বিটাক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কেউ বেকার নেই: ড. মফিজুর রহমান

  হোসাইন এম এমরান ২০ মার্চ ২০১৯, ২১:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

বিটাক মহাপরিচালক ড. মফিজুর রহমান
বিটাক মহাপরিচালক ড. মফিজুর রহমান। ছবি: যুগান্তর

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বল্পশিক্ষিত, দরিদ্র, এবং পিছিয়ে পড়া বেকার বেকার তরুণ-তরণীদের প্রশিক্ষণের পরই সনদের সঙ্গে চাকরি দিচ্ছে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)। ১৯৬২ সালে এটি কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজ শুরু করে।

২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইশতেহার ঘরে ঘরে চাকরির দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। এর বাস্তবায়নের জন্য ২০০৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্যবিমোচন (Self-Employment and Poverty Alliviation) সেপা প্রকল্প শুরু করে। থাকা খাওয়াসহ প্রশিক্ষণের যাবতীয় খরচ সরকারিভাবে প্রকল্প থেকে বহন করা হয়।

সেপা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বল্পশিক্ষিত, দরিদ্র, এবং পিছিয়ে পড়া বেকার যুব-মহিলাদেরকে ৯টি ট্রেডে তিন মাস এবং যুবকদের ৩টি ট্রেডে ২ মাস মেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু করা হয়।

এগুলো হলো লাইট মেশিনারিজ, ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স, অটোক্যাড, হাউজহোল্ড অ্যাপ্লায়েন্স, ইলেকেট্রনিকস, রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, প্লাস্টিক প্রসেসিং (জেনারেল), প্লাস্টিক প্রসেসিং (কাস্টমাইজ) এবং কার্পেন্ট্রি। ছেলেদের জন্য তিনিটি ট্রেড যথাক্রমে, ওয়েল্ডিং, ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স এবং রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং।

সেপা প্রকল্পের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৯৬৩ জন মহিলা ও ৩ হাজার ৯৬০ জন পুরুষসহ সর্বমোট ৭ হাজার ৯২৩ জনকে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় সরাসরি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পটি থেকে জুলাই ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত ৯ হাজার ৫৮১ জন মহিলা, ১৪ হাজার ৫৩২ জন পুরুষসহ সর্বমোট ২৪ হাজার ০৮২ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

শুরু থেকেই সেপা প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন উপজেলায় সশরীরে ভিজিট করে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হতো। তবে বিটাকের বর্তমান মহাপরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান যোগদান করার পরপরই তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাস্তবায়নাধীন এটুআই (a2i) প্রকল্পের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

এটুআই প্রকল্পের সহায়তায় প্রথম পর্যায়ে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ১০টি উপজেলাকে চিহ্নিত করে সেসব উপজেলা থেকে প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। এসব উপজেলা হলো পীরগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, হিজলা, ইন্দুরকানী, দেবহাটা, মোরেলগঞ্জ, হরিণাকুণ্ড, শালিখা, গোয়ালন্দ, গোসাইরহাট।

সেপা প্রকল্প এবং এটুআই টিমের সদস্যরা সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে ট্যালেন্ট হান্টিং পদ্ধতিতে সমাজের স্বল্প শিক্ষিত বেকার যুবক ও যুব মহিলা প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করে আসছে। অতঃপর এসব সুবিধাবঞ্চিত যুবসমাজকে ঢাকা অথবা অন্যান্য কেন্দ্রে বিভিন্ন ট্রেডে হাত কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

বিটাকের কাজ নিয়ে কথা হয় প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বিটাকের কাজ সম্পর্কে জানান, কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনবল সৃষ্টি, নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য আমদানি বিকল্প মেশিন পার্টস উৎপাদন এবং শিল্পক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি আহরণ ও হস্তান্তরসহ শিল্পখাতকে পরামর্শ প্রদান করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়া শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পরামর্শ প্রদান, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের নকশা প্রণয়ন ও সেগুলো তৈরি/মেরামত করে দেশের শিল্পায়নে সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। এসএমই সেক্টরে বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে শিল্প সেক্টরের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে বিটাক।

তিনি জানান, বিটাকের ঢাকা কেন্দ্র ছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া ও চাঁদপুরে কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি বিভাগে একটি কেন্দ্র নির্মাণের অংশ হিসেবে আরও ৪টি কেন্দ্র নির্মিত হবে। সেগুলো হবে বরিশাল, রংপুর, জামালপুর (ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য) এবং সুনামগঞ্জ (সিলেট বিভাগের জন্য)।

ড. মো. মফিজুর রহমান বিটাকের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলেন, বিটাকের নিয়মিত প্রশিক্ষণ কোর্স রয়েছে প্রায় ২৫টি, তার মধ্যে ১৪ সপ্তাহব্যাহী কোর্স ১১টি, ৪/৬ সপ্তাহ মেয়াদি কোর্স আছে ১৪টি এবং ২/১ সপ্তাহব্যাপী আছে ৩/৪টি।

এছাড়াও আছে এটাচমেন্ট কোর্স। নিয়মিত প্রশিক্ষণ কোর্সগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মেশিনশপ, ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স, ওয়েল্ডিং, ফাউন্ড্রি, অটোমোবাইল, হিট ট্রিটমেন্ট, সিএনসি লেদ, সিএনসি মিলিং, পিএলসি ইত্যাদি।

বিটাকে প্রশিক্ষণ নিলে কর্মসংস্থানের সুবিধা কী?

বিটাক মহাপরিচালক বলেন, বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো শিল্পখাতে দক্ষ জনবল সরবরাহ করা। হাতে কলমে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে নিজেই উদ্যোক্তা হতে পারে অথবা শিল্পকারখানায় চাকরির সুযোগ রয়েছে। বিটাক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কেউ বেকার আছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে প্রশিক্ষণ শেষে কে কোথায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে অথবা আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে তার বিস্তারিত তথ্য বিটাকের কাছে নেই।

তিনি বলেন, বিটাকের সেপা এবং সেইপ প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রায় সবারই চাকরির ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে যদি তারা চাকরি করতে আগ্রহী হয়। আমাদের প্রশিক্ষণার্থীদের আগ্রহ হচ্ছে সরকারি চাকরি। কিন্তু বিটাক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সরাসরি সরকারি চাকরির সুযোগ কম। বিটাক সাধারণত শিল্পকারখানায় দক্ষ জনবল সরবরাহ করার জন্যই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

নারীদের জন্য বিটাক কী ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে?

এ প্রশ্নে ড. মফিজুর রহমান বলেন, বিটাকের কেবলমাত্র ঢাকা কেন্দ্রে নারী হোস্টেল রয়েছে বিধায় নারী প্রশিক্ষণার্থীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশে ঢাকা কেন্দ্রের নারী হোস্টেলে অবস্থান করে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে। অন্যান্য কেন্দ্রে নারী হোস্টেল না থাকায় সেসব কেন্দ্রে শুধু যুবকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নারী হোস্টেলটি মহিলা আনসার সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত, পুরুষ মানুষের সেখানে প্রবেশাধিকার নেই। অর্থাৎ অত্যন্ত চমৎকার পরিবেশে নারী প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন।

সেপা প্রল্পের অবদান কী?

ড. মফিজুর রহমান বলেন, সেপা প্রকল্পের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এই যে, প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় চাকরির ব্যবস্থা করা যাতে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ঘরে ঘরে চাকরি প্রদান করা যায়। সাধারণত, প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত হওয়ার আগেই জব ফেয়ার বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে এবং প্রশিক্ষণ শেষে একই দিন প্রশিক্ষণ সনদ ও চাকরির নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, ছেলেদের বেলায় প্রায় সবাই প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির সুযোগ গ্রহণ করে। অনেকে উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে আবার অনেকেই বিদেশে চলে গেছে। বিটাকের সেপা প্রকল্পের ৯টি ট্রেডের মধ্যে একটি হলো কার্পেন্ট্রি। এ ট্রেড থেকে ট্রেনিং নিয়ে বহু নারী কুটির/হস্তশিল্প জাতীয় পণ্য উৎপাদন করে সমবায় পদ্ধতিতে ব্যবসা করছে। তাদের মধ্যে অনেকেই এখন সফল উদ্যোক্তা।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিটাক কী ধরণের ভূমিকা পালন করতে পারে?

এ প্রশ্নের উত্তরে বিটাক মহাপরিচালক বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার জন্য সেপা প্রকল্প নিয়েছিল। এবং তা সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করে আসছে। ঠিক একইভাবে বিটাক বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮ বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই ৫টি কৌশলগত উদ্দেশ্য নিরূপণ করে ৫টি কর্মপরিকল্পনা বা অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে শিল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। ৫টি

কর্মপরিকল্পনা হলো -

কর্মপরিকল্পনা: ১- কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন

কর্মপরিকল্পনা: ২- ৪টি নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন

কর্মপরিকল্পনা: ৩- বিটাককে শক্তিশালী করণ

কর্মপরিকল্পনা: ৪- অগ্রাধিকারভিত্তিক নারী প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরি

কর্মপরিকল্পনা: ৫- প্রযুক্তি উদ্ভাবনে নতুন নতুন গবেষণা

আপনি বিটাকে যোগদানের পর কি পরিবর্তন এসেছে?

ড. মফিজুর রহমান বলেন, রাতারাতি কোনো কিছুরই পরিবর্তন করা যায় না। তবে আমি যোগদানের পর প্রথমেই বিটাকের বাহ্যিক চাকচিক্য পরিবর্তন করেছি, বিটাককে পরিচিত করার জন্য বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নানা ধরনের রিপোর্টিং করার ব্যবস্থা করেছি।

বিটাক মহাপরিচালক বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য লিফট উদ্ভাবন করায় জনপ্রশাসন পদক অর্জন করেছে, কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে প্রেরণ করছি, ৫/৬টি সেমিনার আয়োজন করেছি, এ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবসহ ১২ জন সচিবসহ বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী বিটাক ভিজিট করেছে। বিটাকের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্ধিতহারে বাজেটপ্রাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো বিটাক যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান তা সরকারকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি এবং বর্ধিতহারে রাজস্ব বাজেট পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত হচ্ছে। বিটাকের কর্মচারীরা যাতে পেনশন পেতে পারে সে জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ড. মফিজুর রহমান বলেন, আমার সবচেয়ে সফলতা হচ্ছে একটি স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা। অনেক চাপ থাকা সত্ত্বেও কোন ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে গত নভেম্বর মাসে ৫৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিটাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিটাকের ইতিহাসে এত স্বচ্ছ নিয়োগ কখনো হয়েছে কিনা তা নিয়ে গবেষণা হতে পারে।

বিটাকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

ড. মফিজুর রহমান বলেন, বিটাককে একটি নতুন বিটাকে রূপান্তর করাই আমার মূল লক্ষ্য। বিটাক হবে সেন্টার অব এক্সিলেন্স। দোলাইখাল ভিত্তিক লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে একটি অত্যাধুনিক সেক্টরে রূপান্তর করার জন্য বিটাক নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে তাদের উৎপাদিত মেশিন পার্টসের গুণগতমান পরীক্ষার জন্য হিট ট্রিটমেন্ট সহায়তা প্রদান, তাদের কর্মীদেরকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

বিটাক মহাপরিচালক বলেন, বিটাকের টুল ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে তাদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বিটাককে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে বিটাকের সব কেন্দ্রের জন্য অত্যাধুনিক মেশিনারিজ সংগ্রহ করা হবে, সিএনসি মেশিন যুক্ত করা হবে, নতুন ওয়ার্কশপ তৈরি করা হবে। বিটাকের অভ্যন্তরীণ কর্মীদের বেশি বেশি করে বিদেশে ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা না হলে বিটাক নতুন বিটাক তথা সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রূপান্তরিত হতে পারবে না।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×