ঘুমের ঘোরে উদ্ধার করা হয় কিশোরদের

  যুগান্তর ডেস্ক ১২ জুলাই ২০১৮, ১১:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

থাইল্যান্ড
ছবি: এএফপি

‘উদ্ধারের সময় কেউ ঘুমিয়ে ছিল। কেই ঘুমে ঢুলছিল। তবে শ্বাসপ্রশ্বাস চলছিল। গুহার মধ্যেই ডাক্তাররা কিছুক্ষণ পরপর তাদের নাড়ি ও শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে দেখছিলেন’, উদ্ধারের সময় আটকে পড়া ১২ কিশোর ও তাদের কোচের অবস্থা কেমন ছিল বুধবার এভাবেই তার বর্ণনা দিয়েছেন থাই নেভি সিলের সাবেক সদস্য কমান্ডার চেইয়ানান্তা পিরানারং।

মঙ্গলবার উদ্ধার অভিযানে গুহা থেকে সবার শেষে বের হন তিনি। খবর এএফপির।

‘গুহা থেকে নির্বিঘ্নে বের করতেই কিশোরদের স্বল্পমাত্রা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমে আচ্ছন্ন রাখা হয়। গুহায় কিশোরদের খোঁজ পাওয়ার দিন থেকেই তাদের ওই ডোজ দেয়া হচ্ছিল’, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা।

ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ১৭ দিন ধরে গুহায় থাকার ফলে তাদের ওজন গড়ে ২ কেজি করে কমে গেছে। তবে ওজন কমে গেলেও তারা সুস্থ আছে এবং তাদের মধ্যে বাড়তি কোনো মানসিক চাপের লক্ষণ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তারা।

চেইয়ানান্তা বলেন, ঘুমের ঘোরে উদ্ধার করা হয় কিশোরদের। ঘুমন্ত অবস্থায় স্ট্রেচারে করে বাইরে আনা হয় তাদের। অন্ধকার গুহায় যাতে তারা বিচলিত না হয়ে পড়ে তাই নেয়া হয় এ ব্যবস্থা। তিনি বলেন, আমার কাজ ছিল গুহার মধ্য দিয়ে স্ট্রেচারে করে বহন করা।

ঘটনাপ্রবাহ : থাইল্যান্ডে গুহায় আটকা পড়েছে ফুটবল টিম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter