যে গ্রামের কেউই শুনতে পান না
jugantor
যে গ্রামের কেউই শুনতে পান না

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ জুন ২০২১, ০২:৩৮:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা চমৎকার একটা গ্রাম বেংকালা।চমৎকার ওই গ্রামের সব বাসিন্দা ভুগছেন আজব এক রোগে।ওই গ্রামের কেউই কানে শুনতে পান না।ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ওই গ্রাম অবস্থিত। বালি দ্বীপ থেকে উত্তরে অবস্থিত এই গ্রামটির বিশ্ববাসীর কাছে বধিরদের গ্রাম নামে পরিচিত।

গ্রামের বাসিন্দারা পশুপালন ও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এছাড়া গ্রামটিতে বর্তমানে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময়ের জন্য গ্রামের মানুষ ব্যবহার করেন এক বিশেষ সাংকেতিক ভাষা।

ভাবছেন যারা কানে শুনতে পান না তারা কি করে পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন? এদের যে সাংকেতিক ভাষা রয়েছে তা হলো কাতা কোলক। এই সাংকেতিক ভাষায় এখন এই গ্রামের অন্যতম ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছোট থেকে প্রতিটি শিশুই যারা মূলত বধির হয় তারা এই ভাষায় কথা বলতে শেখে। তবে এখন গ্রামটি উন্নত হচ্ছে তাই তারা নিজেদের সাংকেতিক ভাষা ছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষাও রপ্ত করছে যাতে বিদেশের পর্যটকদের সঙ্গেও নিজেদের ভাব বিনিময় করতে পারে। গ্রামের বাসিন্দাদের একটি বিশেষ আকর্ষণ হলো বিশেষ ধরনের নাচ। ওই বিশেষ ধরনের নাচকে বলা হয় জাঞ্জের কোলক।

তবে গ্রামের সব বাসিন্দার মধ্যে এই সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণ কী? এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে গ্রামের সবার মধ্যেই একটি জিনগত সমস্যা রয়েছে। এই জিনগত সমস্যার জন্যই গ্রামের সবার শ্রবণ শক্তি খুবই কম।

যে গ্রামের কেউই শুনতে পান না

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ জুন ২০২১, ০২:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা চমৎকার একটা গ্রাম বেংকালা।চমৎকার ওই গ্রামের সব বাসিন্দা ভুগছেন আজব এক রোগে।ওই গ্রামের কেউই কানে শুনতে পান না।ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ওই গ্রাম অবস্থিত। বালি দ্বীপ থেকে উত্তরে অবস্থিত এই গ্রামটির বিশ্ববাসীর কাছে বধিরদের গ্রাম নামে পরিচিত।

গ্রামের বাসিন্দারা পশুপালন ও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এছাড়া গ্রামটিতে বর্তমানে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময়ের জন্য গ্রামের মানুষ ব্যবহার করেন এক বিশেষ সাংকেতিক ভাষা।

ভাবছেন যারা কানে শুনতে পান না তারা কি করে পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন? এদের যে সাংকেতিক ভাষা রয়েছে তা হলো কাতা কোলক। এই সাংকেতিক ভাষায় এখন এই গ্রামের অন্যতম ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছোট থেকে প্রতিটি শিশুই যারা মূলত বধির হয় তারা এই ভাষায় কথা বলতে শেখে। তবে এখন গ্রামটি উন্নত হচ্ছে তাই তারা নিজেদের সাংকেতিক ভাষা ছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষাও রপ্ত করছে যাতে বিদেশের পর্যটকদের সঙ্গেও নিজেদের ভাব বিনিময় করতে পারে। গ্রামের বাসিন্দাদের একটি বিশেষ আকর্ষণ হলো বিশেষ ধরনের নাচ। ওই বিশেষ ধরনের নাচকে বলা হয় জাঞ্জের কোলক।

তবে গ্রামের সব বাসিন্দার মধ্যে এই সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণ কী? এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে গ্রামের সবার মধ্যেই একটি জিনগত সমস্যা রয়েছে। এই জিনগত সমস্যার জন্যই গ্রামের সবার শ্রবণ শক্তি খুবই কম।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন