মানসিক বিকৃতি বা উন্মাদনার চিকিৎসায় ইসলাম কী বলে
jugantor
মানসিক বিকৃতি বা উন্মাদনার চিকিৎসায় ইসলাম কী বলে

  ফরহাদ খান নাঈম  

১২ জুন ২০২১, ১৪:০৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মানসিক বিকৃতি বা উন্মাদনার চিকিৎসায় ইসলাম কী বলে

পৃথিবীতে ভয়ানক সব রোগের তালিকায় মানসিক বিকৃতি কিংবা উন্মাদনার স্থান সবার শীর্ষে। মানসিক উন্মাদগ্রস্ত ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। কখনো কখনো আক্রান্ত ব্যক্তির উন্মাদনা এতো বেড়ে যায় যে তার দ্বারা সমাজের অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মুসলমান হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে মানসিক রোগসহ এমন কোনো রোগ নেই যার চিকিৎসা আল্লাহতায়ালা দেননি। অতএব অন্যান্য রোগের মতো করে মানসিক উন্মাদগ্রস্ত তথা পাগলের চিকিৎসা করাও সম্ভব। তাহলে একদিকে যেমন পাগল নিজে তার পাগলামি থেকে রেহাই পাবে পাশাপাশি সমাজের লোকেরাও তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে।

বেশ কিছু সুন্নাহ ও অন্যান্য ভালো কাজ সম্পাদন করার মাধ্যমে পাগলের মানসিক অবস্থাকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা যায়। সেগুলো হলো-

১. নিয়মিত মধু পান করা
ইসলামে মধুকে সব রোগের ওষুধ মনে করা হয়। মধুর প্রাকৃতিক ওষুধি গুণাগুণ শরীরের যাবতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান বের করে দেয় যা মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য। পবিত্র কোরআনে মধুকে শেফা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবী ঈসা (আ.) ও আইয়ুব (আ.) এই মধু থেকে বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছিলেন।

২. আল্লাহর কাছে দোয়া করা

আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র ওষুধ সেবনের মাধ্যমে কোনো রোগই নিরাময় হয় না। তাই চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি যেকোনো রোগমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই।

৩. রুকাইয়া করা

রুকাইয়ার পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের জিকির, হাদিসে রাসুল (সা.) অথবা সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোনো বিপদ থেকে মুক্তি চাওয়া কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করা। কখনো কখনো শয়তান মানুষের হৃদয়কে সবধরনের কল্যাণ থেকে বিমুখ করে রাখে। সুতরাং শয়তানের আবিষ্টতা থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর কালাম পাঠ করার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

৪. সর্বদা হালাল ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা

আপনি তা-ই যা আপনি খান। সুতরাং অস্বাস্থ্যকর ও হারাম খাবার গ্রহণ করলে এটি নিশ্চিতভাবে আমাদের শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। মাঝেমধ্যে আমরা এমন অনেককেই দেখি, যারা হারাম খেয়ে দিব্যি সুস্থ আছে; কিন্তু তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে জানা যাবে, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত।

৫. শুধুমাত্র হালাল ওষুধ সেবন করা

ইসলাম সব রোগের জন্য হালাল ওষুধ সেবন করতে বলেছে। সুতরাং কোনো ওষুধ গ্রহণের আগে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে, সেটি বানানোর ক্ষেত্রে কোনো হারাম উপাদান ব্যবহার করা হয়নি।

৬. বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা

একজন মুসলমানের জীবনের প্রতিটি সমস্যার সমাধান দিয়েছে আল-কোরআন। পবিত্র কোরআনকে মুমিনদের জন্য শেফা ও রহমত হিসেবে নাজিল করা হয়েছে। তাই মানসিক ও শারীরিক যাবতীয় রোগের আরোগ্যের জন্য আমাদেরকে কোরআনের দ্বারস্থ হতে হবে। নিয়মিত অর্থ বুঝে বুঝে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করতে হবে।

৭. নিজের ঈমান খাঁটি করা

পাগলের পাগলামি আসলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর শয়তানের কুপ্রভাবের একটি বহিঃপ্রকাশ। যে সব লোকেরা আল্লাহতায়ালার পথ থেকে দূরে সরে যায়, শয়তান খুব সহজেই তাদের হৃদয়ে অনুপ্রবেশ করে। তাই দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করার মাধ্যমে আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করতে হবে। তখন আর শয়তান আমাদের হৃদয়ে বাসা বাঁধতে পারবে না।

৮. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা

ইসলামে প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ নয়। তাই উন্মাদনাসহ সর্বপ্রকার মানসিক রোগের জন্য একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। আল্লাহর নিকট দোয়া করার পাশাপাশি ডাক্তারের দেওয়া ঔষধ-পথ্য চালিয়ে যেতে হবে।

৯. সর্বদা আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকা

আমরা যেখানেই যাই, যা-ই করি, সবসময় আমাদের জিহ্বাকে আল্লাহর জিকির দ্বারা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সার্বক্ষণিক আল্লাহর স্মরণ আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে। জিকির আমাদের হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে আসে; এবং এর দ্বারা শয়তান আমাদের হৃদয়ের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারে না।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়। (সুরা রাদ: ২৮)

১০. তওবা করা

সকল মানুষই কমবেশি পাপাচারে লিপ্ত। জীবন চলার পথে হরহামেশাই আমরা ভুল করি; কিন্তু কৃত অপরাধের জন্য আমরা খুব কমই অনুশোচনা বোধ করি। হৃদয় ও মনকে নিষ্কলুষ রাখতে হলে পাপাচার থেকে মুক্ত থাকার কোনো বিকল্প নেই। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে কখনো ভুল করে ফেললেও সঙ্গে সঙ্গে তা থেকে তাওবা করে নিতে হবে ও আল্লাহর সাথে এই মর্মে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে যে, আমি আর কখনো এই পাপে লিপ্ত হবো না।

১১. থেরাপি গ্রহণ করা

উন্মাদনা থেকে বাঁচতে আধ্যাত্মিক উপায় অবলম্বন করার পাশাপাশি এর জন্য নির্ধারিত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। একজন অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের কাছে গিয়ে নিয়মমাফিক থেরাপি গ্রহণ করা এই সমস্ত মানসিক রোগের একটি অন্যতম চিকিৎসা।

১২. পরিবারের সান্নিধ্যে থাকা

মানসিক যেকোনো রোগের সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান হলো পরিবারের ভালোবাসা লাভ করা। সবসময় প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যে থাকার চেষ্টা করা, এতে মনের যাবতীয় ক্ষোভ ও হতাশা দূর হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, জীবনের সুখ শান্তি ষোল আনাই নির্ভর করে মানসিক প্রশান্তির ওপর।

মানসিক বিকৃতি বা উন্মাদনার চিকিৎসায় ইসলাম কী বলে

 ফরহাদ খান নাঈম 
১২ জুন ২০২১, ০২:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানসিক বিকৃতি বা উন্মাদনার চিকিৎসায় ইসলাম কী বলে
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীতে ভয়ানক সব রোগের তালিকায় মানসিক বিকৃতি কিংবা উন্মাদনার স্থান সবার শীর্ষে। মানসিক উন্মাদগ্রস্ত ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। কখনো কখনো আক্রান্ত ব্যক্তির উন্মাদনা এতো বেড়ে যায় যে তার দ্বারা সমাজের অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

মুসলমান হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে মানসিক রোগসহ এমন কোনো রোগ নেই যার চিকিৎসা আল্লাহতায়ালা দেননি। অতএব অন্যান্য রোগের মতো করে মানসিক উন্মাদগ্রস্ত তথা পাগলের চিকিৎসা করাও সম্ভব। তাহলে একদিকে যেমন পাগল নিজে তার পাগলামি থেকে রেহাই পাবে পাশাপাশি সমাজের লোকেরাও তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে। 
 
বেশ কিছু সুন্নাহ ও অন্যান্য ভালো কাজ সম্পাদন করার মাধ্যমে পাগলের মানসিক অবস্থাকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা যায়। সেগুলো হলো- 
 
১. নিয়মিত মধু পান করা 
ইসলামে মধুকে সব রোগের ওষুধ মনে করা হয়। মধুর প্রাকৃতিক ওষুধি গুণাগুণ শরীরের যাবতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান বের করে দেয় যা মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য। পবিত্র কোরআনে মধুকে শেফা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবী ঈসা (আ.) ও আইয়ুব (আ.) এই মধু থেকে বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছিলেন। 

২. আল্লাহর কাছে দোয়া করা

আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র ওষুধ সেবনের মাধ্যমে কোনো রোগই নিরাময় হয় না। তাই চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি যেকোনো রোগমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই। 

৩. রুকাইয়া করা

রুকাইয়ার পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের জিকির, হাদিসে রাসুল (সা.) অথবা সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোনো বিপদ থেকে মুক্তি চাওয়া কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করা। কখনো কখনো শয়তান মানুষের হৃদয়কে সবধরনের কল্যাণ থেকে বিমুখ করে রাখে। সুতরাং শয়তানের আবিষ্টতা থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর কালাম পাঠ করার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। 

৪. সর্বদা হালাল ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা

আপনি তা-ই যা আপনি খান। সুতরাং অস্বাস্থ্যকর ও হারাম খাবার গ্রহণ করলে এটি নিশ্চিতভাবে আমাদের শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। মাঝেমধ্যে আমরা এমন অনেককেই দেখি, যারা হারাম খেয়ে দিব্যি সুস্থ আছে; কিন্তু তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে জানা যাবে, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত। 

৫. শুধুমাত্র হালাল ওষুধ সেবন করা

ইসলাম সব রোগের জন্য হালাল ওষুধ সেবন করতে বলেছে। সুতরাং কোনো ওষুধ গ্রহণের আগে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে, সেটি বানানোর ক্ষেত্রে কোনো হারাম উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। 

৬. বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা

একজন মুসলমানের জীবনের প্রতিটি সমস্যার সমাধান দিয়েছে আল-কোরআন। পবিত্র কোরআনকে মুমিনদের জন্য শেফা ও রহমত হিসেবে নাজিল করা হয়েছে। তাই মানসিক ও শারীরিক যাবতীয় রোগের আরোগ্যের জন্য আমাদেরকে কোরআনের দ্বারস্থ হতে হবে। নিয়মিত অর্থ বুঝে বুঝে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করতে হবে। 

৭. নিজের ঈমান খাঁটি করা

পাগলের পাগলামি আসলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর শয়তানের কুপ্রভাবের একটি বহিঃপ্রকাশ। যে সব লোকেরা আল্লাহতায়ালার পথ থেকে দূরে সরে যায়, শয়তান খুব সহজেই তাদের হৃদয়ে অনুপ্রবেশ করে। তাই দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করার মাধ্যমে আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করতে হবে। তখন আর শয়তান আমাদের হৃদয়ে বাসা বাঁধতে পারবে না। 

৮. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা

ইসলামে প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ নয়। তাই উন্মাদনাসহ সর্বপ্রকার মানসিক রোগের জন্য একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। আল্লাহর নিকট দোয়া করার পাশাপাশি ডাক্তারের দেওয়া ঔষধ-পথ্য চালিয়ে যেতে হবে। 

৯. সর্বদা আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকা

আমরা যেখানেই যাই, যা-ই করি, সবসময় আমাদের জিহ্বাকে আল্লাহর জিকির দ্বারা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সার্বক্ষণিক আল্লাহর স্মরণ আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে। জিকির আমাদের হৃদয়ে প্রশান্তি নিয়ে আসে; এবং এর দ্বারা শয়তান আমাদের হৃদয়ের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারে না।  

আল্লাহ তায়ালা বলেন- যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়। (সুরা রাদ: ২৮)

১০. তওবা করা

সকল মানুষই কমবেশি পাপাচারে লিপ্ত। জীবন চলার পথে হরহামেশাই আমরা ভুল করি; কিন্তু কৃত অপরাধের জন্য আমরা খুব কমই অনুশোচনা বোধ করি। হৃদয় ও মনকে নিষ্কলুষ রাখতে হলে পাপাচার থেকে মুক্ত থাকার কোনো বিকল্প নেই। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে কখনো ভুল করে ফেললেও সঙ্গে সঙ্গে তা থেকে তাওবা করে নিতে হবে ও আল্লাহর সাথে এই মর্মে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে যে, আমি আর কখনো এই পাপে লিপ্ত হবো না।

১১. থেরাপি গ্রহণ করা

উন্মাদনা থেকে বাঁচতে আধ্যাত্মিক উপায় অবলম্বন করার পাশাপাশি এর জন্য নির্ধারিত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। একজন অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের কাছে গিয়ে নিয়মমাফিক থেরাপি গ্রহণ করা এই সমস্ত মানসিক রোগের একটি অন্যতম চিকিৎসা।

১২. পরিবারের সান্নিধ্যে থাকা

মানসিক যেকোনো রোগের সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান হলো পরিবারের ভালোবাসা লাভ করা। সবসময় প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যে থাকার চেষ্টা করা, এতে মনের যাবতীয় ক্ষোভ ও হতাশা দূর হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, জীবনের সুখ শান্তি ষোল আনাই নির্ভর করে মানসিক প্রশান্তির ওপর।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন