সীমিত হচ্ছে তাজমহলের প্রবেশাধিকার

  যুগান্তর ডেস্ক ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ০২:০০ | অনলাইন সংস্করণ

তাজমহল

এমনিতে শিল্প কারখানার দূষণের কবলে পড়ে চোখ ধাঁধানো ধবধবে সাদা মিনার ও গম্বুজগুলো হয়ে গেছে হলদেটে; ভরা পূর্ণিমায় আগের মতো দ্যুতি ছড়ায় না মর্মর পাথরের তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য শৈলী তাজমহল। উপরন্তু যমুনা নদীর গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনে এর ভিত্তিও দূর্বল হতে শুরু করেছে।

ভারত ভ্রমণের মূল আর্কষণের তালিকায় তাজমহল সন্দেহাতীতভাবে সবার উপরে থাকায় দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন দিন দিন বেড়েই চলেছে। সদ্য বিদায়ী বছরে অনিন্দ্য সুন্দর এ স্থাপত্য দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন ৬৫ লাখ পর্যটক।

প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ আসেন তাজমহল দেখতে। বিশেষ বিশেষ দিনে এই সংখ্যা বেড়ে ৭০ হাজারে দাঁড়ায়।

পর্যটকদের এ ঢল সামলানো কর্তৃপক্ষের সামনে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে ঢল সামলাতে সামলাতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো দৈনন্দিন রক্ষণাবেক্ষণের কাজও পুরোপুরি করা যাচ্ছে না।

ভ্রমণকারীদের ঢল বাঁচিয়ে তাজমহলকে রক্ষায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রবেশাধিকার সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে তাজমহলে দৈনিক ৪০ হাজারের বেশি পর্যটক প্রবেশ করতে পারবে না।

কিন্তু বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে সংখ্যার সীমাবদ্ধতা থাকছে না। এই দ্বৈত নীতির পেছনে অবশ্য নগদ নারায়ণের বিষয়টিই মুখ্য। কেননা, ভারতীয়দের জন্য প্রবেশ মূল্য মাত্র ৪০ রুপি হলেও বিদেশি পর্যটকদের জনপ্রতি গুণতে হয় হাজার রুপি।

এরপরও রুপি খরচ করতে হবে, যদি কেউ রাজা-রাণিকে দেখতে চায়। হোক না মৃত, তাদের কবর দেখতেও পর্যটকদের বাড়তি কড়ি ফেলতে হবে।

মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই স্থাপনাটি নির্মাণ করেন। মুঘল দরবারের স্থপতি আহমদ লাহোরীর তত্ত্বাবধানে সুদীর্ঘ বিশ বছর ধরে পৃথিবীর অন্যতম অত্যাচার্য এ স্থাপত্য শিল্পটি নির্মিত হয়।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.