ফজরের নামাজের দশটি ফজিলত
ইসলাম ও জীবন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজর ও আসরের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে ঘুমের আবেশ কাটিয়ে ফজরের জামাতে উপস্থিত হওয়া একজন মুমিনের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।
আল্লাহতায়ালার কসম : মহান আল্লাহ সূরা ফজরে এ সময়ের কসম খেয়েছেন। আল্লাহ কোনো বিষয়ের ওপর কসম করার অর্থ হলো তার কাছে ওই সময়ের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
ফেরেশতাদের সমাবেশ : কুরআন মাজিদের বর্ণনা অনুযায়ী, ফজরের তিলাওয়াত ও নামাজে দিবা-রাতের ফেরেশতারা সমবেত হন এবং এ ইবাদতের সাক্ষী থাকেন।
ইমানি শক্তির পরিচয় : রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, এশা ও ফজরের নামাজ মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন। তাই এ নামাজে উপস্থিত হওয়া খাঁটি মুমিন হওয়ার লক্ষণ।
আল্লাহর জিম্মাদারি : যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে সারা দিনের জন্য সরাসরি আল্লাহতায়ালার নিরাপত্তা ও জিম্মাদারিতে চলে যায়।
ফেরেশতাদের উত্তম সাক্ষ্য : ফেরেশতারা যখন আল্লাহর কাছে ফিরে যান, তখন তারা ফজরের নামাজ আদায়কারীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিয়ে বলেন, আমরা তাদের নামাজরত অবস্থায় রেখে এসেছি।
জান্নাতের সুসংবাদ : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডার সময়ের নামাজ (ফজর ও আসর) নিয়মিত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সারা রাত ইবাদতের সওয়াব : জামাতের সঙ্গে এশা ও ফজর আদায় করলে সারা রাত জেগে ইবাদত করার সমপরিমাণ সওয়াব আমলনামায় লেখা হয়।
আল্লাহর দিদার লাভ : হাদিস অনুযায়ী, যারা নিয়মিত ফজর ও আসরের নামাজ আদায় করবে, তারা কিয়ামতের দিন পূর্ণিমার চাঁদের মতো স্পষ্টভাবে আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য লাভ করবে।
জাহান্নাম থেকে মুক্তি : নবীজী (সা.) প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের আগের নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।
পরিপূর্ণ নুর বা আলো : যারা অন্ধকারের মধ্যদিয়ে হেঁটে মসজিদে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে, কেয়ামতের কঠিন অন্ধকারে তাদের জন্য পরিপূর্ণ নুরের সুসংবাদ রয়েছে।
ফজরের নামাজের এসব ফজিলত অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা। রাতে দ্রুত ঘুমানো এবং অলসতা ত্যাগ করে সময়মতো জেগে ওঠার মাধ্যমেই শুধু এ মহা-পুরস্কার লাভ করা সম্ভব। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন। আমিন।
