সমাজ সংশোধনে লোকমান হাকিমের অমূল্য উপদেশ
jugantor
ঢাকায় সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদীর বয়ান
সমাজ সংশোধনে লোকমান হাকিমের অমূল্য উপদেশ

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ নভেম্বর ২০২১, ১২:১৪:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

উত্তরায় জামিয়াতুন নুর আল কাসেমিয়া

রাজধানীর উত্তরায় জামিয়াতুন নুর আল কাসেমিয়া নামে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিস্থাপন করেছেন ভারতের শাহী মুরাদাবাদ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আওলাদে রাসুল আল্লামা সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী।

শুক্রবার তুরাগস্থ উত্তরা নয়ানগর চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়ে ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপনের পূর্বে জুমার নামাজের ইমামতি ও খুতবা প্রদান করেন তিনি।

জুমার খুতবায় আল্লামা সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী বলেন, লোকমান হাকিমের (রহ.) নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। মহাসত্যের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব পবিত্র কুরআনুল কারীমেও এই মহা মনীষীর নাম উল্লেখ আছে। এমনকি উল্লেখ আছে তার উপদেশও। যা তিনি নিজের ছেলের উদ্দেশ্যে করেছিলেন।

তখনকার মানুষ লোকমান হাকিমের (রহ.) উপদেশ শুনতে দূর-দূরান্ত থেকে আসতো এবং ভীড় জমাতো।

নিজ সন্তানকে উদ্দেশ্য করে যে নসিহত তিনি করেছিলেন তা আল্লাহর কাছে এতটাই পছন্দ হয়েছে যে, মহান আল্লাহতায়ালা তা কুরআনুল কারীমে নাজিল করেন। মনে রাখবেন এই নসিহত কেবল সেকালের লোকদের জন্য না, তা সর্বযুগে সর্বশ্রেণীর লোকদের জন্য। আর আমি সেখান থেকে চারটি নসিহত আপনাদেরকে শোনাব ইনশা আল্লাহ।

‘হে আমার সন্তান! কোন বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় অতঃপর তা যদি পাথরের ভেতর অথবা আকাশে কিংবা ভূ-গর্ভেও (লুকায়িত) থাকে, তবে আল্লাহ তা (কিয়ামতের দিন হিসাব নিকাশের জন্য) উপস্থিত করবেন। কারণ, আল্লাহ গুপ্ত বিষয় জানেন, সবকিছুর খবর রাখেন।’ (সূরা লোকমান, আয়াত: ১৬)

সুতরাং মনে রাখবেন! আপনি যত ছোট গুনাহ যত গোপনেই করেন না কেন, আল্লাহতায়ালা তার হিসাব নিবেন। তিনি সর্বদ্রষ্টা। তাই আমাদের কর্তব্য হল, গুনাহের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা। যদি না করি আমরা, তাহলে বুঝে নিবেন আমরা কোনদিন মানুষই হতে পারিনি। আমরা পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট।

সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী তার বয়ানে আরও বলেন, এটা স্পষ্ট কথা, যে হৃদয়ে আল্লাহর ভয় নেই সে হৃদয়ের অধিকারী ব্যাক্তি কোনোদিন মানুষ হতে পারেনি। সে বরং নিকৃষ্ট জানোয়ার। যেমনটা আল্লাহতায়ালা কুরআনে বলেছেন, ‘এরা চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়; বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত! তারাই হল উদাসীন। (সূরা আ’রাফ, আয়াত: ১৭৯)

কেননা আল্লাহর ভয় না থাকলে মানুষ কোনো ধরনের গুনাহ থেকেও বাঁচতে পারেনা।

‘বৎস হে, নামাজ কায়েম করো।’ (সূরা লুকমান, আয়াত: ১৭) লোকমান হাকিমের এই উপদেশ মুসলিম উম্মাহর জন্য অপরিসীম গুরুত্ব রাখে। অথচ আমাদের বাস্তবতা হল, আমরা নামাজ ছেড়ে মোবাইলে সময় ব্যায় করি। মোবাইল দিয়ে কত যে গুনাহ করি তার হিসাব মিলানো ভার। ভাইয়েরা আমার! আমার রব সব দেখেন। হিসাবও নেবেন।

তিনি বলেন, নামাজের ব্যাপারে আমরা এতটাই উদাসীন যে, অনেকেই আমরা এমন আছি যারা শুধু জুমার নামাজটা পড়ি। আবার অনেকেই এমন আছি, যারা দুই বা তিন ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আহা! কতটা কষ্টের কথা। আমরা যারা এমন করি তারা কেবল নিজের মনের বা কুপ্রবৃত্তির পূজা করি, আল্লাহর ইবাদত কখনোই করিনা।

‘সৎ কাজের আদেশ করো এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।’ (সুরা লুকমান, আয়াত: ১৭)

দেখুন, এখানে একটা লক্ষণীয় ব্যাপার আছে, লুকমান হাকিম তার ছেলেকে উপদেশ দিয়েছেন ‘নিজের সঙ্গে নিজের সমাজটাও ঠিক করো।’

সাইয়িদ আশহাদ রশিদী হাফিজাহুল্লাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা সমাজ শোধরানোর কথা চিন্তা করুন! সৎ কাজের আদেশ দেন এবং পাশাপাশি অসৎ কাজ হতে মানুষদেরকে নিষেধ করেন।

যদি পুরো সমাজ কোন অন্যায় কাজে লিপ্ত থাকে তাহলে পুরো সমাজকে অন্যায় থেকে ফেরানো আপনাদের কাজ, এবং মনে রাখবেন অন্তত চেষ্টা করা আপনাদের কাজ। আর এটাই ইবাদত। আপনি যদি ভাবেন যে, আপনি একা গুনাহ মুক্ত জীবন গড়তে পারলেই বেঁচে যাবেন তাহলে ভুল। কারণ সমাজকে গুনাহ থেকে ফেরানোর চেষ্টা না করে আপনি প্রমাণ করলেন, সমাজের উপর আপনার কোন দায়বদ্ধতা নেই। এতে করে আপনিও অপরাধী ব্যক্তির বরাবর হবেন। এবং এহেন কর্মকাণ্ডের কারণেই যখন আল্লাহর গজব আসবে তখন পুরো সমাজের উপর আসবে।

ভিত্তিস্থাপন অনুষ্ঠানে ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার মুহতামিম এবং স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুমার নামাজ শেষে আওলাদে রাসূল সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী’সহ শীর্ষ স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জামিয়া ক্যাম্পাস উদ্বোধন করেন এবং আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর (রহ.) মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলামা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মুফতি মহিউদ্দিন মাসুম, মুফতি শফিকুল ইসলাম, মাওলানা আমজাদ মাহমুদী, মাওলানা মাসউদুল করীম, মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা মাহবুবুল্লাহ, মাওলানা খন্দকার মনসুর, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাওলানা শাহেদ জহেরী, মুফতি গোলাম মাওলা, মাওলানা ইসহাক কামাল, মাওলানা এখলাসুর রহমান রিয়াদ, মাওলানা হুযাইফা ইবনে ওমর, নাজমুল হাসান বিন নূরী প্রমুখ।

ঢাকায় সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদীর বয়ান

সমাজ সংশোধনে লোকমান হাকিমের অমূল্য উপদেশ

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ নভেম্বর ২০২১, ১২:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উত্তরায় জামিয়াতুন নুর আল কাসেমিয়া
উত্তরায় জামিয়াতুন নুর আল কাসেমিয়ার ভিত্তিস্থাপন করেছেন ভারতের শাহী মুরাদাবাদ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আওলাদে রাসুল আল্লামা সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী।

রাজধানীর উত্তরায় জামিয়াতুন নুর আল কাসেমিয়া নামে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিস্থাপন করেছেন ভারতের শাহী মুরাদাবাদ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আওলাদে রাসুল আল্লামা সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী।

শুক্রবার তুরাগস্থ উত্তরা নয়ানগর চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়ে ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপনের পূর্বে জুমার নামাজের ইমামতি ও খুতবা প্রদান করেন তিনি।

জুমার খুতবায় আল্লামা সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী বলেন, লোকমান হাকিমের (রহ.) নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। মহাসত্যের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব পবিত্র কুরআনুল কারীমেও এই মহা মনীষীর নাম উল্লেখ আছে। এমনকি উল্লেখ আছে তার উপদেশও। যা তিনি নিজের ছেলের উদ্দেশ্যে করেছিলেন।

তখনকার মানুষ লোকমান হাকিমের (রহ.) উপদেশ শুনতে দূর-দূরান্ত থেকে আসতো এবং ভীড় জমাতো। 

নিজ সন্তানকে উদ্দেশ্য করে যে নসিহত তিনি করেছিলেন তা আল্লাহর কাছে এতটাই পছন্দ হয়েছে যে, মহান আল্লাহতায়ালা তা কুরআনুল কারীমে নাজিল করেন। মনে রাখবেন এই নসিহত কেবল সেকালের লোকদের জন্য না, তা সর্বযুগে সর্বশ্রেণীর লোকদের জন্য। আর আমি সেখান থেকে চারটি নসিহত আপনাদেরকে শোনাব ইনশা আল্লাহ।

‘হে আমার সন্তান! কোন বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় অতঃপর তা যদি পাথরের ভেতর অথবা আকাশে কিংবা ভূ-গর্ভেও (লুকায়িত) থাকে, তবে আল্লাহ তা (কিয়ামতের দিন হিসাব নিকাশের জন্য) উপস্থিত করবেন। কারণ, আল্লাহ গুপ্ত বিষয় জানেন, সবকিছুর খবর রাখেন।’ (সূরা লোকমান, আয়াত: ১৬)

সুতরাং মনে রাখবেন! আপনি যত ছোট গুনাহ যত গোপনেই করেন না কেন, আল্লাহতায়ালা তার হিসাব নিবেন। তিনি সর্বদ্রষ্টা। তাই আমাদের কর্তব্য হল, গুনাহের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা। যদি না করি আমরা, তাহলে বুঝে নিবেন আমরা কোনদিন মানুষই হতে পারিনি। আমরা পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট।

সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী তার বয়ানে আরও বলেন, এটা স্পষ্ট কথা, যে হৃদয়ে আল্লাহর ভয় নেই সে হৃদয়ের অধিকারী ব্যাক্তি কোনোদিন মানুষ হতে পারেনি। সে বরং নিকৃষ্ট জানোয়ার। যেমনটা আল্লাহতায়ালা কুরআনে বলেছেন, ‘এরা চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়; বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত! তারাই হল উদাসীন। (সূরা আ’রাফ, আয়াত: ১৭৯)

কেননা আল্লাহর ভয় না থাকলে মানুষ কোনো ধরনের গুনাহ থেকেও বাঁচতে পারেনা।

‘বৎস হে, নামাজ কায়েম করো।’ (সূরা লুকমান, আয়াত: ১৭) লোকমান হাকিমের এই উপদেশ মুসলিম উম্মাহর জন্য অপরিসীম গুরুত্ব রাখে। অথচ আমাদের বাস্তবতা হল, আমরা নামাজ ছেড়ে মোবাইলে সময় ব্যায় করি। মোবাইল দিয়ে কত যে গুনাহ করি তার হিসাব মিলানো ভার। ভাইয়েরা আমার! আমার রব সব দেখেন। হিসাবও নেবেন।

তিনি বলেন, নামাজের ব্যাপারে আমরা এতটাই উদাসীন যে, অনেকেই আমরা এমন আছি যারা শুধু জুমার নামাজটা পড়ি। আবার অনেকেই এমন আছি, যারা দুই বা তিন ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আহা! কতটা কষ্টের কথা। আমরা যারা এমন করি তারা কেবল নিজের মনের বা কুপ্রবৃত্তির পূজা করি, আল্লাহর ইবাদত কখনোই করিনা। 

‘সৎ কাজের আদেশ করো এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।’ (সুরা লুকমান, আয়াত: ১৭)

দেখুন, এখানে একটা লক্ষণীয় ব্যাপার আছে, লুকমান হাকিম তার ছেলেকে উপদেশ দিয়েছেন ‘নিজের সঙ্গে নিজের সমাজটাও ঠিক করো।’

সাইয়িদ আশহাদ রশিদী হাফিজাহুল্লাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা সমাজ শোধরানোর কথা চিন্তা করুন! সৎ কাজের আদেশ দেন এবং পাশাপাশি অসৎ কাজ হতে মানুষদেরকে নিষেধ করেন।

যদি পুরো সমাজ কোন অন্যায় কাজে লিপ্ত থাকে তাহলে পুরো সমাজকে অন্যায় থেকে ফেরানো আপনাদের কাজ, এবং মনে রাখবেন অন্তত চেষ্টা করা আপনাদের কাজ। আর এটাই ইবাদত। আপনি যদি ভাবেন যে, আপনি একা গুনাহ মুক্ত জীবন গড়তে পারলেই বেঁচে যাবেন তাহলে ভুল। কারণ সমাজকে গুনাহ থেকে ফেরানোর চেষ্টা না করে আপনি প্রমাণ করলেন, সমাজের উপর আপনার কোন দায়বদ্ধতা নেই। এতে করে আপনিও অপরাধী ব্যক্তির বরাবর হবেন। এবং এহেন কর্মকাণ্ডের কারণেই যখন আল্লাহর গজব আসবে তখন পুরো সমাজের উপর আসবে।

ভিত্তিস্থাপন অনুষ্ঠানে ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার মুহতামিম এবং স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুমার নামাজ শেষে আওলাদে রাসূল সাইয়্যেদ আশহাদ রশিদী’সহ শীর্ষ স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জামিয়া ক্যাম্পাস উদ্বোধন করেন এবং আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর (রহ.) মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলামা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মুফতি মহিউদ্দিন মাসুম, মুফতি শফিকুল ইসলাম, মাওলানা আমজাদ মাহমুদী, মাওলানা মাসউদুল করীম, মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা মাহবুবুল্লাহ, মাওলানা খন্দকার মনসুর, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাওলানা শাহেদ জহেরী, মুফতি গোলাম মাওলা, মাওলানা ইসহাক কামাল, মাওলানা এখলাসুর রহমান রিয়াদ, মাওলানা হুযাইফা ইবনে ওমর, নাজমুল হাসান বিন নূরী প্রমুখ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন