ভয়ংকর সুন্দর হতংকুচো ও মাতাই তুয়ারি, দেখুন ছবিতে

  জাকির হোসেন রাজু ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

হতংকুচো ও মাতাই তুয়ারি
হতংকুচো ও মাতাই তুয়ারি

প্রায় অপরিচিত একটি ট্রেইল বা ঝিরিপথ, কিন্তু যেমন দুর্গম তেমনি অসাধারণ। এই ট্রেইল খাগড়াছড়ি জেলার নুনছড়ি এলাকায় অবস্থিত। পথ হারানোর ব্যাপক সম্ভাবনা এখানে হাতছানি দেয়, যে কোন সময় অসাবধানতা ডেকে আনতে পারে বড় দুর্ঘটনা, পুরো পথ যেন এ্যাডভেঞ্চারে ভরপুর। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ এই হতংকুচো ও মাতাই তুয়ারী সম্পর্কে জানেই না।

এখানে গেলে আপনি দেখতে পারবেন মানুষের সংস্পর্শ বহির্ভূত নির্জন মায়াময় প্রকৃতি রুপ, শুনতে পারবেন নিস্তব্ধতার ভাষা, অনুভব করতে পারবেন বিধাতার অপরিমেয় সৌন্দর্য এই এলাকাটা মূলত ত্রিপুরা অধ্যুষিত, তাদের ভাষায় মাতাই মানে হল দেবতা আর তুয়ারী মানে ঝর্ণা তার মানে দেবতার ঝর্ণা। মাতাই তুয়ারীতে এখানকার স্থানীয়রা পূজা দেয়, এটাকে তারা আশীর্বাদ হিসেবে বিবেচনা করে, পাহাড়ের ঢালে যে ছোট ছোট পাড়া আছে তাদের জীবন ঐ মাতাই তুয়ারী থেকে বয়ে চলা ঝিরির উপর নির্ভরশীল।

এই মাতাই তুয়ারী ঝর্ণার নিচে রয়েছে একটা বড় কূপ বা বেশ গভীর একটা পুকুর। এই কূপের পানি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা এবং স্বচ্ছ যা আশেপাশের পাহাড়ি গাছের প্রতিফলনে নীল দেখায়, এর পানি সুপেয় এবং কোন বড় প্রাণী চোখে পড়েনা।

হতংকুচো হল এই মাতাই তুয়ারী থেকে ফেরার গিরিপথ। দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বড় বড় পাথর আর ঠাণ্ডা পানির সংমিশ্রণে এটাকে ভয়ংকর একই সাথে অনিন্দ্য সুন্দর করে তুলেছে। এখানে সূর্যের আলো খুব কম অর্থাৎ সরাসরি সূর্যকিরণ পৌঁছানো কষ্টসাধ্য। নিচে বড় বড় পাথার আর কোথাও হাটু পানি কোথাও বা বুক পানি আবার কোথাও সাঁতরে পার হতে হয়। পানির নিচে পাথর না দেখতে পেয়ে অসাবধান হয়ে পা দিলেই পড়ে যেতে হবে এবং যেন তেনভাবে নয় খুব মারাত্মকভাবে। এখান থেকে বের হওয়ার সহজ কোন রাস্তা নেই, হয় পাহাড় চড়তে হবে না হলে এই গিরিপথ পাড়ি দিতে হবে।

ছবিতে দেখুন খাগড়াছড়ির ভয়ংকর সুন্দর হতংকুচো ও মাতাই তুয়ারি।

পাহাড়ের সরু রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন ভ্রমনপ্রেমীরা

পাহাড়ের ঝর্ণায় গোসল করেন ভ্রমণকারীরা

দৃষ্টি নন্দন ঝর্ণা

অজানা পথের সন্ধানে

স্যাতস্যাতে সবুজ পাথরের উপর দিয়ে হেটে চলা

হাটু সমান পানি মাড়িয়ে সামনে এগিয়ে চলা

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter