ভ্রমণে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া
jugantor
ভ্রমণে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া

  ফরহাদ খান নাঈম  

২৪ মে ২০২১, ২১:১৮:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভ্রমণে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া

ইসলাম হচ্ছে একটি চমৎকার বাস্তবমুখী জীবনব্যবস্থা। ইসলামমানবজাতিকে তার জীবন সর্বোত্তমভাবে পরিচালিত করার যাবতীয় দিকনির্দেশনা ও নিয়মকানুন বাতলে দিয়েছে।

এক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর গোটা জীবনটাই আমাদের জন্য একান্ত অনুসরণীয় আদর্শ। আর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবীজীর (সা.) আদর্শকে অনুসরণ-অনুকরণ করার আদেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা।

ইসলামের একটি অন্যতম সৌন্দর্য হলো জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য এটি আমাদেরকে বিভিন্ন দোয়া শিক্ষা দিয়েছে। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমাতে যাওয়া ও উঠা-বসা থেকে শুরু করে ভ্রমণ করা পর্যন্ত সবকিছুর জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা দোয়া।

কাজেকর্মে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠে ফজিলত অর্জনের পাশাপাশি কাজে সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

ভ্রমণে যাওয়ার দোয়া-

উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হা-জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবুন। (সুরা যুখরূফ: আয়াত ১৩-১৪)

অর্থ: মহান পবিত্র তিনি, যিনি আমাদের জন্য এটাকে (যানবাহনকে) অধীন-নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন, নতুবা আমরাতো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদেরকে আমাদের প্রভুর নিকট অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।

ভ্রমণকালীন দোয়া পাঠের উপকারিতা

যখন মুসলমান ছোট কিংবা বড় কোনো সফরে বের হয়, তখন তার উচিত নবীজীর (সা.) শেখানো এ দোয়াটি পাঠ করা। এতে করে তার ভ্রমণ হবে নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত।

ক. ভ্রমণে বের হওয়ার সময় দোয়া পাঠ করলে ফিরে আসা পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে।

খ. ভ্রমণের শুরুতে দোয়া পাঠের কারণে পুরো ভ্রমণটাই তার জন্য ইবাদতে পরিণত হবে।

গ. আল্লাহতায়ালা দোয়া পাঠকারীর জন্য তার ভ্রমণকে সহজ করে দেন।

ঘ. দোয়া পাঠে ভ্রমণকালীণ প্রতিটি কাজে আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়।

সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষ রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। তাই ভ্রমণ আনন্দজনক হওয়ার পাশাপাশি কিছুটা বিপদজনকও বটে।

দুর্ঘটনা শুধুমাত্র সড়কপথে নয়; আকাশপথ ও নদীপথেও দুর্ঘটনার হার কম নয়। তাই প্রতিবার ভ্রমণের পূর্বে নিরাপত্তার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে। কারণ একমাত্র তিনিই আমাদেরকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা দান করতে পারেন।

আর হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের উচিত অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকা।

আর কখনো ভ্রমণে বের হলেও সম্ভাব্য সকল নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি নবীজীর (সা.) শেখানো দোয়া পাঠ করা।

ভ্রমণে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া

 ফরহাদ খান নাঈম 
২৪ মে ২০২১, ০৯:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভ্রমণে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া
ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম হচ্ছে একটি চমৎকার বাস্তবমুখী জীবনব্যবস্থা। ইসলাম মানবজাতিকে তার জীবন সর্বোত্তমভাবে পরিচালিত করার যাবতীয় দিকনির্দেশনা ও নিয়মকানুন বাতলে দিয়েছে। 

এক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর গোটা জীবনটাই আমাদের জন্য একান্ত অনুসরণীয় আদর্শ। আর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবীজীর (সা.) আদর্শকে অনুসরণ-অনুকরণ করার আদেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা।

ইসলামের একটি অন্যতম সৌন্দর্য হলো জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য এটি আমাদেরকে বিভিন্ন দোয়া শিক্ষা দিয়েছে। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমাতে যাওয়া ও উঠা-বসা থেকে শুরু করে ভ্রমণ করা পর্যন্ত সবকিছুর জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা দোয়া। 

কাজেকর্মে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠে ফজিলত অর্জনের পাশাপাশি কাজে সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। 

ভ্রমণে যাওয়ার দোয়া-
 
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হা-জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবুন। (সুরা যুখরূফ: আয়াত ১৩-১৪)

অর্থ: মহান পবিত্র তিনি, যিনি আমাদের জন্য এটাকে (যানবাহনকে) অধীন-নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন, নতুবা আমরাতো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদেরকে আমাদের প্রভুর নিকট অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।

ভ্রমণকালীন দোয়া পাঠের উপকারিতা

যখন মুসলমান ছোট কিংবা বড় কোনো সফরে বের হয়, তখন তার উচিত নবীজীর (সা.) শেখানো এ দোয়াটি পাঠ করা। এতে করে তার ভ্রমণ হবে নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত। 

ক. ভ্রমণে বের হওয়ার সময় দোয়া পাঠ করলে ফিরে আসা পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। 

খ. ভ্রমণের শুরুতে দোয়া পাঠের কারণে পুরো ভ্রমণটাই তার জন্য ইবাদতে পরিণত হবে।

গ. আল্লাহতায়ালা দোয়া পাঠকারীর জন্য তার ভ্রমণকে সহজ করে দেন।

ঘ. দোয়া পাঠে ভ্রমণকালীণ প্রতিটি কাজে আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়। 

সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষ রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। তাই ভ্রমণ আনন্দজনক হওয়ার পাশাপাশি কিছুটা বিপদজনকও বটে। 

দুর্ঘটনা শুধুমাত্র সড়কপথে নয়; আকাশপথ ও নদীপথেও দুর্ঘটনার হার কম নয়। তাই প্রতিবার ভ্রমণের পূর্বে নিরাপত্তার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে। কারণ একমাত্র তিনিই আমাদেরকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা দান করতে পারেন। 

আর হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের উচিত অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকা। 

আর কখনো ভ্রমণে বের হলেও সম্ভাব্য সকল নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি নবীজীর (সা.) শেখানো দোয়া পাঠ করা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন