‘রেড মিটে’ বাড়ে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি 
jugantor
‘রেড মিটে’ বাড়ে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি 

  অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক   

২৫ নভেম্বর ২০২০, ১৬:২১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি সংগৃহীত

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হচ্ছে বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার। যারা গরু ও খাসির মাংস বেশি বেশি খান এবং আঁশসমৃদ্ধ খাবার কম খান, তাদের মধ্যে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

আঁশসমৃদ্ধ খাবার বৃহদান্ত্রের সঞ্চালন বা পেরিস্টালসিসকে দ্রুততর করে। ফলে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো কোলনের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না।

ফলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তৈলাক্ত খাবার, টিনজাত খাবার ও ফাস্টফুডও ঝুঁকিপূর্ণ।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রেড মিট বা লাল মাংসপ্রেমীদের কোলন ক্যান্সার হওয়ার হার ১২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত লাল মাংসে মৃত্যুঝুঁকি তার চেয়েও বেশি।

যারা নিয়মিত লাল মাংস খান, তাদের মধ্যে ধূমপান, মদ্যপানসহ নানা বদভ্যাস গড়ে ওঠে। এতে বেড়ে যায় হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি।

যারা সপ্তাহে পাঁচ বেলা গরু, খাসি কিংবা ভেড়ার মাংস খান, এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

এসব পশুর মাংসকে বলা হয় রেড মিট। রেড মিটকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অন্যতম ক্যান্সারপ্রবণ খাবার বা কারসিনোজেন।

মাংসভোজিরা যদি তাদের খাদ্যতালিকায় লাল মাংসের পরিবর্তে মাত্র সপ্তাহে একবেলা মাছ অন্তর্ভুক্ত করেন। তবে এ অকাল মৃত্যুর হার ৭ শতাংশ কমতে পারে।

প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও সোডিয়াম এবং নাইট্রেটের কারণে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

লেখক : বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইন্টারন্যাশনাল স্কলার, ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

‘রেড মিটে’ বাড়ে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি 

 অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক  
২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হচ্ছে বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার। যারা গরু ও খাসির মাংস বেশি বেশি খান এবং আঁশসমৃদ্ধ খাবার কম খান, তাদের মধ্যে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। 

আঁশসমৃদ্ধ খাবার বৃহদান্ত্রের সঞ্চালন বা পেরিস্টালসিসকে দ্রুততর করে। ফলে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো কোলনের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। 

ফলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তৈলাক্ত খাবার, টিনজাত খাবার ও ফাস্টফুডও ঝুঁকিপূর্ণ।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রেড মিট বা লাল মাংসপ্রেমীদের কোলন ক্যান্সার হওয়ার হার ১২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত লাল মাংসে মৃত্যুঝুঁকি তার চেয়েও বেশি।

যারা নিয়মিত লাল মাংস খান, তাদের মধ্যে ধূমপান, মদ্যপানসহ নানা বদভ্যাস গড়ে ওঠে। এতে বেড়ে যায় হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি। 

যারা সপ্তাহে পাঁচ বেলা গরু, খাসি কিংবা ভেড়ার মাংস খান, এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। 

এসব পশুর মাংসকে বলা হয় রেড মিট। রেড মিটকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অন্যতম ক্যান্সারপ্রবণ খাবার বা কারসিনোজেন।

মাংসভোজিরা যদি তাদের খাদ্যতালিকায় লাল মাংসের পরিবর্তে মাত্র সপ্তাহে একবেলা মাছ অন্তর্ভুক্ত করেন। তবে এ অকাল মৃত্যুর হার ৭ শতাংশ কমতে পারে। 

প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও সোডিয়াম এবং নাইট্রেটের কারণে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

লেখক : বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইন্টারন্যাশনাল স্কলার, ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা।
 

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]