দেহরক্ষীরা কেন কালো সানগ্লাস পরে?

  লাইফস্টাইল ডেস্ক ০৮ জুন ২০১৮, ২০:০২ | অনলাইন সংস্করণ

দেহরক্ষী, ছবি সংগৃহীত
দেহরক্ষী, ছবি সংগৃহীত

রূপোলি জগতের তারকা থেকে খেলোয়াড়, শিল্পপতি থেকে রাজনৈতিক নেতা— হেভিওয়েট কর্তাব্যক্তিদের রক্ষায় তারা সব সময় তৈরি থাকেন।

ফ্যানেদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতেই হোক বা পাপারাৎজিদের খপ্পর থেকে মুক্তি, তারকাদের প্রধান ভরসা এই বডিগার্ড।

চোখে কালো রোদ চশমা, পরনে কালো বা অন্য রঙের সাফারি স্যুট, সুঠাম স্বাস্থ্যের এই দেহরক্ষীরা এক কথায় তারকাদের ছায়াসঙ্গী।

কখনও খেয়াল করে দেখেছেন এই দেহরক্ষী বা বডিগার্ডেরা বেশির ভাগ সময় চোখে কালো রোদ চশমা পরে থাকেন।

তারকাদের সঙ্গে কোনও অনুষ্ঠানে হোক বা গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক বৈঠক, দেহরক্ষীদের চোখে শোভা পায় কালো সানগ্লাস। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।

কী ভাবছেন? ফ্যাশন বা স্মার্ট দেখানোর জন্যই দেহরক্ষীরা সানগ্লাস পরেন? একেবারেই না। এর পিছনে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে নিরাপত্তার বিষয়টিও। দেহরক্ষীর প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময়েই এই বিষয়ে সচেতন করে দেওয়া হয় তাদের।

আসুন জেনে নেই যে কারণে কালো সানগ্লাস পরে দেহরক্ষীরা।

নজরদারি

কোনও অপরাধীর চোখকে ধুলো দিতেই এই বিশেষ ট্রিক ব্যবহার করেন দেহরক্ষীরা। সানগ্লাস থাকায় তাদের নজর ঠিক কোথায়, কাদের অনুসরণ করছে সেটা বোঝা সম্ভব হয় না। ফলে খুব সহজেই চারপাশে নজরদারি চালানো যায়।

ফ্ল্যাশ লাইট বা সূর্যরশ্মি

ফ্ল্যাশ লাইট বা সূর্যরশ্মির হাত থেকে বাচতেও কালো রোদ চশমা ব্যবহার করেন বডিগার্ডেরা। তাদের ফোকাস থাকে নিরাপত্তার দিকে, তাই কোনও অবস্থাতেই এক মুহূর্তের জন্যও যাতে মনোসংযোগে বিচ্যুতি না ঘটে তাই এই ব্যবস্থা।

চোখের সুরক্ষা

দেহরক্ষীদের প্রায়ই গুলির লড়াই বা বিস্ফোরণের মুখোমুখি হতে হয়। চোখের সুরক্ষার জন্যও সানগ্লাস ব্যবহার করেন দেহরক্ষীরা। তা ছাড়া কালো চশমা পরলে বাইরের দুনিয়ার কাছে আবেগ লুকিয়ে রাখাও সম্ভব হয়।

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-[email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: jugantor.mai[email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×