গুণে ভরা আনারস
jugantor
গুণে ভরা আনারস

  ফারিন সুমাইয়া  

০১ অক্টোবর ২০২০, ২০:২৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নানা গুণে ভরপুর মুখরোচক ফল আনারস। তাই মৌসুমি ফলের ভিড়ে আনারসের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। স্বাদের বেলাও এর টক-মিষ্টি ভাব মুখের রুচি থেকে শুরু করে হালকা জ্বর কিংবা জন্ডিস রোগে বেশ কার্যকরী। অন্যদিকে এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি শরীরে শক্তি জোগাতেও সহায়তা করে।

দেখতে কিছুটা লম্বাটে এ ফলের সারা গায়ে কাঁটা আর মাথার ওপরের অংশে গুচ্ছ আকারে পাতা রয়েছে। একটি পরিপক্ব আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার, শর্করা, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি থাকে। ফলে এতে থাকা ভিটামিন-সি’র উপস্থিতি মুখে ঘা থেকে শুরু করে জ্বর হলেও তা দ্রুত সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

এছাড়া যারা ডায়েট প্ল্যান করছেন, তারা তাদের খাবার তালিকায় যুক্ত করতে পারেন এ মৌসুমি ফলটি। তাই আনারস আপনি যেমন সালাদ হিসেবে খেতে পারেন তেমনি এ গরমের সময় এক গ্লাস ঠাণ্ডা আনারসের জুস আপনাকে দিতে পারে প্রশান্তির পরশ।

অন্যদিকে প্রতিদিন আনারস খেলে চোখের নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায় ৩০ শতাংশ, যা আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

পাশাপাশি যাদের হজমশক্তিতে সমস্যা রয়েছে, তারা খাবার শেষে আনারসের এক কিংবা দুই টুকরো খেতে পারেন নিয়মিত। কেননা আনারসে থাকা ব্রোমেলিন হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়া পেটে নানা সমস্যা বদহজম থেকে শুরু করে পেটের মেদ কমাতেও আনারসের জুড়ি মেলা ভার। তবে আনারস খাওয়ার বেলায় কিছু বিষয় লক্ষ রাখা আবশ্যক।

যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাদের আনারস খেলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়লে আনারস না খাওয়াই ভালো। এর পাশাপাশি অনেকেই কাঁচা আনারসের জুস বানিয়ে খেতে চান। এতে বমিভাবের সৃষ্টির হতে পারে। তাই পরিপক্ব আনারস দিয়ে জুস বানানোর চেষ্টা করুন।

এছাড়া আনারসে প্রচুর পরিমাণে চিনির উপস্থিতি এ ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। তবে আনারস যেহেতু মৌসুমি ফল সেহেতু সপ্তাহে এক কিংবা দুই টুকরো খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। এর সঙ্গে যাদের দাঁতের সমস্যা আছে, তাদের আনারস না খাওয়াই ভালো। কারণ এতে থাকা ক্যাভেটিস দাঁতের সমস্যা আরও বাড়াতে পারে।

তাই মৌসুমি এ ফলটি পরিমিত পরিমাণে আপনার খাবার তালিকায় রাখুন, যাতে করোনাকালীন এ সময়েও আপনার শরীর রোগপ্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে সব সময় থাকে প্রস্তুত।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

গুণে ভরা আনারস

 ফারিন সুমাইয়া 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নানা গুণে ভরপুর মুখরোচক ফল আনারস। তাই মৌসুমি ফলের ভিড়ে আনারসের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। স্বাদের বেলাও এর টক-মিষ্টি ভাব মুখের রুচি থেকে শুরু করে হালকা জ্বর কিংবা জন্ডিস রোগে বেশ কার্যকরী। অন্যদিকে এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি শরীরে শক্তি জোগাতেও সহায়তা করে।

দেখতে কিছুটা লম্বাটে এ ফলের সারা গায়ে কাঁটা আর মাথার ওপরের অংশে গুচ্ছ আকারে পাতা রয়েছে। একটি পরিপক্ব আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার, শর্করা, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি থাকে। ফলে এতে থাকা ভিটামিন-সি’র উপস্থিতি মুখে ঘা থেকে শুরু করে জ্বর হলেও তা দ্রুত সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

এছাড়া যারা ডায়েট প্ল্যান করছেন, তারা তাদের খাবার তালিকায় যুক্ত করতে পারেন এ মৌসুমি ফলটি। তাই আনারস আপনি যেমন সালাদ হিসেবে খেতে পারেন তেমনি এ গরমের সময় এক গ্লাস ঠাণ্ডা আনারসের জুস আপনাকে দিতে পারে প্রশান্তির পরশ।

অন্যদিকে প্রতিদিন আনারস খেলে চোখের নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায় ৩০ শতাংশ, যা আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

পাশাপাশি যাদের হজমশক্তিতে সমস্যা রয়েছে, তারা খাবার শেষে আনারসের এক কিংবা দুই টুকরো খেতে পারেন নিয়মিত। কেননা আনারসে থাকা ব্রোমেলিন হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়া পেটে নানা সমস্যা বদহজম থেকে শুরু করে পেটের মেদ কমাতেও আনারসের জুড়ি মেলা ভার। তবে আনারস খাওয়ার বেলায় কিছু বিষয় লক্ষ রাখা আবশ্যক।

যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাদের আনারস খেলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়লে আনারস না খাওয়াই ভালো। এর পাশাপাশি অনেকেই কাঁচা আনারসের জুস বানিয়ে খেতে চান। এতে বমিভাবের সৃষ্টির হতে পারে। তাই পরিপক্ব আনারস দিয়ে জুস বানানোর চেষ্টা করুন।

এছাড়া আনারসে প্রচুর পরিমাণে চিনির উপস্থিতি এ ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। তবে আনারস যেহেতু মৌসুমি ফল সেহেতু সপ্তাহে এক কিংবা দুই টুকরো খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। এর সঙ্গে যাদের দাঁতের সমস্যা আছে, তাদের আনারস না খাওয়াই ভালো। কারণ এতে থাকা ক্যাভেটিস দাঁতের সমস্যা আরও বাড়াতে পারে।

তাই মৌসুমি এ ফলটি পরিমিত পরিমাণে আপনার খাবার তালিকায় রাখুন, যাতে করোনাকালীন এ সময়েও আপনার শরীর রোগপ্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে সব সময় থাকে প্রস্তুত।
 

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]