মুসা আল হাফিজের ‘আল্লাহকে যে পাইতে চায়’
jugantor
মুসা আল হাফিজের ‘আল্লাহকে যে পাইতে চায়’

  আবদুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী  

২৪ এপ্রিল ২০২২, ১১:২৩:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

মানুষের মৌলিক মহিমা তার দেহে বা দৃশ্যমান গঠনে নয়, তার অভ্যন্তরীণ শ্রেষ্ঠত্বের উপাদানে নিহিত আছে। যদিও সর্বোত্তম অবয়ব দিয়ে আল্লাহপাক মানুষকে তৈরী করেছেন, কিন্তু অভ্যন্তরীণ খারাবির কারণে মানুষ সর্বনিম্নস্থরে নেমে যেতে পারে। মানুষের অভ্যন্তরীণ জগতকে তাই সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করা খুবই জরুরী।

সেই জগতের দুটি দিক। একটি রুহানিয়ত বা হৃদয়বৃত্তি , আরেকটি হলো আকলিয়ত বা বুদ্ধিবৃত্তি। উভয় দিকে বিদ্যমান থাকে অনেক জটিলতা ও জীবানু। সেগুলোর ধরণ ও চরিত্রও আলাদা। কিন্তু উভয় ধরণের জীবাণু ও মলিনতাকে চিনিয়ে ও সনাক্ত করে দেয়ার মতো বই খুব একটা পাওয়া যায় না।

কিছু বই শুধু রুহানিয়ত নিয়ে রচিত আর কিছু বই শুধু আকলিয়ত বা বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে রচিত। একই সঙ্গে রুহানিয়ত ও আকলিয়ত নিয়ে পরিশুদ্ধিমূলক রচনা আসলেই বিরল।

বিশিষ্ট কবি ও গবেষক মুসা আল হাফিজের নতুন বই আল্লাহকে যে পাইতে চায় এ দেখা যায় জ্ঞান ও ভাবনার দুনিয়াকে স্বাধীন ও পরিচ্ছন্ন করার দিশা। আবার হৃদয়ের শক্তি ও সবলতার প্রেসক্রিপশনও বইটিতে রয়েছে।

মাওলানা মুসা আল হাফিজ একজন আলেম ও সুফিধারার ব্যক্তিত্ব। জ্ঞান- গবেষণা ও মননশীল সাধনায় তিনি যতোটা লিপ্ত, এর সঙ্গে সমান মাত্রায় তিনি আধ্যাত্মিক। ফলে তার জবানীতে উভয় বিষয়ের আলোকপাত খুবই তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।

বইটির ফ্ল্যাপে বই সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ‘বিদ্যুৎ চমকের মতো চিন্তারাজি খেলে যায় এ বইয়ের পাতায় পাতায়। আমাদের সামনে তুলে ধরে দীপ্তিমান মশাল। কিন্তু যাদের চোখ নেই, তাদের সামনে মশাল জ্বললেও কী লাভ? এ বই তাই আমাদের চোখ খুলে দিতে চায়। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের মনের তলায় লুকিয়ে থাকা গোপন অন্ধকার সমূহকেও তাড়াতে থাকে সজাগ দৃষ্টির প্রভায়...'

বইটি আসলেই আল্লাহকে পাবার জন্য আমাদের হৃদয়বৃত্তি ও বৃদ্ধিবৃত্তিকে প্রস্তুত করার এক গাইডবুক হবার যোগ্যতা রাখে।

বই: আল্লাহকে যে পাইতে চায়

প্রকাশক: অনুজ প্রকাশন, প্রচ্ছদ: আল নোমান, মূল্য: ৪০০ টাকা।

মুসা আল হাফিজের ‘আল্লাহকে যে পাইতে চায়’

 আবদুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী 
২৪ এপ্রিল ২০২২, ১১:২৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানুষের মৌলিক মহিমা তার দেহে বা দৃশ্যমান গঠনে নয়, তার অভ্যন্তরীণ শ্রেষ্ঠত্বের উপাদানে নিহিত আছে। যদিও সর্বোত্তম অবয়ব দিয়ে আল্লাহপাক মানুষকে তৈরী করেছেন, কিন্তু অভ্যন্তরীণ খারাবির কারণে মানুষ সর্বনিম্নস্থরে নেমে যেতে পারে। মানুষের অভ্যন্তরীণ জগতকে তাই সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করা খুবই জরুরী। 

সেই জগতের দুটি দিক। একটি রুহানিয়ত বা হৃদয়বৃত্তি , আরেকটি হলো আকলিয়ত বা বুদ্ধিবৃত্তি। উভয় দিকে বিদ্যমান থাকে অনেক জটিলতা ও জীবানু। সেগুলোর ধরণ ও চরিত্রও আলাদা। কিন্তু উভয় ধরণের   জীবাণু ও মলিনতাকে চিনিয়ে ও সনাক্ত করে দেয়ার মতো বই খুব একটা পাওয়া যায় না। 

কিছু বই শুধু রুহানিয়ত নিয়ে রচিত আর কিছু বই শুধু আকলিয়ত বা বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে রচিত। একই সঙ্গে রুহানিয়ত ও আকলিয়ত নিয়ে পরিশুদ্ধিমূলক রচনা আসলেই বিরল।   

বিশিষ্ট কবি ও গবেষক মুসা আল হাফিজের নতুন বই আল্লাহকে যে পাইতে চায় এ দেখা যায় জ্ঞান ও ভাবনার দুনিয়াকে স্বাধীন ও পরিচ্ছন্ন করার দিশা।  আবার হৃদয়ের শক্তি ও সবলতার প্রেসক্রিপশনও বইটিতে রয়েছে।

মাওলানা মুসা আল হাফিজ একজন আলেম ও সুফিধারার ব্যক্তিত্ব।  জ্ঞান- গবেষণা ও মননশীল সাধনায় তিনি যতোটা লিপ্ত, এর সঙ্গে সমান মাত্রায় তিনি আধ্যাত্মিক।  ফলে তার জবানীতে উভয় বিষয়ের আলোকপাত খুবই তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।

বইটির ফ্ল্যাপে বই সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ‘বিদ্যুৎ চমকের মতো চিন্তারাজি খেলে যায় এ বইয়ের পাতায় পাতায়। আমাদের সামনে তুলে ধরে দীপ্তিমান মশাল। কিন্তু যাদের চোখ নেই, তাদের সামনে মশাল জ্বললেও কী লাভ? এ বই তাই আমাদের চোখ খুলে দিতে চায়। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের মনের তলায় লুকিয়ে থাকা গোপন অন্ধকার সমূহকেও তাড়াতে থাকে সজাগ দৃষ্টির প্রভায়...' 

বইটি আসলেই আল্লাহকে পাবার জন্য আমাদের হৃদয়বৃত্তি ও বৃদ্ধিবৃত্তিকে প্রস্তুত করার এক গাইডবুক হবার যোগ্যতা রাখে।

বই: আল্লাহকে যে পাইতে চায়

প্রকাশক: অনুজ প্রকাশন, প্রচ্ছদ: আল নোমান, মূল্য: ৪০০ টাকা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন