৫ লক্ষণে বুঝে নিন সঙ্গীর প্রতারণা

প্রকাশ : ০৪ মে ২০১৮, ১৮:১৩ | অনলাইন সংস্করণ

  লাইফস্টাইল ডেস্ক

৫ লক্ষণে বুঝে নিন সঙ্গীর প্রতারণা

বিশ্বাস না জন্মালে হয় না ভালোবাসা। ভালোবাসার মানুষটিকে বিশ্বাস করা তাই আপনার প্রথম কাজ। কিন্তু কোনো কারণে বিশ্বাসের সুযোগে প্রতারিত হতে পারেন আপনি। তাই সঙ্গীর প্রতি আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। 

সঙ্গীর ভালোমন্দ খোঁজ নেয়ার পাশাপাশি তার দ্বারা আপনি কোনো বিপদে পড়তে পারেন। তাই প্রতারিত হচ্ছেন কি না সে বিষয়ে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। 

তবে প্রিয় মানুষটির দ্বারা আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না তা জানার জন্য আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে তিনটি বিষয়। যেমন সঙ্গী যদি মনে করেন তিনি সব জানেন, তার পরিকল্পনায় যদি আপনি না থাকেন আর আপনার বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের প্রতি অমনোযোগী। এই বিষয়গুলো খেয়াল করুন। তাহলে বুঝতে পারবেন সঙ্গীর প্রতি আপনার কোনো টান আছে কি না।  

লক্ষণগুলো 

আবেগের বহিঃপ্রকাশ নেই

প্রতারক সঙ্গীরা কখনোই আবেগের আদান-প্রদান করেন না বা তারা অন্যের আবেগকে খুব একটা প্রাধান্যও দেন না। তাই যতটা সম্ভব এসব ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিজেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, আনন্দ, দুঃখ কখনো ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে শেয়ার করতে না পারলে সুখে থাকা যায় না।

সময়ের মূল্য নেই

প্রত্যেকের কাছেই তার সময়ের মূল্য অনেক বেশি। কিন্তু আপনি যাকে ভালোবাসেন সে যদি প্রতারক হয়, তাহলে আপনার সময়ের মূল্য সে কোনোদিন বুঝবে না। তাই দেরি না করে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে সরে আসুন। কেননা প্রত্যেকের উচিত তার ভালাবাসার মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখানো এবং তার সময়ের মূল্য দেয়া। এটাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখে।

প্রয়োজনে পাশে থাকে না

ভুল মানুষকে ভালোবাসার এটাও একটা চিহ্ন হতে পারে। প্রয়োজনের সময় প্রতিটি মানুষই তার আপনজনের কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করে। তারা চায়, ভালোবাসার মানুষটি তার আবেগকে প্রাধান্য দিক এবং তাকে মূল্যায়ন করুক। সে সব সময় ভালোবাসার সঙ্গ পেতে পছন্দ করে। কিন্তু প্রতারকরা নানা অজুহাতে আপনাকে এড়িয়ে যাবে।

ভালোবাসার কথা বলে না

সঙ্গী যদি আপনার প্রতি কোন ভালোবাসাই না দেখায় তাহলে আপনি কার জন্য অপেক্ষা করছেন? এক্ষেত্রে তাকে ছেড়ে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অতিরিক্ত কোনো কিছুই এমনকি ভালোবাসাও ভালো নয়। সম্পর্কে সব সময় কেয়ার করা ভালো, তা ঠিক নয়।

জবাবদিহি 

অনেক সময় অতিরিক্ত খোঁজখবর, অতিরিক্ত কেয়ার সম্পর্ক নষ্টের জন্য দায়ী। প্রতিটি কাজের জবাবদিহি যদি তাকে দিতে হয় তাহলেও তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখাই ভালো। প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু চিন্তা, কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, তা পরিবর্তন করে কোনো সম্পর্ক তৈরি হলেও বেশি দিন সেটি টিকে থাকে না। 

 

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন[email protected]এ ঠি।কানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]