সমঝোতায় পৌঁছেছে তাবলিগের উভয়পক্ষ

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০১৮, ১৮:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, দিনভর উত্তেজনার পর পুলিশের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছেন তাবলিগ জামাতের মুরব্বীগণ। 

শনিবার দুপুরে কাকরাইল মসজিদে চলমান সমস্যা সমাধানে শুরা সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সমঝোতা হয়।

সূত্র জানায়, বৈঠকে দুটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মারকাজ মসজিদের বাইরে অবস্থান করবেন।

এছাড়া দুই গ্রুপের চারজন শুরা সদস্য সাময়িকভাবে মারকাজ মসজিদে আসতে পারবেন না। 

তারা হলেন, (নিজামুদ্দীন অনুসারী) মাওলানা আবদুল্লাহ, ড. কাজি এরতেজা হাসান। (আলমী শুরার) ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ হান্নান ও আজগর আলী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, মসজিদের পরিবেশ রক্ষায় ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে কাকরাইল মসজিদ থেকে বহিরাগতদের বের করে দেয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, মসজিদের স্বাভাবিক কাজকর্ম চলবে। বাইরে থেকে কেউ এসে মসজিদে অবস্থান করতে পারবেন না। তবে নামাজ আদায় করা যাবে।

বৈঠকে সুরার ৮ জন সদস্য এবং ডিবি’র প্রধান আবদুল বাতেন, রমনা থানার ডিসি মারুফসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সুরা সদ্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা জুবায়ের , সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম,মাওলানা রবিউল হক, মাওলানা ওমর ফারুক, খান শাহাবুদ্দিন নাসিম, মাওলানা ফারুক প্রমুখ।

তাবলিগের মার্কাজ কাকরাইল গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে নিয়ন্ত্রণ ও দখলে নেয় আলমী সুরার লোকজন। 

এ সময় তারা নিজামুদ্দীনের অনূগত সুরা সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে। শুক্রবার জুমার সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে শনিবার সকালে তারা আবারও কাকরাইল আসে।

মাশোওয়ার কক্ষ দখলে নিতে চাইলে এ সময় দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। যার প্রেক্ষিতে আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনী কাকরাইল মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়। 

কাকরাইল মসজিদ ও আশপাশের সড়কে এখনও বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।