ফেসবুকে ফেক আইডি খোলা কি জায়েজ?
jugantor
ফেসবুকে ফেক আইডি খোলা কি জায়েজ?

  আবদুর রহমান হোসাইনী  

০১ আগস্ট ২০২১, ১৭:০৭:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেসবুকে ফেক আইডি খোলা কি জায়েজ?

প্রশ্ন: ফেসবুকে ফেক আইডি খোলার বিধান কি, যেখানে ফেক আইডি খোলা আইনগত নিষিদ্ধ, এবং এর দ্বারা ধোঁকার প্রবঞ্চনাও বেশি?

উত্তর: ফেসবুকে ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনেও এটি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তা বন্ধ করে দিচ্ছে।

ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা এবং মানুষকে ধোঁকা দেওয়াসহ নানা ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়। তৈরি করা হয় সমাজে অস্থিতিশীলতা। সৃষ্টি করা হয় দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ নানা ধরনের অনৈতিক, অসামাজিক ও অনৈসলামিক অপরাধ।

এ ছাড়া ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মানুষের মধ্যে পেনিক তৈরি করা হয়। দেশে সৃষ্টি করা হয় অরাজকতা ।গণ্যমান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে চালানো হয় অপপ্রচার।

ইসলাম ধর্ম নিয়ে চালানো হয় বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা এবং ইসলামের নবী সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করা হয়, যা একটি শান্তি-সুশৃঙ্খল সমাজের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এ জন্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা ফেক আইডি খোলা নাজায়েজ। (শুআবুল ইমান, হাদিস ৬৯৭৮)

ফেসবুকে ফেক আইডি খোলা কি জায়েজ?

 আবদুর রহমান হোসাইনী 
০১ আগস্ট ২০২১, ০৫:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফেসবুকে ফেক আইডি খোলা কি জায়েজ?
ফাইল ছবি

প্রশ্ন: ফেসবুকে ফেক আইডি খোলার বিধান কি, যেখানে ফেক আইডি খোলা আইনগত নিষিদ্ধ, এবং এর দ্বারা ধোঁকার প্রবঞ্চনাও বেশি?

উত্তর: ফেসবুকে ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনেও এটি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তা বন্ধ করে দিচ্ছে।

ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা এবং মানুষকে ধোঁকা দেওয়াসহ নানা ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়। তৈরি করা হয় সমাজে অস্থিতিশীলতা। সৃষ্টি করা হয় দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ নানা ধরনের অনৈতিক, অসামাজিক ও অনৈসলামিক অপরাধ।

এ ছাড়া ফেক আইডি বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মানুষের মধ্যে পেনিক তৈরি করা হয়। দেশে সৃষ্টি করা হয় অরাজকতা ।গণ্যমান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে চালানো হয় অপপ্রচার।

ইসলাম ধর্ম নিয়ে চালানো হয় বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা এবং ইসলামের নবী সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করা হয়, যা একটি শান্তি-সুশৃঙ্খল সমাজের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 এ জন্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা ফেক আইডি খোলা নাজায়েজ। (শুআবুল ইমান, হাদিস ৬৯৭৮)
              

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন