কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ পাচ্ছে ইরান
jugantor
কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ পাচ্ছে ইরান

   

১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৭:২১:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ পাচ্ছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ সম্পদের মালিকানা পাচ্ছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি কাস্পিয়ান সাগরের ‘আইনগত অবস্থান’ নিয়ে ইরান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও আজারবাইজান এ সম্পর্কিত একটি কনভেনশনে সই করে।

ওই কনভেনশন অনুযায়ী ইরান এ মালিকানা পাবে বলে বুধবার এক টিভি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন জারিফ।

তিনি বলেন, ইরানের সাবেক স্বৈরশাসক শতকরা ১১ ভাগ সম্পদ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তেহরান তা কখনো মেনে নেয়নি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাস্পিয়ান সাগরের সম্পদের শতকরা ৫০ ভাগ ইরানের প্রাপ্য বলে যেসব ব্যক্তি প্রচারণা চালান তাও ঠিক নয়। কারণ এটা মেনে নিলে আজারবাইজান ও তুর্কমেনিস্তানের কোনো অংশ থাকে না। এ ধরনের চিন্তা বাস্তবতাবিবর্জিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সই হওয়া কনভনেশনে ২৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হচ্ছে এই সাগরে বাইরের কোনো দেশের সামরিক উপস্থিতি থাকতে পারবে না।

এছাড়া এ সাগর দিয়ে বাইরে কোনো দেশ কোনো সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করতে পারবে না। পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর কেউ কাস্পিয়ান সাগরে অবস্থিত নিজেদের কোনো সামরিক ঘাঁটি বাইরের কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না।

কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ পাচ্ছে ইরান

  
১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৫:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ পাচ্ছে ইরান
কাস্পিয়ান সাগর

মধ্যপ্রাচ্যের কাস্পিয়ান সাগরের ২০ ভাগ সম্পদের মালিকানা পাচ্ছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি কাস্পিয়ান সাগরের ‘আইনগত অবস্থান’ নিয়ে ইরান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও আজারবাইজান এ সম্পর্কিত একটি কনভেনশনে সই করে।

ওই কনভেনশন অনুযায়ী ইরান এ মালিকানা পাবে বলে বুধবার এক টিভি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন জারিফ।

তিনি বলেন, ইরানের সাবেক স্বৈরশাসক শতকরা ১১ ভাগ সম্পদ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তেহরান তা কখনো মেনে নেয়নি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাস্পিয়ান সাগরের সম্পদের শতকরা ৫০ ভাগ ইরানের প্রাপ্য বলে যেসব ব্যক্তি প্রচারণা চালান তাও ঠিক নয়। কারণ এটা মেনে নিলে আজারবাইজান ও তুর্কমেনিস্তানের কোনো অংশ থাকে না। এ ধরনের চিন্তা বাস্তবতাবিবর্জিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সই হওয়া কনভনেশনে ২৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হচ্ছে এই সাগরে বাইরের কোনো দেশের সামরিক উপস্থিতি থাকতে পারবে না।

এছাড়া এ সাগর দিয়ে বাইরে কোনো দেশ কোনো সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করতে পারবে না। পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর কেউ কাস্পিয়ান সাগরে অবস্থিত নিজেদের কোনো সামরিক ঘাঁটি বাইরের কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর