কোরবানির গোশতের সামাজিক বণ্টন কি জায়েজ?

  মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব ০৪ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৫১ | অনলাইন সংস্করণ

কোরবানির গোশতের সামাজিক বণ্টন কি জায়েজ?
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির গোশত বণ্টনের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,‌ ‌তোমরা খাও এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্র লোকদের খাওয়াও' (হজ্জ ২৮)।

আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ‌তোমরা নিজেরা খাও, যারা চায় না তাদের খাওয়াও এবং যারা নিজেদের প্রয়োজন পেশ করে তাদের খাওয়াও' (হজ্জ ৩৬)।

ইবনু মাসঊদ (রা.) কোরবানির গোশত তিনভাগ করে একভাগ নিজেরা খেতেন, একভাগ যাকে চাইতেন তাকে খাওয়াতেন এবং একভাগ ফকির-মিসকিনকে দিতেন।

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) হুজুর (সা.)-এর কোরবানির গোশত বণ্টন সম্পর্কে বলেন, তিনি একভাগ নিজের পরিবারকে খাওয়াতেন, একভাগ গরিব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং একভাগ ফকিরদের দিতেন।

অতএব কোরবানির গোশত তিনভাগ করা উত্তম ও মুস্তাহাব মাত্র। অবশ্য পুরো গোশত যদি নিজে রেখে দেয় তাতেও কোনো অসুবিধা নেই। প্রয়োজনে বণ্টনে কম-বেশি করাতেও কোনো দোষ নেই (আল-মুগনী ১১/১০৮; মির'আত ২/৩৬৯; ঐ, ৫/১২০ পৃঃ)।

উল্লেখ্য, কোরবানির গোশত যতদিন খুশি রেখে খাওয়া যায় (তিরমিজী হা/১৫১০, মিশকাত হা/২৭৪৪)।

বর্তমানে বিভিন্ন মহল্লায় প্রচলন রয়েছে, কোরবানির গোশতের এক-তৃতীয়াংশ একস্থানে জমা করে মহল্লায় যারা কোরবানি করতে পারেননি তাদের তালিকা করে সুশৃংখলভাবে তাদের মধ্যে বিতরণ করা ও প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়। কাজটি দেখতে ভালো হলেও এটি জায়েজ নয়। কেননা এই প্রচলনের ফলে কারও দিতে মনে না চাইলেও তাকে সমাজের খাতিরে দিতে হয়।

রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, কোনো মুসলমানে মাল তার সন্তুষ্টি ছাড়া গ্রহণ করা হালাল নয়।

(মুসনাদে আহমদ : ১৫/২৯৩, রদ্দুল মুহতার : ৬/৪২৭, আলমগিরী/হিন্দিয়া : ৫/৩০০, হেদায়াহ : ৪/৪৪৯, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪)

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৫৪ ২৬
বিশ্ব ৮,৭১,৯৮৫১,৮৪,৪৮২৪৩,২৬১
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×