বিশ্বজুড়ে ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা বাইডেনের
jugantor
বিশ্বজুড়ে ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা বাইডেনের

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ জুন ২০২১, ২১:৫০:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

বাইডেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাসের ৭০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে। ফাইল ছবি

বিশ্বজুড়ে ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বৈশ্বিক ভ্যাকসিন বণ্টনের এমন পরিকল্পনা করেছেন বলে জানায়বার্তা সংস্থা এএফপি।

এর আগে বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রবিশ্বজুড়ে করোনার ৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রপ্তানি করবে। সেই সংখ্যা এবার বাড়িয়ে আট কোটি ডোজ করা হলো।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা এসব ভ্যাকসিন বণ্টন করছি জীবন বাঁচাতে এবং এই মহামারির ইতি টানতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে।’

বাইডেনের ওই ঘোষণার পরপরই ভ্যাকসিনর সুষম বণ্টনের বৈশ্বিক জোট গ্যাভি (জিএভিআই) স্বাগত জানিয়েছে। এই জোটের প্রধান নির্বাহী সেথ বার্কলে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে আমরা করোনা মহামারির ইতি টানতে পারব।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ প্রশংসার দাবিদার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও জানান, বিশ্বজুড়ে আট কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বণ্টনের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী জুলাইয়ের আগেই এসব ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় এসব ভ্যাকসিনর ৭৫ শতাংশ বণ্টন করা হবে। কোভ্যাক্সের আওতায় ভ্যাকসিন প্রাপ্তির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল ।

এর মধ্যে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাসের ৭০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে।

বাইডেন প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভানের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা অনুসারে, প্রথম চালানের আড়াই কোটি ডোজ ভ্যাকসিনর ৭০ লাখ যাবে এশিয়ায়। বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাঁচ দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, আফগানিস্তান ও ভিয়েতনাম অগ্রাধিকার পাবে। ৬০ লাখের মতো ভ্যাকসিন যাবে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে। এসব অঞ্চলে অগ্রাধিকার পাবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা ও হাইতি। ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সংরক্ষিত থাকবে আফ্রিকার জন্য। আফ্রিকান ইউনিয়নের সহযোগিতায় এসব ভ্যাকসিন বণ্টন করা হবে।

বাকি প্রায় ৬০ লাখ ভ্যাকসিন এমন সব দেশে সরাসরি বণ্টন করা হবে, যেখানে মহামারি আবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রতিবেশী কানাডা ও মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন, গাজা ও ইরাকের মতো অংশীদার গ্রাহকেরা ভ্যাকসিন পাবে বলে জানান সুলিভান।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় হোয়াইট হাউসের সমন্বয়ক জেফ জিয়েন্টস সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রথম চালানে আড়াই কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা জুনের শেষ নাগাদ আট কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করব। প্রথম চালানে জনজন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং ফাইজার–বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন থাকবে।

এই তিন ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মজুতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন থাকলেও তা এখনো অনুমোদন পায়নি।

বিশ্বজুড়ে ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা বাইডেনের

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ জুন ২০২১, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাইডেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাসের ৭০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে। ফাইল ছবি
বাইডেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাসের ৭০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে। ফাইল ছবি

বিশ্বজুড়ে ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।  গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বৈশ্বিক ভ্যাকসিন বণ্টনের এমন পরিকল্পনা করেছেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

এর আগে বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে করোনার ৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রপ্তানি করবে। সেই সংখ্যা এবার বাড়িয়ে আট কোটি ডোজ করা হলো।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা এসব ভ্যাকসিন বণ্টন করছি জীবন বাঁচাতে এবং এই মহামারির ইতি টানতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে।’

বাইডেনের ওই ঘোষণার পরপরই ভ্যাকসিনর সুষম বণ্টনের বৈশ্বিক জোট গ্যাভি (জিএভিআই) স্বাগত জানিয়েছে। এই জোটের প্রধান নির্বাহী সেথ বার্কলে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে আমরা করোনা মহামারির ইতি টানতে পারব।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ প্রশংসার দাবিদার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও জানান, বিশ্বজুড়ে আট কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বণ্টনের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী জুলাইয়ের আগেই এসব ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় এসব ভ্যাকসিনর ৭৫ শতাংশ বণ্টন করা হবে। কোভ্যাক্সের আওতায় ভ্যাকসিন প্রাপ্তির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল ।

এর মধ্যে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো করোনাভাইরাসের ৭০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে। 

বাইডেন প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভানের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা অনুসারে, প্রথম চালানের আড়াই কোটি ডোজ ভ্যাকসিনর ৭০ লাখ যাবে এশিয়ায়। বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাঁচ দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, আফগানিস্তান ও ভিয়েতনাম অগ্রাধিকার পাবে। ৬০ লাখের মতো ভ্যাকসিন যাবে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে। এসব অঞ্চলে অগ্রাধিকার পাবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা ও হাইতি। ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সংরক্ষিত থাকবে আফ্রিকার জন্য। আফ্রিকান ইউনিয়নের সহযোগিতায় এসব ভ্যাকসিন বণ্টন করা হবে।

বাকি প্রায় ৬০ লাখ ভ্যাকসিন এমন সব দেশে সরাসরি বণ্টন করা হবে, যেখানে মহামারি আবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রতিবেশী কানাডা ও মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন, গাজা ও ইরাকের মতো অংশীদার গ্রাহকেরা ভ্যাকসিন পাবে বলে জানান সুলিভান।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় হোয়াইট হাউসের সমন্বয়ক জেফ জিয়েন্টস সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রথম চালানে আড়াই কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা জুনের শেষ নাগাদ আট কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করব। প্রথম চালানে জনজন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং ফাইজার–বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন থাকবে। 

এই তিন ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মজুতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন থাকলেও তা এখনো অনুমোদন পায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন