১৬তম তারাবিতে পঠিত আয়াতসমূহের সারাংশ

  আল ফাতাহ মামুন ২১ মে ২০১৯, ১৭:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

১৬তম তারাবিতে পঠিত আয়াতসমূহের সারাংশ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ১৬তম তারাবিতে সূরা ফোরকানের তৃতীয় রুকু থেকে শেষ পর্যন্ত পঠিত হবে। সঙ্গে সূরা শুআরার শুরু শেকে শেষ এবং সূরা নামলের পঞ্চম রুকুর প্রথম আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১৯তম পারা।

পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের মূলবিষয়বস্তু তুলে ধরা হল।

২৫. সূরা ফোরকান : ২১-৭৭

তৃতীয় রুকু, ২১ থেকে ৩৪ নম্বর আয়াত। সত্য অস্বীকারকারীরা অহংকারবশবর্তী হয়ে যেভাবে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলকে বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জ করে, তা একদিন বাস্তবায়িত হবেই। তখন তাদেরকে আজাব থেকে কে বাচাবে?

চতুর্থ রুকু, ৩৪ থেকে ৪৪ নম্বর আয়াত। এখানে আবার বিভিন্ন নবীদের নাম নিয়ে নিয়ে তাদের দাওয়াতী কৌশল উল্লেখ করা হয়েছে।

পঞ্চম এবং ষষ্ঠ তথা শেষ রুকু, ৪৫ থেকে ৭৭ নম্বর আয়াত। এ দুই রুকুতে প্রথমে নবীজী (সা.)কে পরে তাঁর সব উম্মতকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন নসিহত করা হয়েছে। এভাবেই সূরা ফোরকান শেষ হয়েছে।

সূরা শোআরা : ১-২২৭

সূরা শোআরা। নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২২৭। রুকু ১১টি। আজকের তারাবিতে পুরো সূরাই পঠিত হবে।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৯ নম্বর আয়াত। সূরা শুরুই হয়েছে অবিশ্বাসীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মাধ্যমে।

দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ রুকুর শেষ পর্যন্ত, ১০ থেকে ৬৮ নম্বর আয়াত। কোরআন না মানার পেছনে কাফেরদের প্রশ্নের যুক্তিপূর্ণ জবাব দিয়েই পূর্ববর্তী নবীদের উদাহরণ টানা হয়েছে। প্রথমেই হজরত মুসা (আ.) এর বিস্তারিত আলোচনা করেছেন আল্লাহপাক।

পঞ্চম থেকে দশম রুকুর শেষ পর্যন্ত, ৬৯ থেকে ১৯১ নম্বর আয়াত। ক্রমান্বয়ে অন্যান্য নবীদের জীবন থেকে তাদের দাওয়াতি মিশনের কার্যক্রম কী ছিল তা বলা হয়েছে বিস্তারিতভাবে। উদ্দেশ্য একটাই। যুগে যুগে কাফেরদের আচরণ-বৈশিষ্ট্য এক ও অভিন্ন ছিলো।

১১ তথা শেষ রুকু, ১৯২ থেকে ২২৭ নম্বর আয়াত। এখানে সূরার প্রথম রুকুর দিকে ইংগিত করে আলোচনা করা হয়েছে। কাফেররা কোরআন সম্পর্কে সন্দেহ-অবিশ্বাস করছে। আসলে এটা কাফের সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতপক্ষে এ কোরআন আল্লাহর পক্ষে থেকে নাজিল করা হয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। তাই নবী হে! তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করে যাও। মানুষকে সতর্ক করতে থাকো। বিশ্বাসীদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছ- এভাবেই সূরা শেষ করা হয়েছে।

সূরা নামল : ১-৫৯

সাত রুকু বিশিষ্ট সূরা নামলের আয়াত সংখ্যা ৯৩। এটি নাজিল হয়েছে মক্কায়। আজ পঠিত হবে পঞ্চম রুকুর প্রথম আয়াত পর্যন্ত।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৪ নম্বর আয়াত। আগের সূরার মত এ সূরাও শুরু হয়েছে অবিশ্বাসীদের আলোচনা দিয়ে। যারা আল্লাহ এবং তার কিতাবের ওপর বিশ্বাস রাখে না- তাদের জন্য কত কঠিন আজাব রয়েছে তা বলেই হজরত মুসা এবং তার শত্রু ফেরাউনের আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় এবং তৃতীয় রুকু। ১৫ থেকে ৪৪ নম্বর আয়াতে দাউদ, সোলায়মান (আ.) এবং রাণী বিলকিসের ঘটনা বলা হয়েছে। কীভাবে একটি সাম্রাজ্যকে দাওয়াতের মাধ্যমে পরিবর্তন করা হয়েছে তা বোঝানোই ছিলো মূল উদ্দেশ্য।

চতুর্থ রুকু। ৪৫ থেকে ৫৮ নম্বর আয়াতে হজরত সালেহ এবং কওমে লূতের আলোচনা করা হয়েছে। এ দুই সম্প্রদায় কত বড় নাফরমান ছিলো তা বলাই মূল উদ্দেশ্য।

পঞ্চম রুকুর প্রথম আয়াত। ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে আবার নিজেই তার জবাব দিয়েছেন। এভাবেই আলোচনা সামনে এগিয়ে নেয়া হয়েছে।

ঘটনাপ্রবাহ : তারাবিতে পঠিত আয়াতসমূহের সারাংশ

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×