যেভাবে লেনদেন করলে গুনাহ মাফ হয়
jugantor
যেভাবে লেনদেন করলে গুনাহ মাফ হয়

  মুহাম্মাদ ফজলুল বারী  

২৩ আগস্ট ২০২১, ১৯:৪৬:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

যেসব আমলে গুনাহ মাফ হয়

সমাজে চলতে একে অপরের সঙ্গে যে লেনদেন সবচেয়ে বেশি হয় তা হল, বেচা-কেনা। তেমনি ঋণ আদান-প্রদানও করে থাকি আমরা। এখন বেচা-কেনা এবং ঋণ আদান-প্রদানে যদি আমরা সহজ হই তাহলে আল্লাহ আমাদের প্রতি সহজ হবেন। আমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দেবেন।

বিক্রির ক্ষেত্রে সহজতা- যেমন, ক্রেতাকে ভালো পণ্যটি দিতে চেষ্টা করা কিংবা ক্রেতার প্রয়োজন বিবেচনায় অল্প লাভে পণ্য বিক্রি করে দেওয়া; তেমনি ক্রেতা বাকি চাইলে তাকে সুযোগ দেওয়া অথবা কেনার পর ফেরৎ দিতে চাইলে গ্রহণ করা এবং মূল্য ফিরিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।

ক্রয়ের ক্ষেত্রে সহজতা হল, কথামতো মূল্য পরিশোধ করে দেওয়া, কোনো টালবাহানা না করা। বিক্রেতার যাতে লাভ হয় সেদিকে খেয়াল রাখা ইত্যাদি। মোটকথা ক্রেতা-বিক্রেতা একে অপরের সুবিধার প্রতি লক্ষ রাখা।

ঋণ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহজতার বিষয়টি আমরা সহজেই বুঝতে পারি। কারো প্রয়োজনে স্বতস্ফূর্ত ঋণ দেওয়াটাই ঋণগ্রহিতার সঙ্গে প্রথম সহজ আচরণ। এরপর সম্ভব হলে সে যে মেয়াদে ঋণ নিতে চায় তা গ্রহণ করা। তেমনি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরিশোধ করতে না পারলে তার ওযর গ্রহণ করা এবং সুযোগ দেওয়া। তার সাথে ভালো আচরণ করা ইত্যাদি।

তেমনি ঋণগ্রহিতা ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে টালবাহানা না করা; ওজর না থাকলে সময়মত ঋণ পরিশোধ করা। ওজর থাকলে ঋণদাতাকে জানানো ইত্যাদি।

এভাবে লেনদেনে যে ব্যক্তি সহজতা অবলম্বন করবে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন, যেমন পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তিকে মাফ করে দিয়েছেন।

হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আল্লাহতায়ালা পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন; কারণ সে বেচা-কেনার সময় সহজতা অবলম্বন করত। ঋণ আদায়ের সময় সহজতা অবলম্বন করত। অন্যের কাছে ঋণ তলবের সময়ও সহজতা অবলম্বন করত।

(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ১৪৬৫৮; জামে তিরমিযী, হাদিস ১৩২০; শুআবুল ঈমান, বায়হাকী, হাদিস ১০৭৪২)

যেভাবে লেনদেন করলে গুনাহ মাফ হয়

 মুহাম্মাদ ফজলুল বারী 
২৩ আগস্ট ২০২১, ০৭:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যেসব আমলে গুনাহ মাফ হয়
ছবি: সংগৃহীত

সমাজে চলতে একে অপরের সঙ্গে যে লেনদেন সবচেয়ে বেশি হয় তা হল, বেচা-কেনা। তেমনি ঋণ আদান-প্রদানও করে থাকি আমরা। এখন বেচা-কেনা এবং ঋণ আদান-প্রদানে যদি আমরা সহজ হই তাহলে আল্লাহ আমাদের প্রতি সহজ হবেন। আমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দেবেন।

বিক্রির ক্ষেত্রে সহজতা- যেমন, ক্রেতাকে ভালো পণ্যটি দিতে চেষ্টা করা কিংবা ক্রেতার প্রয়োজন বিবেচনায় অল্প লাভে পণ্য বিক্রি করে দেওয়া; তেমনি ক্রেতা বাকি চাইলে তাকে সুযোগ দেওয়া অথবা কেনার পর ফেরৎ দিতে চাইলে গ্রহণ করা এবং মূল্য ফিরিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।  

ক্রয়ের ক্ষেত্রে সহজতা হল, কথামতো মূল্য পরিশোধ করে দেওয়া, কোনো টালবাহানা না করা। বিক্রেতার যাতে লাভ হয় সেদিকে খেয়াল রাখা ইত্যাদি। মোটকথা ক্রেতা-বিক্রেতা একে অপরের সুবিধার প্রতি লক্ষ রাখা।

ঋণ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহজতার বিষয়টি আমরা সহজেই বুঝতে পারি। কারো প্রয়োজনে স্বতস্ফূর্ত ঋণ দেওয়াটাই ঋণগ্রহিতার সঙ্গে প্রথম সহজ আচরণ। এরপর সম্ভব হলে সে যে মেয়াদে ঋণ নিতে চায় তা গ্রহণ করা। তেমনি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরিশোধ করতে না পারলে তার ওযর গ্রহণ করা এবং সুযোগ দেওয়া। তার সাথে ভালো আচরণ করা ইত্যাদি। 

তেমনি ঋণগ্রহিতা ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে টালবাহানা না করা; ওজর না থাকলে সময়মত ঋণ পরিশোধ করা। ওজর থাকলে ঋণদাতাকে জানানো ইত্যাদি। 

এভাবে লেনদেনে যে ব্যক্তি সহজতা অবলম্বন করবে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন, যেমন পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তিকে মাফ করে দিয়েছেন। 

হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আল্লাহতায়ালা পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন; কারণ সে বেচা-কেনার সময় সহজতা অবলম্বন করত। ঋণ আদায়ের সময় সহজতা অবলম্বন করত। অন্যের কাছে ঋণ তলবের সময়ও সহজতা অবলম্বন করত। 

(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ১৪৬৫৮; জামে তিরমিযী, হাদিস ১৩২০; শুআবুল ঈমান, বায়হাকী, হাদিস ১০৭৪২)

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন