সিরিয়ার মতো পরিণতি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের
jugantor
সিরিয়ার মতো পরিণতি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ আগস্ট ২০২১, ০২:৫৮:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানে তালেবান অতীতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তাদের এই দুর্বার গতি যদি থামানো না যায়, তাহলে খুব শিগগিরই আফগানিস্তানের পরিণতি সিরিয়ার মতো হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আফগানিস্তানের এই পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট আর ব্রিটেনের মতো বিশ্ব মোড়ল দেশগুলোকে দায়ি করছেন তারা। কোটি কোটি আফগান নাগরিকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর ব্রিটেনের মতো দেশগুলো তিন হাজার সেনা পাঠিয়েছে তাদের আটকে পড়া নাগরিকদের সরিয়ে নিতে।

তবে তাদের পাঠানো সেনা আফগান জনগণকে রক্ষায় কোনো ভূমিকাই রাখছে না। আফগানিস্তানের সব গুরুত্বপূর্ণ শহর তালেবানের দখলে। তালেবানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের সব প্রক্রিয়াই সম্পন্ন করেছে আফগান সরকার।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পর গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পরিণতি সিরিয়ায় মতো হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০১১ সালে আরব বসন্তের আরব বসন্তের পর মধ্যপ্রাচ্যে স্বৈরশাসকেদের বিরুদ্ধে সৃষ্ট গণজোয়ারের পর থেকে ক্ষমতা আঁকড়ে রয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। গৃহযুদ্ধ শুরুর পর সিরিয়ার শরণার্থী পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ছেড়ে হাজার হাজার মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পালাতে থাকেন।

এদিকে, চলতি বছরের মে মাসে তালেবান আফগানিস্তানের একের পর এক এলাকা নিজেদের দখলে নেওয়া শুরু করলে দেশের মধ্যেই বাস্তুচ্যূত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দেশটির উত্তরাঞ্চলের তালেবানের দখলকৃত এলাকাগুলো ছেড়ে তারা পাড়ি জমাচ্ছিল রাজধানী কাবুলে। কিন্তু কাবুলের পতনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে আফগান জনগণের ঘর থেকে শুরু করে, স্বপ্ন, আশা, আকাঙ্ক্ষা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সিরিয়ার জনগণের মতোই শরণার্থীর জীবন অপেক্ষা করছে আফগান সাধারণ নাগরিকদের জন্য।

সিরিয়ার মতো পরিণতি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ আগস্ট ২০২১, ০২:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানে তালেবান অতীতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তাদের এই দুর্বার গতি যদি থামানো না যায়, তাহলে খুব শিগগিরই আফগানিস্তানের পরিণতি সিরিয়ার মতো হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আফগানিস্তানের এই পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট আর ব্রিটেনের মতো বিশ্ব মোড়ল দেশগুলোকে দায়ি করছেন তারা। কোটি কোটি আফগান নাগরিকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর ব্রিটেনের মতো দেশগুলো তিন হাজার সেনা পাঠিয়েছে তাদের আটকে পড়া নাগরিকদের সরিয়ে নিতে।

তবে তাদের পাঠানো সেনা আফগান জনগণকে রক্ষায় কোনো ভূমিকাই রাখছে না। আফগানিস্তানের সব গুরুত্বপূর্ণ শহর তালেবানের দখলে। তালেবানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের সব প্রক্রিয়াই সম্পন্ন করেছে আফগান সরকার।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পর গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের পরিণতি সিরিয়ায় মতো হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০১১ সালে আরব বসন্তের আরব বসন্তের পর মধ্যপ্রাচ্যে স্বৈরশাসকেদের বিরুদ্ধে সৃষ্ট গণজোয়ারের পর থেকে ক্ষমতা আঁকড়ে রয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ।  গৃহযুদ্ধ শুরুর পর সিরিয়ার শরণার্থী পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ছেড়ে হাজার হাজার মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পালাতে থাকেন।

এদিকে, চলতি বছরের মে মাসে তালেবান আফগানিস্তানের একের পর এক এলাকা নিজেদের দখলে নেওয়া শুরু করলে দেশের মধ্যেই বাস্তুচ্যূত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দেশটির উত্তরাঞ্চলের তালেবানের দখলকৃত এলাকাগুলো ছেড়ে তারা পাড়ি জমাচ্ছিল রাজধানী কাবুলে। কিন্তু কাবুলের পতনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে আফগান জনগণের ঘর থেকে শুরু করে, স্বপ্ন, আশা, আকাঙ্ক্ষা।  আশঙ্কা করা হচ্ছে, সিরিয়ার জনগণের মতোই শরণার্থীর জীবন অপেক্ষা করছে আফগান সাধারণ নাগরিকদের জন্য।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান