স্ট্রেস
jugantor
স্ট্রেস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৪:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মেন্টাল ফিজিক্যাল বা ইমোশনাল টেনশন হলো স্ট্রেস। এ টেনশন হতে পারে নানা কারণে। সংসারের দৈনন্দিন কাজে ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে ছোটাছুটি, অফিসে কাজের চাপ, বাইরের কাজ ও সামাজিক দায়দায়িত্ব, শারীরিক অসুস্থতা সব মিলিয়ে জীবন বড় কঠিন মনে হয় একেক সময়। অথচ থেমে থাকার উপায় নেই।

আমাদের সমাজের নারীদের সংসার এবং তার বাইরের সব কাজ এবং চাহিদা মেটাতে হয় হাসিমুখে। কারণ সব কিছু নিয়েই তো জীবন। বর্তমান সময়ে এ করোনাকালীন আমাদের নিউ নরমাল লাইফের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। প্রতিদিনের জীবনযাপনে পরিবর্তন এর সঙ্গে খাপখাইয়ে নিয়ে চলা কিন্তু আমাদের জন্য নতুন একটি স্ট্রেস।

প্রশ্ন হলো, সহজ সুন্দর থেকে কেমন করে সামলাবেন এ মুহূর্তগুলো? তার জন্য দরকার প্ল্যানিং, টাইম-ম্যানেজমেন্ট আর যথাযথ লাইফস্টাইল। স্ট্রেস এলে আর পাঁচটা অসুখের মতো নয়। ওষুধ খেলেই সেরে যাবে। স্ট্রেস হলো এমন একটি শব্দ, যা দৈনন্দিন জীবনের জটিল পরিস্থিতি বা সমস্যার প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করে থাকি। কিছু সমস্যা বাহ্যিক যেমন পারস্পরিক সম্পর্ক, প্রাত্যহিক কাজের চাপ, অন্যান্য সাংসারিক ও সামাজিক দায়দায়িত্ব ইত্যাদি। আবার স্বভাবগত ভাবেই যারা সহজেই টেনশন, ডিপ্রেশন, রাগ বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের স্ট্রেসের মূল উৎস থাকে অভ্যন্তরীণ। যখন আমরা বলি সাংঘাতিক স্ট্রেস আছি! ‘তখন নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোনো কোনো সমস্যা বা জটিলতায় আপনি বেশি কষ্ট পান বা ভেঙে পড়েন? কখন আপনি মানুষিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন? কখন বেশি নিঃসঙ্গ অনুভব করেন? ধীরে ধীরে একেক করে এ স্ট্রেসগুলো থেকে মুক্ত হতে চেষ্টা করুন।

একই ঘটনায় একেকজন মানুষের প্রতিক্রিয়া হয় একেক রকম। একটি পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেউ বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে তাড়াতাড়ি। কারো আবার তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটে না। আসলে এটা নির্ভর করে আপনার লাইফ স্টাইল, জীবন সম্পর্কে দৃষ্টি ভঙ্গি, পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষমতা আয়ত্ত করার ওপর। একটা জীবনে নানা ধরনের কাজ, অভিজ্ঞতা, উত্তেজনা থাকতে পারে কিন্তু তার সঙ্গে স্ট্রেসের কোনো সম্পর্ক নেই। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের মূল সমস্যা হলো, যে পদ্ধতি নেওয়া হোক না কেন, তা শুধু বাহ্যিক মাত্র সিম্পটমগুলো মোকাবিলা করে, কারণের শিকড়ে যেতে পারে না। তাই বারবার আমরা হয়ে পড়ি স্ট্রেসড আউট। আর স্ট্রেসের কারণ দূর করতে না পারলে স্ট্রেস কমবে কী করে? আর তাই এ স্ট্রেস মোকাবিলায় সাহায্য করে যে কোনো রিল্যাক্সেশন টেকনিক যেমন ইয়োগা বা যোগাসন, এক্সারসাইজ মেডিটেশন এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ যা খুবই জরুরি। আরেকটি বিষয় হলো আমাদের মন নয় শরীরেই স্ট্রেস প্রোগ্রামিং বেশি হয়ে থাকে।

’আমার সমস্যার কোনো সমাধান নেই। আমি ভালো নেই’- এ জাতীয় কথা যে ধরনের আচরণ বা ব্যবহার নির্দেশ করে তা হলো- ‘অন্যের সাহায্য না নেওয়া এবং নিজের ধারণা যে ভুল হতে পারে তা স্বীকার করতে না পারা’। এ বিষয়গুলো আমাদের শরীরে প্রোগ্রামড হয়, মনে নয়। আর একবার নিজের মধ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে এর থেকে বের হয়ে আসা মুশকিল। স্ট্রেস মোকাবিলায় কী কী করণীয় আসুন সেই বিষয়ে জেনে নেই-

খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে বারান্দায় কিছুক্ষণ বসতে পারেন। ছাদে বা বাগানে হাঁটতে পারেন। সকালবেলার খোলা হাওয়া ও আলো মুড নিয়ন্ত্রক সেরটনিন লেভেল বৃদ্ধি করে। ভালো মতো ধীরস্থির হয়ে ব্রেকফাস্ট করুন। দিনের শুরুতে মেটাবলিজম সতেজ রাখতে এটা খুব জরুরি। এর ফলে সারাদিন কনসেনট্রেশন এবং এনার্জি লেভেল ভালো থাকে, ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক থাকে। অফিসে একনাগাড়ে কাজ না করে দশ মিনিটের জন্য ওঠে হাঁটাহাঁটি করুন। এর ফলে স্ট্রেস হরমোন প্রতিরোধ হয়।

পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। গল্প, আড্ডা দিন বা বাইরে ঘুরতে যান। প্রতিদিনের কাজগুলোকে নানাভাবে ভাগ করে নিন এবং একটা একটা করে শেষ করুন। যখন যে কাজ করবেন সেটাতেই চেষ্টা করুন মনঃসংযোগ ঠিকমতো করার। অপেক্ষাকৃত কম প্রায়োরিটির কাজে কম অ্যানার্জি ব্যয় করুন। ভালো গান বা মিউজিক শুনুন। হাসির সিনেমা দেখতে পারেন। মাঝে মাঝে বডি ও হেড ম্যাসাজ নিন।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন কোনো কাজ না করার চেষ্টা করুন। সপ্তাহে একদিন বাইরে খেতে যাওয়া বা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করুন। প্রতিদিন একটু সময় নিজের জন্য রাখুন। নিজের যত্ন নিন। যে কাজ বা কথা আপনার ভালো লাগবে না সেখানে না বলতে শিখুন। হেলদি ডায়েট মেনে চলুন। পরিমিত খাবার খান। সাদা চিনি ও লবণ কম খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ স্ট্রেসে ব্লাড প্রেসার এমনিতেই বেড়ে যায়। এক্সারসাইজ, জগিং, মেডিটেশন, ইয়োগা কিংবা প্রতিদিন সকালে অথবা বিকালে হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন। এতে শরীর মন দুটিই ভালো থাকবে। ডায়েরি লেখার অভ্যাস করতে পারেন। ডায়রির পাতায় প্রিয়জনের ছবি, প্রিয় কবিতা ও গানের কথা লিখে রাখুন। বইপড়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।

আপনার সৃজনশীল কাজগুলো মাঝে মাঝে করতে পারেন। হতে পারে সেটা বাগান করা, রান্না করা, সেলাই করা, হস্তশিল্প, ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, গান আবৃত্তি অভিনয় নাচ, লেখালেখি, ইত্যাদি যে কোনো কাজ। দেখবেন নিজের প্রতি আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে। স্ট্রেস রুখতে এবং মুড ভালো রাখতে উজ্জ্বল রঙের ভূমিকা অনেক। উজ্জ্বল রং মনে উৎসাহ-উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে, আশা জাগায় ও মন ভালো রাখে। তাই ঘরের ইন্টেরিয়রে ব্যবহার করতে পারেন উজ্জ্বল রং। ফুলদানিতেও রাখতে পারেন প্রতিদিন উজ্জ্বল রঙের তাজা ফুল।

প্রতিদিন নিজেকে আর নিজের চারপাশকে সাজিয়ে তুলুন নিজের মনের মতো করে, দেখবেন আপনার মন-মেজাজ কেমন প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাসে ভরে উঠবে। নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন। নিজেই নিজেকে উজ্জীবিত করে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-jugantorlifestyle@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

স্ট্রেস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেন্টাল ফিজিক্যাল বা ইমোশনাল টেনশন হলো স্ট্রেস। এ টেনশন হতে পারে নানা কারণে। সংসারের দৈনন্দিন কাজে ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে ছোটাছুটি, অফিসে কাজের চাপ, বাইরের কাজ ও সামাজিক দায়দায়িত্ব, শারীরিক অসুস্থতা সব মিলিয়ে জীবন বড় কঠিন মনে হয় একেক সময়। অথচ থেমে থাকার উপায় নেই।

আমাদের সমাজের নারীদের সংসার এবং তার বাইরের সব কাজ এবং চাহিদা মেটাতে হয় হাসিমুখে। কারণ সব কিছু নিয়েই তো জীবন। বর্তমান সময়ে এ করোনাকালীন আমাদের নিউ নরমাল লাইফের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। প্রতিদিনের জীবনযাপনে পরিবর্তন এর সঙ্গে খাপখাইয়ে নিয়ে চলা কিন্তু আমাদের জন্য নতুন একটি স্ট্রেস।

প্রশ্ন হলো, সহজ সুন্দর থেকে কেমন করে সামলাবেন এ মুহূর্তগুলো? তার জন্য দরকার প্ল্যানিং, টাইম-ম্যানেজমেন্ট আর যথাযথ লাইফস্টাইল। স্ট্রেস এলে আর পাঁচটা অসুখের মতো নয়। ওষুধ খেলেই সেরে যাবে। স্ট্রেস হলো এমন একটি শব্দ, যা দৈনন্দিন জীবনের জটিল পরিস্থিতি বা সমস্যার প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করে থাকি। কিছু সমস্যা বাহ্যিক যেমন পারস্পরিক সম্পর্ক, প্রাত্যহিক কাজের চাপ, অন্যান্য সাংসারিক ও সামাজিক দায়দায়িত্ব ইত্যাদি। আবার স্বভাবগত ভাবেই যারা সহজেই টেনশন, ডিপ্রেশন, রাগ বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের স্ট্রেসের মূল উৎস থাকে অভ্যন্তরীণ। যখন আমরা বলি সাংঘাতিক স্ট্রেস আছি! ‘তখন নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোনো কোনো সমস্যা বা জটিলতায় আপনি বেশি কষ্ট পান বা ভেঙে পড়েন? কখন আপনি মানুষিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন? কখন বেশি নিঃসঙ্গ অনুভব করেন? ধীরে ধীরে একেক করে এ স্ট্রেসগুলো থেকে মুক্ত হতে চেষ্টা করুন। 

একই ঘটনায় একেকজন মানুষের প্রতিক্রিয়া হয় একেক রকম। একটি পরিস্থিতির  মোকাবিলায় কেউ বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে তাড়াতাড়ি। কারো আবার তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটে না। আসলে এটা নির্ভর করে আপনার লাইফ স্টাইল, জীবন সম্পর্কে দৃষ্টি ভঙ্গি, পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষমতা আয়ত্ত করার ওপর। একটা জীবনে নানা ধরনের কাজ, অভিজ্ঞতা, উত্তেজনা থাকতে পারে কিন্তু তার সঙ্গে স্ট্রেসের কোনো সম্পর্ক নেই। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের মূল সমস্যা হলো, যে পদ্ধতি নেওয়া হোক না কেন, তা শুধু বাহ্যিক মাত্র সিম্পটমগুলো মোকাবিলা করে, কারণের শিকড়ে যেতে পারে না। তাই বারবার আমরা হয়ে পড়ি স্ট্রেসড আউট। আর স্ট্রেসের কারণ দূর করতে না পারলে স্ট্রেস কমবে কী করে? আর তাই এ স্ট্রেস মোকাবিলায় সাহায্য করে যে কোনো রিল্যাক্সেশন টেকনিক যেমন ইয়োগা বা যোগাসন, এক্সারসাইজ মেডিটেশন এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ যা খুবই জরুরি। আরেকটি বিষয় হলো আমাদের মন নয় শরীরেই স্ট্রেস প্রোগ্রামিং বেশি হয়ে থাকে। 

’আমার সমস্যার কোনো সমাধান নেই। আমি ভালো নেই’- এ জাতীয় কথা যে ধরনের আচরণ বা ব্যবহার নির্দেশ করে তা হলো- ‘অন্যের সাহায্য না নেওয়া এবং নিজের ধারণা যে ভুল হতে পারে তা স্বীকার করতে না পারা’। এ বিষয়গুলো আমাদের শরীরে প্রোগ্রামড হয়, মনে নয়। আর একবার নিজের মধ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে এর থেকে বের হয়ে আসা মুশকিল। স্ট্রেস মোকাবিলায় কী কী করণীয় আসুন সেই বিষয়ে জেনে নেই- 

খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে বারান্দায় কিছুক্ষণ বসতে পারেন। ছাদে বা বাগানে হাঁটতে পারেন। সকালবেলার খোলা হাওয়া ও আলো মুড নিয়ন্ত্রক সেরটনিন লেভেল বৃদ্ধি করে। ভালো মতো ধীরস্থির হয়ে ব্রেকফাস্ট করুন। দিনের শুরুতে মেটাবলিজম সতেজ রাখতে এটা খুব জরুরি। এর ফলে সারাদিন কনসেনট্রেশন এবং এনার্জি লেভেল ভালো থাকে, ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক থাকে। অফিসে একনাগাড়ে কাজ না করে দশ মিনিটের জন্য ওঠে হাঁটাহাঁটি করুন। এর ফলে স্ট্রেস হরমোন প্রতিরোধ হয়। 

পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। গল্প, আড্ডা দিন বা বাইরে ঘুরতে যান। প্রতিদিনের কাজগুলোকে নানাভাবে ভাগ করে নিন এবং একটা একটা করে শেষ করুন। যখন যে কাজ করবেন সেটাতেই চেষ্টা করুন মনঃসংযোগ ঠিকমতো করার। অপেক্ষাকৃত কম প্রায়োরিটির কাজে কম অ্যানার্জি ব্যয় করুন। ভালো গান বা মিউজিক শুনুন। হাসির সিনেমা দেখতে পারেন। মাঝে মাঝে বডি ও হেড ম্যাসাজ নিন। 

সাপ্তাহিক ছুটির দিন কোনো কাজ না করার চেষ্টা করুন। সপ্তাহে একদিন বাইরে খেতে যাওয়া বা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করুন। প্রতিদিন একটু সময় নিজের জন্য রাখুন। নিজের যত্ন নিন। যে কাজ বা কথা আপনার ভালো লাগবে না সেখানে না বলতে শিখুন। হেলদি ডায়েট মেনে চলুন। পরিমিত খাবার খান। সাদা চিনি ও লবণ কম খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ স্ট্রেসে ব্লাড প্রেসার এমনিতেই বেড়ে যায়। এক্সারসাইজ, জগিং, মেডিটেশন, ইয়োগা কিংবা প্রতিদিন সকালে অথবা বিকালে হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন। এতে শরীর মন দুটিই ভালো থাকবে। ডায়েরি লেখার অভ্যাস করতে পারেন। ডায়রির পাতায় প্রিয়জনের ছবি, প্রিয় কবিতা ও গানের কথা লিখে রাখুন। বইপড়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। 

আপনার সৃজনশীল কাজগুলো মাঝে মাঝে করতে পারেন। হতে পারে সেটা বাগান করা, রান্না করা, সেলাই করা, হস্তশিল্প, ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, গান আবৃত্তি অভিনয় নাচ, লেখালেখি, ইত্যাদি যে কোনো কাজ। দেখবেন নিজের প্রতি আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে। স্ট্রেস রুখতে এবং মুড ভালো রাখতে উজ্জ্বল রঙের ভূমিকা অনেক। উজ্জ্বল রং মনে উৎসাহ-উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে, আশা জাগায় ও মন ভালো রাখে। তাই ঘরের ইন্টেরিয়রে ব্যবহার করতে পারেন উজ্জ্বল রং। ফুলদানিতেও রাখতে পারেন প্রতিদিন উজ্জ্বল রঙের তাজা ফুল। 

প্রতিদিন নিজেকে আর নিজের চারপাশকে সাজিয়ে তুলুন নিজের মনের মতো করে, দেখবেন আপনার মন-মেজাজ কেমন প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাসে ভরে উঠবে। নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন। নিজেই নিজেকে উজ্জীবিত করে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-jugantorlifestyle@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন