ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন কি জায়েজ?
jugantor
ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন কি জায়েজ?

  ইসলাম ও জীবন ডেস্ক  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৩১:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন কি জায়েজ?

প্রশ্ন: আজকাল দেখা যায় অনেকে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে অর্থ-উপার্জন করে।

আর তা এভাবে যে, কারো ভিডিওর যদি দর্শক (Viewer) বেশি হয় তখন ইউটিউব কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে চুক্তি করে তার ভিডিওগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন যুক্ত করে দেয়।

এর বিনিময়ে তাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয়। জানার বিষয় হচ্ছে, এভাবে অর্থ-উপার্জন করা বৈধ হবে কি না?

উত্তর: নিজের বানানো ভিডিওর সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন যুক্ত করার বিনিময়ে ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি নিরাপদ নয়।

কারণ ইউটিউব কখন কোন ধরনের এবং কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেবে তাতে ভিডিওদাতার এখতিয়ার থাকে না বরং এসব কিছু ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করে। সে তার ইচ্ছা মত যে কোনো বিজ্ঞাপন দিতে পারে।

অথচ বাছ-বিচার ছাড়া যে কোনো বিজ্ঞাপন যুক্ত করেই অর্থ-উপার্জন বৈধ নয়। বরং অর্থ-উপার্জন বৈধ হওয়ার বিষয়টি কিছু শর্তাবলীর ওপর নির্ভর করে।

১. যে বিষয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে সেটি বৈধ হওয়া।

২. বিজ্ঞাপনের চিত্র শরীয়ত পরিপন্থী না হওয়া।

৩. বিজ্ঞাপন ও এর ভাষা এবং উপস্থাপনের মধ্যে কোনো ধরনের ধোঁকা বা প্রতারণার আশ্রয় না নেয়া ইত্যাদি।

আর সাধারণত যেহেতু এসব শর্তাবলী রক্ষা করা ভিডিওদাতার পক্ষে সম্ভব হয় না, তাই এ ধরনের উপার্জন থেকে বিরত থাকা উচিত।

সূত্র: কিতাবুল আছল ৪/২০; বাদায়েউস সানায়ে ৪৪৬; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/২৮৪

ফতওয়াটি গবেষণামূলক উচ্চতর ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আল-ইসলামিয়া ঢাকা থেকে সংগৃহীত

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন কি জায়েজ?

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন কি জায়েজ?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্ন: আজকাল দেখা যায় অনেকে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে অর্থ-উপার্জন করে। 

আর তা এভাবে যে, কারো ভিডিওর যদি দর্শক (Viewer) বেশি হয় তখন ইউটিউব কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে চুক্তি করে তার ভিডিওগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন যুক্ত করে দেয়। 

এর বিনিময়ে তাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয়। জানার বিষয় হচ্ছে, এভাবে অর্থ-উপার্জন করা বৈধ হবে কি না?

উত্তর: নিজের বানানো ভিডিওর সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন যুক্ত করার বিনিময়ে ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি নিরাপদ নয়। 

কারণ ইউটিউব কখন কোন ধরনের এবং কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেবে তাতে ভিডিওদাতার এখতিয়ার থাকে না বরং এসব কিছু ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করে। সে তার ইচ্ছা মত যে কোনো বিজ্ঞাপন দিতে পারে। 

অথচ বাছ-বিচার ছাড়া যে কোনো বিজ্ঞাপন যুক্ত করেই অর্থ-উপার্জন বৈধ নয়। বরং অর্থ-উপার্জন বৈধ হওয়ার বিষয়টি কিছু শর্তাবলীর ওপর নির্ভর করে।

১. যে বিষয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে সেটি বৈধ হওয়া।

২. বিজ্ঞাপনের চিত্র শরীয়ত পরিপন্থী না হওয়া।

৩. বিজ্ঞাপন ও এর ভাষা এবং উপস্থাপনের মধ্যে কোনো ধরনের ধোঁকা বা প্রতারণার আশ্রয় না নেয়া ইত্যাদি।

আর সাধারণত যেহেতু এসব শর্তাবলী রক্ষা করা ভিডিওদাতার পক্ষে সম্ভব হয় না, তাই এ ধরনের উপার্জন থেকে বিরত থাকা উচিত।

সূত্র: কিতাবুল আছল ৪/২০; বাদায়েউস সানায়ে ৪৪৬; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/২৮৪
 
ফতওয়াটি গবেষণামূলক উচ্চতর ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আল-ইসলামিয়া ঢাকা থেকে সংগৃহীত

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন