহুল গান্ধী পরোয়া করেন না। চাপ তৈরি করে তার কণ্ঠরোধ করা যাবে না।

এদিকে সুপ্রিমকোর্ট ২০১৩ সালে এক মামলার রায়ে জানিয়েছিলেন, কোনো মামলায় কোনো সংসদ সদস্য, বিধায়ক অথবা বিধান পরিষদের (বিধানসভার উচ্চকক্ষ) সদস্যের দুই বছর বা তার বেশি সময়ের সাজা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সদস্য পদ সঙ্গে সঙ্গে খারিজ হয়ে যাবে। রাহুলের ক্ষেত্রে বিচারক ভার্মা তার রায় এক মাস অকার্যকর রাখার কথা জানিয়েছেন।

এই সময়ের মধ্যে উচ্চতর আদালত সিজেএমের রায় স্থগিত রাখলে তার সদস্য পদ বহাল থাকবে, না হলে রাহুল সদস্য পদ হারাবেন। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেরালার ওয়েনাড লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, রাহুলকে লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়া হলো কিনা। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করা হলো কিনা, এমন কথাও উঠেছে।

রাহুলের আইনজীবীরা এজলাসে বলেছেন, মানহানির মামলা করার কোনো এখতিয়ারই পূর্ণেশ মোদির নেই। কারণ তিনি ক্ষতিগ্রস্ত নন। রাহুলের আক্রমণের লক্ষ্য ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। মামলা করতে হলে তারই করা উচিত ছিল। তা ছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী মানহানির মামলার সর্বোচ্চ রায় দুই বছর। রাহুলকে সর্বোচ্চ সাজাই দেওয়া হয়েছে।

অপরাধীদের হাত থেকে রাজনীতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্ট ২০১৩ সালে লিলি টমাস বনাম কেন্দ্র মামলায় ওই যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। রায়ে বলা হয়েছিল, দুই বা তার বেশি বছরের সাজা হলে সদস্য পদ সঙ্গে সঙ্গে খারিজ তো হবেই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাজার মেয়াদের সঙ্গে যুক্ত হবে আরও ছয় বছর।

অর্থাৎ সাজাপ্রাপ্ত দুই বছর ও তার সঙ্গে ছয় বছর—সব মিলিয়ে আট বছর ওই ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। এর আগে নিম্ন আদালতে দোষীরা উচ্চতর আদালতে আবেদন সাপেক্ষে সদস্য পদ বহাল রাখতে পারতেন।

সংসদের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর অসম্মান ও বদনাম করার অভিযোগ এনে রাহুলের সদস্য পদ খারিজের দাবি ইতোমধ্যেই লোকসভার অধিকারভঙ্গ কমিটির বিবেচনাধীন। যুক্তরাজ্যে ‘দেশের অসম্মান করার’ জন্য সদস্য পদ খারিজ করতে কমিটি গড়ার প্রস্তাবও লোকসভার অধ্যক্ষের বিবেচনাধীন। এসবের সঙ্গে যুক্ত হলো আদালতের রায়।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, ‘যেভাবে রাহুলকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল, তাতে এমন কিছু আমরা আশঙ্কা করছিলাম। বিজেপির বোঝা উচিত, অন্যের দিকে একটা আঙুল দেখানোর সময় নিজেদের দিকে চারটি আঙুল থাকে।’ মধ্যপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং বলেছেন, ‘মোদি’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই মানহানি ঘটতে পারে। অবস্থা এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজার আদেশ দেন গুজরাটের সুরাতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) এইচ এইচ ভার্মা। তিনি অবশ্য সাজা ঘোষণার পর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাহুলের জামিনও মঞ্জুর করেছেন। উচ্চ আদালতে আবেদনের জন্য তাঁকে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত মামলার রায় স্থগিত থাকবে।

রায় ঘোষণার সময় রাহুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। চার বছর পুরোনো এই মামলায় রায় ঘোষণার আগে বিচারক ভার্মা রাহুলের কাছে জানতে চান, তার কিছু বলার আছে কিনা। তিনি অনুতপ্ত কি না। জবাবে রাহুল বলেন, ‘রাজনীতির মঞ্চ থেকে আমি রাজনীতির কথা বলেছি। অনুতাপের কোনো কারণ নেই।’

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময় যুদ্ধবিমান রাফাল কেনাবেচায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল কংগ্রেস। সে সময় রাহুল স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘চৌকিদার চোর হ্যায় (পাহারাদারই চোর)।’ একই বছর কর্ণাটকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাহুল প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, চোরদের পদবি কেন ‘মোদি’ হয়।

ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ললিত মোদি ও ব্যাংকের ঋণ নিয়ে টাকা শোধ না করে পলাতক নীরব মোদির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে রাহুল জানতে চেয়েছিলেন, কেন সব চোরের পদবি মোদি। এরপর পূর্ণেশ মোদি নামে গুজরাট বিজেপির এক নেতা সুরাত আদালতে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।

রায়ের পর কংগ্রেস জানিয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানাবে।

অন্যদিকে রাহুলের বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইটারে লেখেন, রাহুল গান্ধীর কণ্ঠরোধে শাসককুল চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না। সব দিক থেকে তারা কোমর বেঁধে নেমেছে। কিন্তু আমার ভাই কোনো দিন ভয় পাননি। পাবেনও না। সত্য কথা তিনি বলতেই থাকবেন। দেশ ও মানুষের কথা সব সময় তুলে ধরবেন। সত্যের শক্তি ও কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা তার সঙ্গে আছে।


রাহুল গান্ধীর কি চাপে পড়লেন? 

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
২৪ মার্চ ২০২৩, ১২:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের সাজা দিয়েছেন দেশটির আদালত। মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত। এ সময় বিচারকের এক প্রশ্নের জবাবে রাহুল বলেন, মোদির বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে মোটেও অনুতপ্ত নন। 

আদালতের রায় ঘোষণার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে। সুপ্রিমকোর্টের রায় ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, রাহুলের লোকসভার সংসদ সদস্য পদ এখনই খারিজ হবে কিনা, সেই প্রশ্নে এ মুহূর্তে রাজনীতির অঙ্গন তোলপাড়। আপাত মনে হচ্ছে রাহুল গান্ধী রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেন। সবই নির্ভর করছে রাহুলের আপিল পরবর্তী রায়ের ওপর।

তবে বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী জানিয়েছেন, কোনো রক্তচক্ষু রাহুল গান্ধী পরোয়া করেন না। চাপ তৈরি করে তার কণ্ঠরোধ করা যাবে না। 

এদিকে সুপ্রিমকোর্ট ২০১৩ সালে এক মামলার রায়ে জানিয়েছিলেন, কোনো মামলায় কোনো সংসদ সদস্য, বিধায়ক অথবা বিধান পরিষদের (বিধানসভার উচ্চকক্ষ) সদস্যের দুই বছর বা তার বেশি সময়ের সাজা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সদস্য পদ সঙ্গে সঙ্গে খারিজ হয়ে যাবে। রাহুলের ক্ষেত্রে বিচারক ভার্মা তার রায় এক মাস অকার্যকর রাখার কথা জানিয়েছেন।

এই সময়ের মধ্যে উচ্চতর আদালত সিজেএমের রায় স্থগিত রাখলে তার সদস্য পদ বহাল থাকবে, না হলে রাহুল সদস্য পদ হারাবেন। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেরালার ওয়েনাড লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, রাহুলকে লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়া হলো কিনা। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করা হলো কিনা, এমন কথাও উঠেছে। 

রাহুলের আইনজীবীরা এজলাসে বলেছেন, মানহানির মামলা করার কোনো এখতিয়ারই পূর্ণেশ মোদির নেই। কারণ তিনি ক্ষতিগ্রস্ত নন। রাহুলের আক্রমণের লক্ষ্য ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। মামলা করতে হলে তারই করা উচিত ছিল। তা ছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী মানহানির মামলার সর্বোচ্চ রায় দুই বছর। রাহুলকে সর্বোচ্চ সাজাই দেওয়া হয়েছে।

অপরাধীদের হাত থেকে রাজনীতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্ট ২০১৩ সালে লিলি টমাস বনাম কেন্দ্র মামলায় ওই যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। রায়ে বলা হয়েছিল, দুই বা তার বেশি বছরের সাজা হলে সদস্য পদ সঙ্গে সঙ্গে খারিজ তো হবেই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাজার মেয়াদের সঙ্গে যুক্ত হবে আরও ছয় বছর।

অর্থাৎ সাজাপ্রাপ্ত দুই বছর ও তার সঙ্গে ছয় বছর—সব মিলিয়ে আট বছর ওই ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। এর আগে নিম্ন আদালতে দোষীরা উচ্চতর আদালতে আবেদন সাপেক্ষে সদস্য পদ বহাল রাখতে পারতেন।

সংসদের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর অসম্মান ও বদনাম করার অভিযোগ এনে রাহুলের সদস্য পদ খারিজের দাবি ইতোমধ্যেই লোকসভার অধিকারভঙ্গ কমিটির বিবেচনাধীন। যুক্তরাজ্যে ‘দেশের অসম্মান করার’ জন্য সদস্য পদ খারিজ করতে কমিটি গড়ার প্রস্তাবও লোকসভার অধ্যক্ষের বিবেচনাধীন। এসবের সঙ্গে যুক্ত হলো আদালতের রায়।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, ‘যেভাবে রাহুলকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল, তাতে এমন কিছু আমরা আশঙ্কা করছিলাম। বিজেপির বোঝা উচিত, অন্যের দিকে একটা আঙুল দেখানোর সময় নিজেদের দিকে চারটি আঙুল থাকে।’ মধ্যপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং বলেছেন, ‘মোদি’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই মানহানি ঘটতে পারে। অবস্থা এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজার আদেশ দেন গুজরাটের সুরাতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) এইচ এইচ ভার্মা। তিনি অবশ্য সাজা ঘোষণার পর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাহুলের জামিনও মঞ্জুর করেছেন। উচ্চ আদালতে আবেদনের জন্য তাঁকে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত মামলার রায় স্থগিত থাকবে।

রায় ঘোষণার সময় রাহুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। চার বছর পুরোনো এই মামলায় রায় ঘোষণার আগে বিচারক ভার্মা রাহুলের কাছে জানতে চান, তার কিছু বলার আছে কিনা। তিনি অনুতপ্ত কি না। জবাবে রাহুল বলেন, ‘রাজনীতির মঞ্চ থেকে আমি রাজনীতির কথা বলেছি। অনুতাপের কোনো কারণ নেই।’

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময় যুদ্ধবিমান রাফাল কেনাবেচায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল কংগ্রেস। সে সময় রাহুল স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘চৌকিদার চোর হ্যায় (পাহারাদারই চোর)।’ একই বছর কর্ণাটকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাহুল প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, চোরদের পদবি কেন ‘মোদি’ হয়।

ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ললিত মোদি ও ব্যাংকের ঋণ নিয়ে টাকা শোধ না করে পলাতক নীরব মোদির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে রাহুল জানতে চেয়েছিলেন, কেন সব চোরের পদবি মোদি। এরপর পূর্ণেশ মোদি নামে গুজরাট বিজেপির এক নেতা সুরাত আদালতে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।

রায়ের পর কংগ্রেস জানিয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানাবে। 

অন্যদিকে রাহুলের বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইটারে লেখেন, রাহুল গান্ধীর কণ্ঠরোধে শাসককুল চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না। সব দিক থেকে তারা কোমর বেঁধে নেমেছে। কিন্তু আমার ভাই কোনো দিন ভয় পাননি। পাবেনও না। সত্য কথা তিনি বলতেই থাকবেন। দেশ ও মানুষের কথা সব সময় তুলে ধরবেন। সত্যের শক্তি ও কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা তার সঙ্গে আছে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন