আবর্জনা দিয়ে তৈরি শিশুদের স্কুল

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

আবর্জনা দিয়ে তৈরি স্কুল। ছবি সংগৃহীত
আবর্জনা দিয়ে তৈরি স্কুল। ছবি সংগৃহীত

কাম্বোডিয়ার রাজধানী নম পেনে প্রতিদিন যে পরিমাণ আবর্জনা সৃষ্টি হয়, তা দেখে উক ভ্যান্ডে শুধু আবর্জনা দিয়ে একটি স্কুল তৈরি করার পরিকল্পনা করেন৷ স্কুলটি দেখেতে খুবই দৃষ্টিনন্দন।

ভ্যান্ডে স্কুল থেকে কোনো আয় করেন না৷ বরং স্কুল চালানোর জন্য তাকে বন্ধুবান্ধব, কলেজের ছাত্রছাত্রী ও আরো অনেকের দানের উপর নির্ভর করতে হয়৷ নম পেনের কিছু কিছু কাফে তাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিকের কাপ-চামচ ভ্যান্ডেকে দেয়, যা থেকে কোকোনাট স্কুলের ছাদের একাংশ তৈরি হয়েছে৷

পড়ুয়া থেকে মাস্টার, সকলেরই চোখ কোন জিনিসটা দিয়ে কী তৈরি করা যায়, সেই দিকে৷

আসুন দেখে নেই আবর্জনা দিয়ে তৈরি স্কুল।

বোতলের প্লাস্টিক থেকে জাতীয় পতাকা

নম পেনের উপকণ্ঠে কো ডাচ দ্বীপের ‘কোকোনাট স্কুল’-এ প্লাস্টিকের বোতলগুলোকে সুন্দর করে কেটে, কাটা প্লাস্টিকের টুকরোগুলোকে নানা রঙে স্প্রে-পেইন্ট করে, পরে আবার জোড়া দিয়ে কাম্বোডিয়ার জাতীয় পতাকার একটি মুরাল বা দেয়ালচিত্র তৈরি করা হয়েছে৷ স্কুলের নামে কিন্তু কোনো প্লাস্টিক নেই: নাম রাখা হয়েছে ‘নারকেলি স্কুল’৷

কাচ বসানো দেয়াল

মানে ঠিক কাচ নয়, খালি বিয়ারের বোতল৷ বোতলের ক্যাপগুলো দিয়ে মেঝেতে ফুলের নকশা করা হয়েছে৷

পাখিরা যেভাবে বাসা সাজায়

ছাত্রছাত্রীরা আবর্জনা রিসাইক্লিং ও সেই পুনর্ব্যবহারযোগ্য মালমশলা দিয়ে হাতের কাজ করার প্রশিক্ষণ পায়, কাজেই এ সব প্রকল্প তাদের নিজেদের সৃষ্টি৷ ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এভাবে আবর্জনা কমিয়ে পরিবেশ বাঁচাতে শেখে – এছাড়া তাদের শিল্পবোধ ও সৃজনীশক্তির উন্মেষ হয়, বলেন উক ভ্যান্ডে৷

ঝোলানো বাগান

ফুলগাছ যে শুধু টবে লাগানো চলে, এমন তো নয়; পুরনো ফেলে দেওয়া গাড়ির টায়ারেও লতাপাতা গজাতে পারে – টায়ারটা শুধু রং করে নিলেই হলো৷

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter